শীতকালীন সহজলভ্য ও পুষ্টি সমৃদ্ধ ফল

শীতকালীন

দেখতে দেখতে শেষ হয়ে যাচ্ছে আরেকটি বছর। আমাদের দেশে বছরের শেষে শুরু হয় শীতকাল। শরীরকে সুস্থ রাখতে আমাদের নিয়মিত মৌসুমি ফল খাওয়া উচিৎ। এই শীতে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে নানান ধরণের ফল। জেনে নিন শীতকালীন কোন ফলে কি পুষ্টি গুণ আছে।

বড়ই

শীতের

বড়ই হচ্ছে শীতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফল। নানা ধরণের বড়ই পাওয়া যায়। এদের মধ্যে বাউকুল, কাসবড়ই, দেশি টকমিষ্টি বড়ই, আপেল কুল খুব জনপ্রিয়।

ফোঁড়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, হৃদরোগ, রক্ত আমাশয়, মাথাব্যথা ইত্যাদি সমস্যা সমাধান করতে পারে।

শীতকালীন ফল জলপাই

শীতের

শীতকালীন ফল জলপাই ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ। উচ্চরক্তচাপ, কোষ্ঠকাঠিন্য, কোলন ও পাকস্থলির ক্যানসার দূর করতে জলপাই এর ভূমিকা অপরিসীম। তাছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর জলপাইয়ে আরো রয়েছে ভিটামিন ‘এ’ এবং ভিটামিন ‘ই’। এই ফলটি খুব স্বল্প মূল্যে পাওয়া যায়।

আপনি ইচ্ছে করলে মিষ্টি অথবা ঝাল আচার বানিয়ে সারা বছরের জন্য সংরক্ষণ করতে পারেন। এছাড়া ডিপ ফ্রিজে বরফ করে সংরক্ষণ করতে পারেন পরবর্তীতে খাওয়ার জন্য।

আমলকী

শীতের

হাইব্রিড আমলকীর ফলনের কারণে এখন আমরা সারা বছরই খেতে পারি এই ফলটি। মূলত আমলকী একটি শীতকালীন ফল। ভিটামিন ‘সি’-এর রাজা বলা হয় একে। ত্বক ও চুল সুরক্ষা, মাড়ি মজবুত করতে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে বড় ধরণের ভূমিকা পালন করে আমলকী। শীতকালে সবারই চুল পরা, চুলে খুশকি, চুল রুক্ষ এইসব নিয়ে নানান সমস্যা দেখা দেয়। এই সময় বেশি বেশি করে আমলকী খেলে এই ধরণের সমস্যাগুলো থেকে খুব জলদি মুক্তি পাওয়া যায়।

সফেদা

শীতের

সম্প্রতি নামকরা আর একটি ফল হচ্ছে সফেদা। শীতকালীন এই ফল আমাদের দেশে একসময় তেমন একটা পরিচিত ছিল না কিন্তু এখন এই ফলটি প্রিয় ফলের তালিকায় চলে এসেছে এর স্বাদ ও পুষ্টিগুনের কারণে। সফেদা ক্যান্সার প্রতিরোধক, কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণ, কিডনি সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য, কোলেস্টেরল ও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। সফেদায় রয়েছে- ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিন ‘বি কমপ্লেক্স’, পটাশিয়াম, কপার, আয়রন, ফাইবার। মিষ্টি এই ফল বাংলাদেশের সর্বত্র পাওয়া যায়।

কৎবেল

শীতের

ব্রণ ও মেছতায় কাঁচা কৎবেলের রস মুখে মাখলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। কৎবেল পাতার নির্যাস শ্বাসযন্ত্রের চিকিৎসায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। কৎবেলের পাতা দুধ এবং চিনি দিয়ে মিশিয়ে খাওয়ালে শিশুদের পেটের ব্যথার উপশম করে। এই ফল দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠবদ্ধতা ও আমাশা দূর করে। রক্ত পরিষ্কার, শক্তি বৃদ্ধি এবং রক্ত স্বল্পতা দূর করে।

কৎবেল মহিলাদের হরমোনের অভাব সংক্রান্ত সমস্যা দূর করে থাকে। এমনকি স্তন ও জরায়ু ক্যান্সার নিরাময় করে থাকে।

ডালিম

শীতের

আপনি যদি উচ্চ রক্ত চাপে ভোগেন তাহলে ২ সপ্তাহ ডালিম খেয়ে দেখুন, আপনার রক্তচাপ স্বাভাবিক হয়ে যাবে। হাড়ের সংযোগ স্থলের ব্যথা উপশম করে। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং রক্ত পরিষ্কার করে। রক্তে কলেস্টরলের মাত্রা ঠিক রাখে যার দরুন হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়।

বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে ডালিম স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

শীতকালীন ফল কমলা

শীতের

শীতের কথা মনে করলেই অনেকের মাথায় প্রথমে যে ফলটি আসে তা হল কমলা। কমলা ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘বি কমপ্লেক্স’, ফাইবার ও মিনারেলে সমৃদ্ধ। কমলায় থাকা ভিটামিন সি যেমন আমাদের দাঁতের জন্য ভালো ঠিক তেমনি ত্বকের জন্য খুব দরকারি। আমরা অনেক টাকা খরচ করে বাজার থেকে কমলা সমৃদ্ধ কসমেটিক্স কিনি কিন্তু সেই টাকা দিয়ে কমলা কিনে খেলে কতটুকু উপকার পাব সেটা ভেবে দেখি না।

কমলার রস ত্বকে প্রয়োগ করলে ত্বক উজ্জলতা ফিরে পায় এবং ত্বকের লাবণ্য ঠিক থাকে। হৃদরোগীদের জন কমলা অনেক উপকারী।

Source

healthline.com

nutrition-and-you.com

medicalnewstoday.com

glassdoor.co.in

কুকুরের দাঁতের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে টুথপেস্ট তৈরি করুন

কুকুরের

বাংলাদেশে এখন অনেক মানুষ আছেন যারা বাসায় কুকুর পালছেন। একটি কুকুর সঠিক ভাবে পালতে হলে আপানাকে ওদের সম্পর্কে জ্ঞান রাখতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে। অনলাইনে আপনার প্রিয় কুকুরটির জন্য কত কিছুই না কিনছেন। ডগ ফুড, ট্রিট, খেলনা, জামাসহ কত কিছু। কিন্তু কখনো কি ওর দাঁত নিয়ে চিন্তা করেছেন। আপনার কুকুরের দাঁতের যত্ন কি নিচ্ছেন?

অনেকেরই অভিযোগ আছে, “আমার কুকুরের নিঃশ্বাসে বাজে গন্ধ”। আমরা মানুষরা যেমন প্রতিদিন দাঁত ব্রাশ করি ঠিক ওদেরও প্রতিদিন সম্ভব না হলেও ২/৩ দিন অন্তর অন্তর দাঁত ব্রাশ করা প্রয়োজন।  ভ্রুটা একটু কুঁচকে মনে মনে নিশ্চিত বলছেন, “ডগ টুথপেস্টের যে দাম!!”। তাহলে আপনাকে খুশি করার মত কিছু তথ্য আছে আমার কাছে। ঘরে সব সময় থাকে এমন কিছু উপাদান দিয়ে খুব কম সময়ে আপনার কুকুরের জন্য টুথপেস্ট তৈরি করতে পারবেন। ২/৩ দিন পর পর যদি নিয়মিত ব্রাশ করান তাহলে দেখবেন ওর মুখে কোন দুর্গন্ধ নেই। এবং এই প্রাকৃতিক উপাদানগুলো কুকুরদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভালো।

কুকুরের
কুকুরের দাঁতেও কিন্তু মানুষের মত প্লাগ হয়। সুতরাং ওর দাঁতের একটু যত্ন নিন।

আমি টুথপেস্ট কিভাবে বানাতে হয় এবং প্রতিটি উপাদানে কি কি গুনাগুন আছে সব বলে দিচ্ছি। আমার নিজের একটি ছোট ব্রিডের কুকুর আছে। ও এই টুথপেস্ট সব সময় ব্যবহার করে ওর কোন সমস্যা হয়নি। আশা করি আপনাদের কুকুরটিরও কোন সমস্যা হবে না। আর একটি মজার বিষয় ইচ্ছে করলে আপনিও মাঝে মাঝে এটা ব্যবহার করতে পারেন। এমন ভাবে বানাবেন যেন আপনিও ব্যবহার করতে পারেন।

কুকুরের টুথপেস্ট তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান

– হলুদ- ৪/৫ টুকরা (মাঝারী)

– দারুচিনি- ৫/৬ টুকরা (মাঝারী)

– ধনেপাতা- আপনার হাতে এক মুঠ

– বেকিং সোডা- ১ টেবিল চামচ

– নারিকেল তেল- ২ টেবিল চামচ

– এলাচি- ৩/৪ টি

কুকুরের টুথপেস্ট তৈরির প্রণালী

– প্রথমে দারুচিনি, এলাচি এবং হলুদ ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর পানি ভালো করে ঝরিয়ে হালকা করে ভেঙ্গে নিন।

– এখন একটা তাওয়া অথবা কড়াইয়ে হালকা আঁচে সময় নিয়ে মচমচে করে ভাজুন। খেয়াল রাখবেন যেন পুড়ে না যায়।

– ভাজা হয়ে গেলে ব্লেন্ডারে একদম গুঁড়া করে ফেলুন। আপনার বাসায় ব্লেন্ডার না থাকলে কোন সমস্যা নেই মশলার পাটায় গুঁড়ো করে নিন।

– এখন ধনেপাতা দিয়ে আবার ব্লেন্ড করুন। টুথপেস্ট বললেও এটা পেস্ট না হওয়াই ভালো তাহলে অনেক দিন টিকবে।

– এবার বেকিং সোডা আর নারিকেল তেল দিয়ে আবার ব্লেন্ড করুন।

– শুকনা কাঁচের শিশিতে সংরক্ষণ করুন। অনেকদিন ভালো থাকবে। সামান্য পানি মিশিয়ে আপনার কুকুরের দাঁত ব্রাশ করে দিবেন।

টুথপেস্টটি বানানো শিখে নেয়ার পর আসুন এবার দেখে নেই প্রতিটি উপাদানের গুণাগুণ গুলো।

কুকুরের জন্য হলুদ

কুকুরের

হলুদ আপনার কুকুরকে নানা ধরণের রোগের হাত থেকে বাঁচাতে পারে। হলুদ কুকুরকে ক্যান্সারের হাত থেকে বাঁচায়। কুকুরের বয়স বাড়ার সাথে সাথে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। ক্যান্সার ঠেকাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে এই হলুদ।

আমেরিকার কয়েকজন গবেষক বিভিন্ন ধরণের গবেষণা করে দেখেছেন হলুদ ক্যান্সার আক্রান্ত কুকুরকে ভালো করার জন্য ব্যবহার করা যায়।

হলুদ ক্যান্সারের কোষকে বাড়তে দেয় না। দাঁতের গোঁড়ায় নানা ধরণের ব্যাকটেরিয়া থাকে যা হলুদ ধ্বংস করতে পারে।

কুকুরের জন্য দারুচিনি

কুকুরের

শরীরের কোষ ভালো রাখতে সাহায্য করে দারুচিনি। হাড়ে প্রদাহ আর ক্যান্সার থেকেও বাঁচাবে এই দারুচিনি। হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। হাড়ের গঠন ভালো রাখে।

তাছাড়া খাবারে সামান্য দারুচিনি মেশালে আপনার কুকুরের মুখে দুর্গন্ধ থাকবে না।

কুকুরের জন্য এলাচি

কুকুরের

এলাচি অনেক সুগন্ধি একটি মশলা। কিন্তু অতিরিক্ত এলাচি ওদের জন্য ভালো না। সুতরাং অন্য কোন ভাবে ওদের খেতে দেবেন না। খুব অল্প এলাচি মুখের দুর্গন্ধ  দূর করতে সাহায্য করে।

কুকুরের জন্য বেকিং সোডা

কুকুরের

বেকিং সোডা কুকুরকে খাওয়ানো উচিৎ না। এই টুথপেস্টে থাকা সামান্য বেকিং সোডা কুকুরের জন্য ভালো। দাঁতের ময়লা আর খাদ্য কণা দূর করে দেবে এই বেকিং সোডা।

পেটের বদ হজম দূর করতে সাহায্য করবে।

কুকুরের জন্য নারিকেল তেল

কুকুরের

ওদের খাবারে কোন ধরণের তেল ব্যবহার করা যায় না সেটা তো ভালো করেই জানেন। কিন্তু মাঝে মাঝে খুব সামান্য হলেও ওদের তেল দেয়া উচিৎ। তাহলে ওদের চামড়া আর লোম ভালো থাকবে।

কুকুরের জন্য ধনেপাতা

কুকুরের

ধনেপাতা দৃষ্টিশক্তি এবং হজমশক্তি উভয়ের জন্য খুব ভালো কাজ করে। এতে আয়রন আছে যা রক্ত তৈরি হতে সাহায্য করে। ব্লাড সার্কুলেশনও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। ক্যালসিয়াম আছে এতে যা হাড়ের ঘনত্ব ও জয়েন্ট ভালো রাখে।

মনে রাখবেন-

– এই উপাদান গুলো দিয়ে আপানার কুকুরের জন্য খাবারও বানাতে পারেন।

– কুকুরকে শুধু ডগ ফুড খাওয়াবেন না। ডগ ফুডের পাশাপাশি বাসায় বানানো খাবার দেবেন তাহলে ওর রুচি নষ্ট হবে না।

– এই টুথপেস্ট ১ টেবিল চামচের ৪ ভাগের ১ ভাগ ব্যবহার করবেন।

আপনার প্রিয় প্রাণীটির এমন সব উপকারি তথ্য পেতে হলে কমেন্ট বক্সে জানিয়ে দিন। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব।

Source

canigivemydog.com

dogsnaturallymagazine.com

animalwised.com

sitstay.com

 

ডায়বেটিস রোগীরা কিভাবে খাদ্য তালিকা তৈরি করবেন?

ডায়বেটিস

ডায়াবেটিস রোগটি আমাদের খাদ্যাভ্যাসের সাথে অনেকাংশে নির্ভর করে। ডায়াবেটিস- এ আক্রান্ত রোগীদের হৃদ রোগজনিত সমস্যা, মানসিক রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা– নন ডায়াবেটিক এর থেকে প্রায় দ্বিগুণ। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টাইপ–২ ডায়বেটিস অর্থাৎ যাতে ইনসুলিন লাগেনা, শুধুমাত্র ওষুধে চিকিৎসা দেয়া হয়, নিয়ন্ত্রণযোগ্য এবং কিছু ক্ষেত্রে নিরাময়যোগ্য। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে এমন না যে, আপনার পছন্দের খাবার থেকে নিজেকে দূরে থাকতে হবে। সব খাবারই খাওয়া যাবে, কিন্তু পরিমিত মাত্রায় যাতে আপনার মুড ও শক্তির সমন্বয় ঘটে।

যাদের ডায়বেটিস আছে তারা অনেক কিছুই খেতে পারেন না। নিজের অনেক পছন্দের খাবার খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেন। এমন হলে হলে সত্যি জীবন যাপন করা কঠিন।

ডায়বেটিস রোগীদের কি খাবার বর্জন এবং কি খাবার গ্রহণ করা উচিত তা নিয়েই আজ কথা বলব।

ডায়বেটিস হলে কি মিষ্টি খাবার বাদ দিতে হবে?

ডায়বেটিসের জন্য আপনার প্রিয় মিষ্টি জাতীয় খাবার একদম পরিহার করতে হবে তা না। আপনাকে পরিমাণ মত খেতে হবে। আগে যেমন ইচ্ছে হলেই ২/৩ টা রসগোল্লা অথবা ১ বাটি পায়েস খেয়ে ফেলতেন এখন তেমনটা হবে না। মিষ্টি দই খাওয়ার সময়ও আপানাকে স্বাস্থ্যের কথা মনে রাখতে হবে। মনে রাখবেন বেহিসাবি যেকোনো কিছুই আমাদের শরীরের জন্য খারাপ।

ডায়বেটিস হলে শর্করা গ্রহণ

পাউরুটি, সাদা ভাত, পাস্তা ইত্যাদি স্টার্চ সমৃদ্ধ খাবার এর বদলে বার্লি, বাদামি বা লাল চালের ভাত, গম বা গম জাতীয় শস্য দানা ভুক্ত খাবার থাকে।  কারণ শস্য দানা জাতীয় খাবার রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে বেশি ভূমিকা রাখে। গোল আলুর পরিবর্তে মিষ্টি আলু খেতে পারেন।

শর্করার পরিমাণ যেন কখনো বেশি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে খাদ্য গ্রহণ করুন।

ডায়াবেটিক খাবার

আপনি ডায়াবেটিক বা নন ডায়াবেটিক হন না কেন, দামি ও স্পেশাল ডায়াবেটিক খাবার খুব একটা ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারেনা।

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন আনলেই আপানার ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

যা যা বেশি খাবেন-

  • দেশী মাছ ও মুরগি
  • উপকারী চর্বি যেমন, বাদাম, অলিভ ওয়েল, মাছের তেল ইত্যাদি।
  • প্রোটিন জাতীয় খাবার– যেমন, ডিম, অল্প চর্বি জাতীয় দুধ, টক দই ইত্যাদি।
  • টাটকা ও রঙিন শাকসবজি, জুসের থেকে ফল বেশি খেতে হবে।

যা যা কম খাবেন-

  • অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার এবং অতিরিক্ত রান্না করা খাবার
  • প্যাকেটজাত ফাস্ট ফুড, বিশেষ করে যাতে চিনি, বেকিং করা খাবার, মিষ্টি, ডেজারট, চিপস ইত্যাদি থাকে।
  • সাদা পাউরুটি বা রুটি
  • প্রক্রিয়াজাত মাছ বা মাংস

নিয়মিত খাবার গ্রহণ খাবারের তালিকা প্রস্তুতি

মজার ব্যাপার এই যে মাত্র ৭% শরীরের ওজন কমালে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অর্ধেক কমে যায়। এর জন্য অতিমাত্রার সচেতনতার দরকার নেই। শুধুমাত্র নিয়ম করে খাবার গ্রহণ ও কি খাচ্ছেন তার তালিকা প্রস্তুত বা সচেতন হওয়ার মাধ্যমে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে হ্রাস করা সম্ভব।

ডায়বেটিস

  • দিনটি শুরু করুন সুসাস্থ্যকর নাস্তা দিয়ে– এটি সারাদিনের শক্তি যোগাবে পাশাপাশি রক্তের শর্করা নিয়মিত রাখবে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকালের নাস্তা হিসেবে ২/৩ পিস লাল আটার রুটি, ১ টি সিদ্ধ ডিম ও পরিমাণ মত সবজি ছাড়াও ১ কাপ দুধ যথেষ্ট।
  • দুপুরের খাবার হিসেবে ১ কাপ ভাত, ১/২ কাপ সবজি, মাছ বা মাংস ১ পিস ও পরিমাণ মত সালাদ যথেষ্ট।
  • রাতের খাবার হিসেবে ২/৩ পিস রুটি, ১ কাপ সবজি ও মাছ বা মুরগি ১ পিস যথেষ্ট।
  • অল্প অল্প খাবার গ্রহণ– ৬ বারের বেশি খাবেন না। এভাবে খাবার গ্রহণে সহজে হিসেব রাখতে সুবিধা হয়।
  • ক্যলরি নিয়মিতকরন– নিয়মিত চাহিদানুযায়ি খাবার গ্রহণ করুন। কোন এক বেলার খাবার পরিহার করা থেকে বিরত থাকুন। ধরুন রাতে না খেয়ে পরেরদিন সকালে বেশি খেলেন, এটা কাম্য নয়। খাবার পরিহারে রক্তের শর্করার মাত্রার তারতম্য হয়।

চিনি শরীরের জন্য কেন খারাপ?

চিনি

মিষ্টি জাতীয় খাবার আমাদের সকলের খুব প্রিয়। সব মিষ্টি খাবারের প্রধান উপাদান হল চিনি। প্রকারভেদে তার সাথে নানান কিছু যুক্ত থাকতে পারে। মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে মনও ভালো থাকে। এখন কথা হচ্ছে এই খাবার আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ভালো? আপনি কি জানেন গবেষকরা আমাদের খাদ্য তালিকার তিনটি জিনিসকে সাদা বিষ বলে আখ্যায়িত করেছেন? এর মধ্যে একটি হল চিনি অন্য দুটি হল ভাত এবং লবণ। আমাদের শরীরে চিনি কি ধরণের প্রভাব ফেলছে তা নিয়ে আলোচনা করব।

চিনি ডিপ্রেশনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়

যেসব খাবার ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতা বা হতাশাকে আরো খারাপ পর্যায়ে নিয়ে যায়, তাদের মধ্যে চিনি অন্যতম। অধিক মাত্রায় চিনি গ্রহণ গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি করে ও সংঘর্ষ সৃষ্টি করে, যার ফলে মেজাজ খারাপ হতে পারে। বিরক্তি, অস্থিরতা, অনিয়মিত ঘুম, বৃদ্ধি পেতে পারে।

চিনি আপনার জীবনের আয়ু কমাতে পারে

মাঝেমাঝে আমরা চকলেট, কোল্ড ড্রিঙ্কস খেয়ে থাকি। এ ধরণের খাদ্যগুলো স্বাস্থ্যের ওপর কি পরিমাণ নেতিবাচক প্রভাব ফেলে তা আপনি কল্পনা করতে পারবেন না। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া সান ফ্রান্সিসকোর একটি গবেষণায় পাওয়া গেছে, প্রতিদিন ২০ আউন্স সোডা পান করা কোষের বয়স ৪.৬ বছর বেড়ে যাওয়ার সমতুল্য, যা সিগারেট স্মোকিংয়ের প্রভাবের অনুরূপ। এই কোষ বয়স্কতার সঙ্গে মানুষের সংক্ষিপ্ত জীবনকালের সম্পর্ক রয়েছে। সুতরাং আমরা ধূমপানকারীদের মত সোডা পানকারীদেরও সতর্ক করব।

চিনি আপনাকে ক্ষুধার্ত রাখবে

আপনি যত চিনি গ্রহণ করবেন আপনার তত ক্ষুধা থাকবে। এক কথায় ক্ষুধা বাড়তে থাকবে। কারণ অতিরিক্ত চিনি লেপটিন প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে আর এই লেপটিনই আমাদের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে। তাই অধিক চিনি খেলে ক্ষুধা বাড়তেই থাকে।

ওজন বৃদ্ধি করে

চিনি আমাদের ওজন বৃদ্ধি করে এটা তো সকলেই জানি। কিন্তু কি করে হয় এটা সেটা কি জানি? আমাদের শরীরকে চালানোর জন্য শর্করার প্রয়োজন হয়। চিনিতে যে খাদ্য উপাদান আছে তার বেশির ভাগই শর্করা। শরীর যখন কাজ করছে অথবা ব্যায়াম করছে তখন এই শর্করা আমাদের শক্তি দেয়। যতটুকু খরচ না হয় ততটুকু আমাদের শরীরে মেদ হয়ে জমা থাকে। আগেই বলেছি চিনি আপনাকে ক্ষুধার্ত রাখবে। সুতরাং দৈনিক খাদ্যের সাথে আমরা যখন চিনিও গ্রহণ করি তা আমাদের শরীরে জায়গা করে নেয়। ওজন কমাতে চাইলে আজই চিনি পরিহার করুন।

লিভারের কর্মক্ষমতা কমাতে পারে

অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার অভ্যাস লিভারকে বেশি কাজ করতে বাধ্য করে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন অতিরিক্ত কাজের ফলে লিভারের ফাংশনে জটিলতা সৃষ্টি হয়। এতে লিভারের কার্যক্ষমতা নষ্ট পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।

ইনসুলিন নিঃসরণ বেড়ে যায়

অতিরিক্ত চিনি গ্রহণের একটি তাৎক্ষণিক ফলাফল হচ্ছে ইনসুলিন নিঃসরণ বেড়ে যাওয়া। ইনসুলিন আমাদের শরীরের রক্ত শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে। হার্ভার্ড টি.এইচ চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথের গবেষণা বিজ্ঞানী ভাসন্তি মালিক বলেন, “সোডা হচ্ছে সর্বাধিক জঘন্য কালপ্রিট। বেভারেজের শর্করা খুব দ্রুত শোষিত হয়, যার ফলে রক্ত শর্করা ও ইনসুলিন দ্রুত বৃদ্ধি পায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের দিকে ধাবিত করে যেখানে শরীর সক্রিয় হতে অত্যধিক ইনসুলিন প্রয়োজন হয় এবং ব্যক্তির বিপাকীয় স্বাস্থ্যকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করে।”

উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে

গবেষণায় দেখা গেছে, চিনির সঙ্গে উচ্চ কোলেস্টেরল এবং হৃদরোগজনিত মৃত্যুর সংযোগ আছে। ডা. সল্টজম্যান বলেন, “উচ্চমাত্রায় চিনি গ্রহণের সঙ্গে লো-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন (ভিএলডিএল) নামক একপ্রকার রক্তের লিপিড বৃদ্ধির সংযোগ পাওয়া গেছে, যা কার্ডিওভাস্কুলার রোগের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। চিনি এইচডিএল নামক উপকারী কোলেস্টরল হ্রাস করতে পারে- এইচডিএল কোলেস্টেরল হৃদপিণ্ডের সমস্যা থেকে রক্ষা করে।”

মস্তিষ্ককে প্ররোচিত করে

চিনি আপানার মস্তিষ্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ডা. সল্টজম্যান বলেন, শক্তিসমৃদ্ধ মিষ্টান্ন খাবার আপনার লিম্বিক সিস্টেম নামক মস্তিষ্কের অংশকে এসব খাবার আরো বেশি করে খাওয়ার জন্য প্ররোচিত করতে পারে।” মিষ্টান্ন খাবার খেলে এসব খাবার চাওয়া ও খাওয়ার জন্য আমাদের মস্তিষ্ক প্রশিক্ষণ পায় এবং এভাবে এসব খাবার খাওয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। ডা. মালিক বলেন, “চিনি মস্তিষ্কের প্লেজার সেন্টারকে উদ্দীপিত করতে পারে, যেভাবে করে ড্রাগ।”

দাঁতের ক্ষয় করে

ডা. স্যান্ডা মোল্ডোভান বলেন, “মুখের ব্যাকটেরিয়া চিনি ভালোবাসে, যেমনটা ভালোবাসি আমরা এবং তারা যখন এসব ভোজন করে বাইপ্রোডাক্ট হিসেবে এসিড নিঃসরণ হয়। এই এসিড দাঁতের এনামেলকে আক্রমণ করে ও ডেন্টিন নামক দাঁতের গভীর স্তরে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করে” ব্যাকটেরিয়ার জন্য আপানার মুখে দুর্গন্ধও হতে পারে। আপনি যত বেশি চিনি খাবেন, আপনার মুখ তত বেশি অ্যাসিডিক হবে এবং দ্রুত দাঁতে ক্যাভিটি বা ক্ষয় হবে। এছাড়া চিনি খেয়ে ইস্টও বিকশিত হয়, যা মুখের কর্নার বা জিহ্বা লাল করতে পারে।

 

কেন মারভেল থেকে চলে যাচ্ছেন “ক্যাপ্টেন আমেরিকা” ?

ক্যাপ্টেন

দ্য মারভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স ২০০৮ সালে ‘আয়রন ম্যান’ ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ২০১১ সালে মুক্তি পায় ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা’। সেখানে আমরা পরিচিত হই স্টিভ রজার্সের সাথে। তাকে ভয়ানক যোদ্ধা বানানোর জন্য শরীরে একটি ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। বিজ্ঞানীরা ভেবেছিলেন যে স্টিভ হয়তবা নিতে পারবে না ওই ওষুধটা হয়তবা মারা যাবে। শরীরে যখন ওষুধ স্টিভ এত ভয়ঙ্কর ব্যথার মধ্যে থেকেও বলেছিলেন, “থামিয়ো না। আমি নিতে পারব।” বাকি ইতিহাস জানতে হলে আপনাকে কষ্ট করে ‘ক্যাপ্টেন অ্যামেরিকা: দ্য ফার্স্ট অ্যাভেঞ্জার’ দেখতে হবে।

যারা এই মুভিটি দেখেছেন তারা নিশ্চয়ই জানেন আমি কার কথা বলছি। হ্যাঁ আমাদের সবার প্রিয় ক্রিস ইভান্সের কথাই বলছিলাম এতক্ষণ। ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা: দ্য ফার্স্ট অ্যাভেঞ্জার’ থেকে শুরু করে সিরিজের ১০ টি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। মারভেল মুভিজের ২২তম ছবি ‘অ্যাভেঞ্জারস ফো’-এর মধ্য দিয়ে এ সিরিজ থেকে বিদায় নিচ্ছেন তিনি। হ্যাঁ আপনারা ঠিকই শুনছেন। আমরা আর কখনো তাকে ক্যাপ্টেন আমেরিকার ওই ঢাল অথবা পোশাকে দেখব না। গত বৃহস্পতিবার একটি টুইটারের মাধ্যমে ক্যাপ্টেন আমেরিকা চরিত্র থেকে নিজের বিদায়ের খবর জানান তিনি। কয়েকদিন আগেই সুপারম্যানের চরিত্রের পরিবর্তন ঘটলো। হয়তবা এভাবে আমাদের অনেক পরিচিত এবং প্রিয় মানুষগুলোকে আর পছন্দের চরিত্রে দেখতে পারব না। দ্য ফার্স্ট অ্যাভেঞ্জার’ থেকে শুরু করে সিরিজের ১০টি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি।

টুইটারে তিনি লিখেছেন, “আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অ্যাভেঞ্জারস ফোর’ শেষ। পুরোনো দিনগুলো ভীষণ আবেগপূর্ণ। ক্যামেরার সামনে-পেছনের যত মানুষ এবং দর্শক, সবাইকে ধন্যবাদ জানাই স্মৃতিগুলোর জন্য। চিরকাল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

তাঁর এই টুইট-এর পর মানুষের প্রতিক্রিয়া ছিল দেখার মত। আপনাদের জন্য রইল তার কিছু ঝলক।

ক্যাপ্টেন

ক্রিসের এমন হঠাৎ প্রস্থান অবাক হওয়ার মত কিছু নয়। কারণ তিনি আগেই বলেছেন, “কেউ ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার আগেই নিজে থেকে বের হয়ে যাওয়া উত্তম”। এভাবে অনেক চরিত্রের ইতি ঘটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আসলে এরপর কি হবে তা জানতে হলে সবাইকে পরের বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

কমিক চরিত্রে ক্যাপ্টেন আমেরিকা ছাড়াও তিনি ২০০৫ ও ২০০৭ সালে জেসিকা আলবার সঙ্গে ‘ফ্যানটাসটিক ফোর’-এর দুটি ছবিতে কাজ করেছিলেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একজন কড়া সমালোচক। গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পুতুল বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।

বিদায় ক্যাপ। পর্দায় ক্যাপ্টেন হিসেবে না দেখা গেলেও কোটি কোটি মানুষের মনে চিরকাল ক্যাপ্টেন-ই থাকবেন আপনি।

আচারী চিকেন: চিকেনের নতুন স্বাদে চমকে দিন সবাইকে

আচারী

খাসি অথবা গরুর মাংসে সমস্যা থাকলেও মুরগীর মাংস খায় না এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। মুরগীর রোস্ট, ঝোল আর ভুনা ছাড়া অন্য কিছু কখনো চেষ্টা করে দেখেছেন। মুরগী পোড়া আর বারবিকিউ তো কম বেশি সবাই খেয়েছেন। এর বাইরে কোন নতুনত্ব হয়তো চেষ্টা করেননি মুরগীর সাথে। আজ আমরা আচারী চিকেন বানানো শিখব। খুব ইউনিক একটা ঘ্রাণ পাবেন আশা করি। চলুন চেষ্টা করি তাহলে।

আচারী চিকেনের গুঁড়া মশলার জন্য লাগবে

জিরা- ২ চামচ

ধনিয়া- ২ চামচ

মৌরি- ২ চামচ

গোলমরিচ- ২ চামচ

দারচিনি- ৪/৫ টি বড় টুকরা

শুকনা মরিচ- মাঝারী মাপের ৬/৭ টি

আচারী চিকেনের পেস্টের জন্য লাগবে

তেল- নারকেল তেল (১ চামচ)

পিঁয়াজ- ১ টি

আদা- বাটা ১ চামচ

রসুন- বাটা ১ চামচ

আর গুঁড়া মশলার মিশ্রণটি লাগবে।

আচারী চিকেনের জন্য আর যা যা লাগছে

তেল- ৩ চামচ

পিঁয়াজ- ৩ টি

কারী পাতা- ৭/৮ টি

চিকেন- ১- দেড় কেজি

আচারী চিকেনের প্রণালী

প্রথমে আমরা শুকনা মশলার মিশ্রণটি তৈরি করব। সব গুলো শুকনা মশলা হালকা আঁচে টেলে নেবো। ব্লেন্ডারে কোন কিছু ছাড়া শুধু গুঁড়া করে ফেলব।

এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটি বানাতে হবে। এটা ছাড়া আপনি আসল স্বাদ পাবেন না। সুতরাং খুব সাবধানতার সাথে তৈরি করুন। কড়াইয়ে ১ চামচ তেল দিয়ে হালকা আঁচে পেঁয়াজ, আদা আর রসুন দিয়ে দিব। অল্প ভেজে নেবো। ব্লেন্ডারে থাকা মশলাগুলোর সাথে রেখে আবার মিক্স করুন।

এবার কড়াইয়ে তিন চামচ তেল গরম করে নিন। গরম হওয়ার পর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিন তেলে। ভালো করে ভাজুন। এখন কারী পাতা দিয়ে দিন। কারী পাতা ভাজা হলে চিকেন দিয়ে দিন। চিকেন টাকে একটু ভাজা হলে পেস্ট টা দিয়ে দিন। ভালো করে মেশান। স্বাদ মত লবণ দিয়ে দিন। সবগুলো কাজ হলে পানি দিয়ে দিন। ৩০-৪০ মিনিট ঢেকে রেখে রান্না করুন। ভাত, পোলাওয়ের সাথে খুব ভালো লাগবে।

খেয়াল রাখবেন শুকনো মশলা ভাজার সময় চুলার আঁচ যেন একদম কম থাকে। রান্নায় কোন কিছু পুড়ে গেলে তা আসল স্বাদ হারায়।

বাসায় প্রিয়জনের জন্য রান্না করুন আর কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্ট সেকশনে জানান।

খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন আনতে হবে তবে কমবে ওজন

খাদ্য

দেহ থেকে অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে কত কিছুই না আমরা করি। তবুও অনেকেই বলছেন তারপর ও ওজন কমছে না। তাহলে কিভাবে কমবে আপনার ওজন। শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে শারীরিক কসরতের পাশাপাশি আপনাকে আপনার খাদ্য তালিকার দিকে নজর দিতে হবে। সামান্য কিছু পরিবর্তন আপনাকে করে তুলতে পারে স্লিম এন্ড ফিট। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক।

খাদ্য তালিকায় প্রোটিন= সন্তুষ্টি

খাদ্য

মুরগি, ডিম, ডাল, মাছ, টার্কি হচ্ছে প্রোটিনের ভাল উৎস। খাসি এবং গরুর মাংস এড়িয়ে চলুন। মনে রাখবেন কোন লাল মাংসই শরীরের জন্য ভাল না। আপনার খাদ্য তালিকায় প্রোটিন না থাকলে তা পরিপূর্ণ হবে না। ওজন কমাতে প্রোটিন অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। কারণ প্রোটিন হজম হতে অনেক সময় লাগে, তাই আপনার সহজে ক্ষুধা লাগবে না।

সুতরাং খাবারের তালিকায় প্রোটিন রেখে নিজের শরীরকে সন্তুষ্ট করুন।

খাদ্য নালি পরিষ্কার করুন আঁশ যুক্ত খাবার দিয়ে

খাদ্য

আমরা ত্বক পরিষ্কার রাখতে নানা ধরণের স্ক্রাব ব্যবহার করি। আপনি যদি শুধু বাইরের ত্বকের কথা ভাবেন তাহলে আপনি সুস্থ থাকতে পারবেন না। প্রতিদিন আঁশ যুক্ত খাবার খান। যেমন- শাকসবজি, ফল, লাল আটা, ঢেঁকি ছাটা চাল ইত্যাদি।

এই খাবার গুলো আপনাকে দীর্ঘদিন সুস্থ ও সুন্দর ভাবে বাঁচতে সাহায্য করবে। তাছাড়া আঁশ যুক্ত খাবার আপনার রক্তে চিনির পরিমাণ বাড়তে দেয় না।

খাদ্য তালিকা থেকে চিনি বর্জন করুন

খাদ্য

চিনিকে সাদা বিষ বলা হয়। চিনি আপনার শরীরে মেদ বাড়ানো ছাড়া আর কিছু করে না। মিষ্টি জাতীয় খাবার খেতে ইচ্ছে হলে আপনি ফল খেতে পারেন।

এতে আপনার আঁশও গ্রহণ করা হবে অন্য দিক দিয়ে চিনিও বর্জন করা হবে।

বাজারে অনেক ধরণের খাবার আছে যার গায়ে লেখা থাকে চিনি মুক্ত সেই খাবার গুলো খেতে চেষ্টা করুন। তবে বাইরের খাবার যত বর্জন করা যায় তত ভাল।

সেচুরেটেড ফ্যাট বাদ দিন

খাদ্য

দৈনিক খাদ্যে ১০ শতাংশেরও কম সেচুরেটেড ফ্যাট থাকা উচিত। সারাদিনে আপনি ৭৭ গ্রাম ফ্যাট নিতে পারেন।

বাইরের খাবার গ্রহণ করার আগে কি পরিমাণ ফ্যাটের কথা লেখা আছে দেখে নিন।

লবণ আপনার রক্ত চাপ বাড়িয়ে দেয়

খাদ্য

ডাক্তারদের মতে সারাদিনে ১ টেবিল চামচ লবণ খাওয়া ঠিক আছে। এর বেশি খেলে আপনার রক্তের চাপ বেড়ে যাবে। এটি দেহের কোষে তরলের ভারসাম্য রক্ষায় সমস্যা করে। এতে বেশি পিপাসা পায় এবং পানি পানের ইচ্ছে হয়। আর পানি যেমন শরীরের জন্য উপকারি তেমনি অতিরিক্ত পানি পান কিডনিতে চাপ তৈরি করে। উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের অতিরিক্ত লবণ খেতে নিষেধ করা হয়। কারণ এটি রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের কারণে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কিডনি ফেইলুরের মতো সমস্যা হতে পারে। বেশি মাত্রায় লবণ খেলে হাড়ের ক্যালসিয়াম প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। এতে হাড় দুর্বল এবং ভঙ্গুর হয়ে যায়। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি মাসিক বন্ধের পর, যখন নারীদের হাড়ের ক্যালসিয়াম কমে যায়, তখন বেশি লবণ খাওয়া পরিহার করা প্রয়োজন। এ ছাড়া অতিরিক্ত লবণ খাওয়া কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে।

কার্বোহাইড্রেট দিয়ে পেট ভরবেন না

খাদ্য

তিনটি জিনিসকে ডাক্তাররা সাদা বিষ বলে থাকেন। চিনি, লবণ আর সাদা ভাত। এই তিনটি খাবার আপনার শরীরকে মেদবহুল করতে ভাল ভাবে সাহায্য করবে। যারা ওজন বাড়াতে চান তারা প্রতিদিন চিনি আর ভাত খান। ভাত এড়াতে রুটি খেতে পারেন সেক্ষেত্রে রুটির পরিমাণ বেশি হওয়া চলবে না।

এক কথায় কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার দিয়ে পেট পূর্ণ করবেন না।

২০১৮ সালের দুর্ধর্ষ মুভি গুলোর এক ঝলক

মুভি

২০১৮ সালে মুক্তি পেয়েছে অসংখ্য মুভি কিন্তু এর মাঝে কিছু মুভি আছে যা না দেখলে আপানার জীবনে অনেক কিছু মিস হয়ে যেতে পারে। জানি না আমি কতটুকু ভালভাবে মুভিগুলোর রিভিউ দিয়েছি, আমি একজন দর্শক হিসেবে প্রতিটি মুভির বিষয়ে মতামত প্রকাশ করেছি মাত্র।

মুভি ১: A quite Place

মুভি

আমরা আমাদের পরিবারকে কতই না ভালবাসি। পরিবারের নিরাপত্তার জন্য একজন বাবা কিনা করেন। একটি পরিবার বাস করছে এমন এক এলাকায় যেখানে জন মানুষের কোন চিহ্ন নেই। সেটাতেও সমস্যা নেই। মূল সমস্যা হল কোন আওয়াজ করলে এক ধরণের ভয়ংকর প্রাণী এসে আপনাকে খেয়ে ফেলবে। এত সূক্ষ্ম আওয়াজ যে পুরো পরিবারটিকে খালি পায়ে হাঁটতে হত। পরিবারের সদস্যরা হলেন বাবা, মা, দুই ভাই আর একটি বোন। সুতরাং বুঝতেই পারছেন নিজেদের মধ্যেও কথা বলতে পারত না তারা। ঈশারা দিয়ে কথা বলতে হত। এত কিছুর ভেতরেও তারা ভাল ছিল কিন্তু ভয়ংকর এক ঘটনা ঘটে গেল পরিবারের এক ছোট্ট সদস্যার সাথে। এদিকে মা হলেন অন্তঃসত্ত্বা।

যারা মুভি পিপাসু তারা নিশ্চিত বুঝতেই পারছেন কতটুকু শ্বাস রুদ্ধকর একটি সিনেমা এটি। সময় পেলে দেখতে ভুলবেন না।

মুভি ২: Avengers: Infinity War

মুভি

এ বছরের সব চেয়ে আলোচিত একটি সিনেমা এটি। কিছুক্ষণ পর পর আমাদের প্রিয় প্রিয় সব হিরোদের দেখা যায়। কেমন হবে যদি আপনার সামনে আপনার প্রিয় হিরোকে মরতে হয়? কে জানে তারা ফিরবে কিনা? শেষ পর্যন্ত দেখতে ভুলবেন না।

যারা হলে গিয়ে দেখেছেন তারা আসল মজা পেয়েছেন। সময় পেলে এখনি দেখে ফেলুন।

মুভি ৩: Deadpool 2

মুভি

হলিউডের সবচেয়ে দুষ্ট হিরো Deadpool। জীবনে অনেক দুঃখ পেয়ে এই পর্যন্ত এসেছে। এবারের Deadpool-এ আগের থেকেও বেশি গালিগালাজ আছে। সুতরাং বাচ্চাদের না দেখার জন্য পরামর্শ দিচ্ছি। আর পারিবারিক ভাবে দেখার তো প্রশ্নই আসে না।

Deadpool 2 তে অনেক সুন্দর একটি শিক্ষণীয় কথা জানতে পারবেন। জানতে চাইলে এখনি দেখে ফেলুন।

মুভি ৪: Mission Impossible: Fallout

মুভি

সবার কাঙ্ক্ষিত Mission Impossible মুভির অসাধারণ আরেকটি সিকুয়াল এটি। অসাধারণ সব স্টাণ্ট করতে দেখবেন টম ভাইকে। খুব বড় বিপদে পড়ে যায় ওদের গ্রুপটা। ভেটিকান, জেরুজালেম ও মক্কা, সৌদি আরবের একসাথে পারমাণবিক আক্রমণের জন্য তিনটি প্লুটোনিয়াম কোরের ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে আর্মস ডিলার জন লারক এবং সন্ত্রাসীদের একটি দল।

মুভি ৫: Black Panther

মুভি

অনেক সুপার হিরোকেই তো দেখেছেন। কেউ দেবতার সন্তান অন্য দিকে কেউ মাকড়শার কামড় খেয়ে সুপার হিরো হয়েছে। এবার দেখবেন কিভাবে পারিবারিক পরম্পরায় সুপার হিরো হয়। এখানে Black Panther কোন সুপার হিরো না। এটা একটা সুপার পাওয়ারের নাম। ব্যক্তিগত ভাবে এটি আমার পছন্দের সুপার হিরো। তাদের এমন এক সাম্রাজ্য আছে যা সাধারণ পৃথিবীতে থাকলেও সাধারণ মানুষের দৃষ্টিসীমার বাইরে। আর এখানে রয়েছে অদ্ভুত, সুন্দর প্রযুক্তি যা মানুষ এখন ভাবতে পারেনি।

দেখার পর আপনি আমাকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারবেন না।

মুভি ৬: Tomb Ridder

মুভি

লারা ক্রফটকে অনেকেই চেনেন। বিশ্ব বিখ্যাত একটি গেম Tomb Ridder। এই মুভিতে লারা ক্রফটকে যেন আর ভাল করে চিনতে পারবেন আপনি। সাত বছর বাবা হারা হয়ে কিভাবে কেটেছে তার দিন সবই দেখতে পারবেন। সবাই যখন হাল ছেড়ে দিয়ে বলেছে তোমার বাবা আর ফিরে আসবে না তখন লারা শুধু একটি ধাঁধাঁর মাধ্যমে ক্লু পেয়ে চলে গেছে বাবার খোঁজে।

মুভিটি দেখতে দেখতে একটা সময় আপানার নিজেকে লারা বলে মনে হবে।

মুভি ৭: A Prayer Before Dawn

মুভি

যারা The Shawshank Redemption দেখেছেন তাদের জেল ভিত্তিক মুভি সম্পর্কে ধারণা আছে। The Shawshank Redemption সত্যি ঘটনা নিয়ে বানানো। A Prayer Before Dawn ও তেমন একটি মুভি। থাইল্যান্ড এর এক ভয়ংকর জেলে আসামী হয়ে যান বিলি মুর। যিনি আসলে একজন বক্সার। সাথে ভয়ংকর মাদকাসক্তও। নিজের মুক্তির জন্য সবটুকু দিয়ে লড়াই করে যান এক প্রতিযোগিতার জন্য।

প্রতিটি ঘটনা চিত্র সত্যি। মুভিটি ২০১৭ সালের তবুও আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।

এখানে যতগুলো মুভির রিভিউ দেয়া আছে সবগুলো আমি ব্যক্তিগত ভাবে দেখেছি। প্রত্যেকটি মুভির ঘটনা প্রবাহ, ডায়লগ, সিনেমাটোগ্রাফি আর অভিনেতাদের অভিনয় আপনাকে মুগ্ধ করবে এই বিষয়ে আমি বাজি ধরতে পারি। সময় করে দেখে নিন সব গুলো মুভি।

চোখ বলে দিতে পারে আপনি কেমন ব্যক্তিত্বের মানুষ। একবার জেনে নিবেন নাকি নিজেকে?

চোখ

চোখ আমাদের শরীরের সবচেয়ে সুন্দর এবং আকর্ষণীয় একটি অঙ্গ। একটা গান আছে, “চোখ যে মনের কথা বলে।” কথাতা কিন্তু একদম সত্যি। চোখ হল আমাদের মনের জানালা। আমাদের মনের সব লুকোনো অনুভূতি এর মাধ্যমে দেখা যেতে পারে। আর এর মাধ্যমে আমরা কত শত অনুভূতি যে প্রকাশ করি তা বলে বোঝানো যাবে না। আসুন তাহলে দেখে নেই আপনি কেমন মনের অধিকারী।

বাদামী চোখ

বাদামী চোখের মানুষেরা খুব খোলা মনের হয়ে থাকে। সর্বদা নতুন উদ্যোগ আর নতুন কোন কিছুর সন্ধানে থাকে এরা। এরা খুব দৃঢ় মনের অধিকারী। এ রঙের চোখের মানুষরা অনেক বিশ্বাসীও হয়ে থাকে। চরিত্রগত দিগ দিয়েও অনেক বেশি স্বচ্ছ।

সবুজ চোখ

সবুজ রঙের চোখ খুব কম মানুষেরই আছে। এ চোখের মানুষেরা অসাধারণ হয়ে থাকে। দেখে মনে হতে পারে এরা খুব রাগী অথবা দেমাগি কিন্তু আসলে এমনটা নয়। সবুজকে জীবনের রঙ বলা হয়ে থাকে। আপনাকে এই চোখের মানুষরা কখনই ঠকাতে পারবে না। না পারবে কাউকে অযথা কষ্ট দিতে। এরা মিথ্যা বলতে খুব বেশি অপটু।

নীল চোখ

চোখের জন্য খুব সুন্দর একটি রঙ নীল। বিভিন্ন কবি, ঔপন্যাসিক তাদের রচিত গল্প, কবিতায় প্রধান চরিত্রগুলোর চোখ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নীল বলে থাকেন। কারণ অনেক মানুষের একটি কাঙ্ক্ষিত একটি রঙ এটি। এ চোখের মানুষেরা দয়ালু, চিন্তাশীল ও দৃঢ় ইচ্ছাপূর্বক হয়ে থাকে। নিজেদের কাজ এবং সিদ্ধান্তের উপর এদের অধিক আস্থা থাকে। যা বোঝায় যে আপনি মূল চালিকাশক্তি তৈরি করার জন্য তাদের উপর নির্ভর করতে পারেন।

চোখ যখন ছাই রঙের

কখনো ধূসর রঙের চোখের দিকে তাকিয়েছেন? এই রঙের চোখ গুলো খুব অদ্ভুত আর রহস্যময় হয়ে থাকে। আলোর কারণে হঠাৎ করে দেখলে মনে হতে পারে নীল অথবা সবুজ চোখ হয়তো এটা। ধূসর রঙের চোখের মানুষেরা অনেকটা ধাঁধাঁর মত হয়ে থাকে। আপনি যা ভাবছেন তার মনে তা নাও থাকতে পারে।

চোখ যখন কালো রঙের

কালো চোখের অধিকারীরা গোপনীয়তা বজায় রাখতে পারে। পরিবেশ তাদের অনুকূলে মনে না হওয়া পর্যন্ত তারা সম্পূর্ণভাবে মিশতে পারে না। তারা খুব উৎসাহি এবং অনুগত বিশেষ করে তাদের বন্ধুদের সাথে। এ চোখের মানুষেরা যেকোনো শক্তিশালী শক্তির ভেতর নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে।

উদ্যোক্তা হতে হলে চলতে হবে কিছু কঠিন পথে

উদ্যোক্তা

বাংলাদেশের অধিকাংশ তরুণ আজ উদ্যোক্তা হতে চায়। অনেকে উদ্যোক্তা হয়ে সফল হতে না পেরে ভাগ্যের দোষ দিয়ে ছেড়ে দেন সকল প্রচেষ্টা। আজ যারা সফল উদ্যোক্তাদের খাতায় নাম লিখিয়েছেন তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে জানা যায় তারাও খুব সহজে অথবা জলদি কোন সফলতার দেখা পাননি। উদ্যোক্তা হিসেবে সফলতার জন্য  চলতে হবে কিছু কঠিন পথে। মেনে চললে আপনিও হতে পারেন একজন সফল উদ্যোক্তা।

উদ্যোক্তা হতে লক্ষ্য স্থির করুন

আপনি একজন পরিশ্রমী মানুষ এবং আপনি উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য সব ধরণের কষ্টই সহ্য করতে প্রস্তুত। কিন্তু আপনি জানেন না আপনি কি নিয়ে উদ্যোক্তা হবেন। তাই আপনার প্রথম কাজ হল লক্ষ্য ঠিক করা। আপনি আসলে কি দিয়ে প্রথম পদক্ষেপটা নেবেন সেটাতে অনেক কিছু নির্ভর করে।

তাই প্রথমে কি করতে চান সেটা ঠিক করুন। এখানে আপনার ভাল লাগাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবেন।

বাজার বিশ্লেষণ করুন

ধরুন আপনার মুরগীর ব্যবসা করার ইচ্ছা কিন্তু আপানাকে খেয়াল করতে হবে বাজারে অনেক ভাল ব্যবসায়ী আছেন যারা ইতোমধ্যে খুব ভাল অবস্থানে আছেন। সুতরাং আপনি এই প্রতিযোগিতায় গেলে ভাল কিছু করতে পারবেন না। এমন কিছু বেছে নিন যা আমাদের দেশে এখন ভাল কোন দিক পায়নি। ইচ্ছে করলে আপনি ঘরে বসে মাছ অথবা পাখি চাষ করতে পারেন। মাছ হিসেবে রঙিন মাছ বেছে নিতে পারেন। মানুষ এখন খুব সৌখিন, ঢাকার অধিকাংশ বাসায় অ্যাকুরিয়াম দেখা যায়। সুতরাং আপনি ভাল একটি বাজার পেতে পারেন। পাখির ক্ষেত্রেও একি রকম পরামর্শ নিতে পারেন।

উদ্যোক্তা হতে হলে বড় ভাবে শুরু করার কোন দরকার নেই

প্রথমে পরীক্ষামূলক ভাবে অল্প পুঁজি নিয়ে শুরু করুন। যাই করবেন সেটাতে যে প্রথমেই সফলতা আসবে এমন ভাবা ঠিক নয়।

ধৈর্য রাখুন

আগেই বললাম সফলতা একেবারে আসেনা। তাই ধৈর্য হারালে চলবে না। বিফলতাই সফল হওয়ার পথ সুগম করে। চেষ্টা চালিয়ে যান।

খেয়াল করুন আপনার কোন ভুলের কারণে সফলতা আসছে না। দরকার হলে এ ব্যাপারে অভিজ্ঞদের সাহায্য নিন।

সৎ থাকুন এবং সংযমী হন

আপনি যদি সঠিক পথে কষ্ট করতে থাকেন আপনার জীবনে সফলতা আসবেই। কিন্তু সফলতার মোহ যেন আপনাকে অন্ধ না করে তোলে সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। অর্থের মোহ মানুষকে অমানুষ করে তুলতে পারে। প্রবাদে আছে – অর্থই অনর্থের মূল। আপনার যেন সে দুর্ভাগ্য না হয়।

অর্থের সঠিক ব্যবহার সফল উদ্যোক্তাদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। নিজের কাজের পরিসরকে বাড়ানোর জন্য আপনার লাভের অংশকে কাজে লাগান।

পরিশেষে বলব, সকল নতুন উদ্যোক্তাদের অভিনন্দন জানাই। উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে দেশের অনেক বেকার মানুষের কর্মসংস্থান বেড়ে গিয়েছে।

আপনি যদি এই লেখাটি পড়ে এতটুকু উপকৃত হন তাহলেই আমাদের কষ্টসাধ্য হবে।