আচারী চিকেন: চিকেনের নতুন স্বাদে চমকে দিন সবাইকে

আচারী

খাসি অথবা গরুর মাংসে সমস্যা থাকলেও মুরগীর মাংস খায় না এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। মুরগীর রোস্ট, ঝোল আর ভুনা ছাড়া অন্য কিছু কখনো চেষ্টা করে দেখেছেন। মুরগী পোড়া আর বারবিকিউ তো কম বেশি সবাই খেয়েছেন। এর বাইরে কোন নতুনত্ব হয়তো চেষ্টা করেননি মুরগীর সাথে। আজ আমরা আচারী চিকেন বানানো শিখব। খুব ইউনিক একটা ঘ্রাণ পাবেন আশা করি। চলুন চেষ্টা করি তাহলে।

আচারী চিকেনের গুঁড়া মশলার জন্য লাগবে

জিরা- ২ চামচ

ধনিয়া- ২ চামচ

মৌরি- ২ চামচ

গোলমরিচ- ২ চামচ

দারচিনি- ৪/৫ টি বড় টুকরা

শুকনা মরিচ- মাঝারী মাপের ৬/৭ টি

আচারী চিকেনের পেস্টের জন্য লাগবে

তেল- নারকেল তেল (১ চামচ)

পিঁয়াজ- ১ টি

আদা- বাটা ১ চামচ

রসুন- বাটা ১ চামচ

আর গুঁড়া মশলার মিশ্রণটি লাগবে।

আচারী চিকেনের জন্য আর যা যা লাগছে

তেল- ৩ চামচ

পিঁয়াজ- ৩ টি

কারী পাতা- ৭/৮ টি

চিকেন- ১- দেড় কেজি

আচারী চিকেনের প্রণালী

প্রথমে আমরা শুকনা মশলার মিশ্রণটি তৈরি করব। সব গুলো শুকনা মশলা হালকা আঁচে টেলে নেবো। ব্লেন্ডারে কোন কিছু ছাড়া শুধু গুঁড়া করে ফেলব।

এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটি বানাতে হবে। এটা ছাড়া আপনি আসল স্বাদ পাবেন না। সুতরাং খুব সাবধানতার সাথে তৈরি করুন। কড়াইয়ে ১ চামচ তেল দিয়ে হালকা আঁচে পেঁয়াজ, আদা আর রসুন দিয়ে দিব। অল্প ভেজে নেবো। ব্লেন্ডারে থাকা মশলাগুলোর সাথে রেখে আবার মিক্স করুন।

এবার কড়াইয়ে তিন চামচ তেল গরম করে নিন। গরম হওয়ার পর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিন তেলে। ভালো করে ভাজুন। এখন কারী পাতা দিয়ে দিন। কারী পাতা ভাজা হলে চিকেন দিয়ে দিন। চিকেন টাকে একটু ভাজা হলে পেস্ট টা দিয়ে দিন। ভালো করে মেশান। স্বাদ মত লবণ দিয়ে দিন। সবগুলো কাজ হলে পানি দিয়ে দিন। ৩০-৪০ মিনিট ঢেকে রেখে রান্না করুন। ভাত, পোলাওয়ের সাথে খুব ভালো লাগবে।

খেয়াল রাখবেন শুকনো মশলা ভাজার সময় চুলার আঁচ যেন একদম কম থাকে। রান্নায় কোন কিছু পুড়ে গেলে তা আসল স্বাদ হারায়।

বাসায় প্রিয়জনের জন্য রান্না করুন আর কেমন লাগলো তা আমাদের কমেন্ট সেকশনে জানান।

খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন আনতে হবে তবে কমবে ওজন

খাদ্য

দেহ থেকে অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে কত কিছুই না আমরা করি। তবুও অনেকেই বলছেন তারপর ও ওজন কমছে না। তাহলে কিভাবে কমবে আপনার ওজন। শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে শারীরিক কসরতের পাশাপাশি আপনাকে আপনার খাদ্য তালিকার দিকে নজর দিতে হবে। সামান্য কিছু পরিবর্তন আপনাকে করে তুলতে পারে স্লিম এন্ড ফিট। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক।

খাদ্য তালিকায় প্রোটিন= সন্তুষ্টি

খাদ্য

মুরগি, ডিম, ডাল, মাছ, টার্কি হচ্ছে প্রোটিনের ভাল উৎস। খাসি এবং গরুর মাংস এড়িয়ে চলুন। মনে রাখবেন কোন লাল মাংসই শরীরের জন্য ভাল না। আপনার খাদ্য তালিকায় প্রোটিন না থাকলে তা পরিপূর্ণ হবে না। ওজন কমাতে প্রোটিন অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। কারণ প্রোটিন হজম হতে অনেক সময় লাগে, তাই আপনার সহজে ক্ষুধা লাগবে না।

সুতরাং খাবারের তালিকায় প্রোটিন রেখে নিজের শরীরকে সন্তুষ্ট করুন।

খাদ্য নালি পরিষ্কার করুন আঁশ যুক্ত খাবার দিয়ে

খাদ্য

আমরা ত্বক পরিষ্কার রাখতে নানা ধরণের স্ক্রাব ব্যবহার করি। আপনি যদি শুধু বাইরের ত্বকের কথা ভাবেন তাহলে আপনি সুস্থ থাকতে পারবেন না। প্রতিদিন আঁশ যুক্ত খাবার খান। যেমন- শাকসবজি, ফল, লাল আটা, ঢেঁকি ছাটা চাল ইত্যাদি।

এই খাবার গুলো আপনাকে দীর্ঘদিন সুস্থ ও সুন্দর ভাবে বাঁচতে সাহায্য করবে। তাছাড়া আঁশ যুক্ত খাবার আপনার রক্তে চিনির পরিমাণ বাড়তে দেয় না।

খাদ্য তালিকা থেকে চিনি বর্জন করুন

খাদ্য

চিনিকে সাদা বিষ বলা হয়। চিনি আপনার শরীরে মেদ বাড়ানো ছাড়া আর কিছু করে না। মিষ্টি জাতীয় খাবার খেতে ইচ্ছে হলে আপনি ফল খেতে পারেন।

এতে আপনার আঁশও গ্রহণ করা হবে অন্য দিক দিয়ে চিনিও বর্জন করা হবে।

বাজারে অনেক ধরণের খাবার আছে যার গায়ে লেখা থাকে চিনি মুক্ত সেই খাবার গুলো খেতে চেষ্টা করুন। তবে বাইরের খাবার যত বর্জন করা যায় তত ভাল।

সেচুরেটেড ফ্যাট বাদ দিন

খাদ্য

দৈনিক খাদ্যে ১০ শতাংশেরও কম সেচুরেটেড ফ্যাট থাকা উচিত। সারাদিনে আপনি ৭৭ গ্রাম ফ্যাট নিতে পারেন।

বাইরের খাবার গ্রহণ করার আগে কি পরিমাণ ফ্যাটের কথা লেখা আছে দেখে নিন।

লবণ আপনার রক্ত চাপ বাড়িয়ে দেয়

খাদ্য

ডাক্তারদের মতে সারাদিনে ১ টেবিল চামচ লবণ খাওয়া ঠিক আছে। এর বেশি খেলে আপনার রক্তের চাপ বেড়ে যাবে। এটি দেহের কোষে তরলের ভারসাম্য রক্ষায় সমস্যা করে। এতে বেশি পিপাসা পায় এবং পানি পানের ইচ্ছে হয়। আর পানি যেমন শরীরের জন্য উপকারি তেমনি অতিরিক্ত পানি পান কিডনিতে চাপ তৈরি করে। উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের অতিরিক্ত লবণ খেতে নিষেধ করা হয়। কারণ এটি রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের কারণে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কিডনি ফেইলুরের মতো সমস্যা হতে পারে। বেশি মাত্রায় লবণ খেলে হাড়ের ক্যালসিয়াম প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। এতে হাড় দুর্বল এবং ভঙ্গুর হয়ে যায়। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি মাসিক বন্ধের পর, যখন নারীদের হাড়ের ক্যালসিয়াম কমে যায়, তখন বেশি লবণ খাওয়া পরিহার করা প্রয়োজন। এ ছাড়া অতিরিক্ত লবণ খাওয়া কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে।

কার্বোহাইড্রেট দিয়ে পেট ভরবেন না

খাদ্য

তিনটি জিনিসকে ডাক্তাররা সাদা বিষ বলে থাকেন। চিনি, লবণ আর সাদা ভাত। এই তিনটি খাবার আপনার শরীরকে মেদবহুল করতে ভাল ভাবে সাহায্য করবে। যারা ওজন বাড়াতে চান তারা প্রতিদিন চিনি আর ভাত খান। ভাত এড়াতে রুটি খেতে পারেন সেক্ষেত্রে রুটির পরিমাণ বেশি হওয়া চলবে না।

এক কথায় কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার দিয়ে পেট পূর্ণ করবেন না।

২০১৮ সালের দুর্ধর্ষ মুভি গুলোর এক ঝলক

মুভি

২০১৮ সালে মুক্তি পেয়েছে অসংখ্য মুভি কিন্তু এর মাঝে কিছু মুভি আছে যা না দেখলে আপানার জীবনে অনেক কিছু মিস হয়ে যেতে পারে। জানি না আমি কতটুকু ভালভাবে মুভিগুলোর রিভিউ দিয়েছি, আমি একজন দর্শক হিসেবে প্রতিটি মুভির বিষয়ে মতামত প্রকাশ করেছি মাত্র।

মুভি ১: A quite Place

মুভি

আমরা আমাদের পরিবারকে কতই না ভালবাসি। পরিবারের নিরাপত্তার জন্য একজন বাবা কিনা করেন। একটি পরিবার বাস করছে এমন এক এলাকায় যেখানে জন মানুষের কোন চিহ্ন নেই। সেটাতেও সমস্যা নেই। মূল সমস্যা হল কোন আওয়াজ করলে এক ধরণের ভয়ংকর প্রাণী এসে আপনাকে খেয়ে ফেলবে। এত সূক্ষ্ম আওয়াজ যে পুরো পরিবারটিকে খালি পায়ে হাঁটতে হত। পরিবারের সদস্যরা হলেন বাবা, মা, দুই ভাই আর একটি বোন। সুতরাং বুঝতেই পারছেন নিজেদের মধ্যেও কথা বলতে পারত না তারা। ঈশারা দিয়ে কথা বলতে হত। এত কিছুর ভেতরেও তারা ভাল ছিল কিন্তু ভয়ংকর এক ঘটনা ঘটে গেল পরিবারের এক ছোট্ট সদস্যার সাথে। এদিকে মা হলেন অন্তঃসত্ত্বা।

যারা মুভি পিপাসু তারা নিশ্চিত বুঝতেই পারছেন কতটুকু শ্বাস রুদ্ধকর একটি সিনেমা এটি। সময় পেলে দেখতে ভুলবেন না।

মুভি ২: Avengers: Infinity War

মুভি

এ বছরের সব চেয়ে আলোচিত একটি সিনেমা এটি। কিছুক্ষণ পর পর আমাদের প্রিয় প্রিয় সব হিরোদের দেখা যায়। কেমন হবে যদি আপনার সামনে আপনার প্রিয় হিরোকে মরতে হয়? কে জানে তারা ফিরবে কিনা? শেষ পর্যন্ত দেখতে ভুলবেন না।

যারা হলে গিয়ে দেখেছেন তারা আসল মজা পেয়েছেন। সময় পেলে এখনি দেখে ফেলুন।

মুভি ৩: Deadpool 2

মুভি

হলিউডের সবচেয়ে দুষ্ট হিরো Deadpool। জীবনে অনেক দুঃখ পেয়ে এই পর্যন্ত এসেছে। এবারের Deadpool-এ আগের থেকেও বেশি গালিগালাজ আছে। সুতরাং বাচ্চাদের না দেখার জন্য পরামর্শ দিচ্ছি। আর পারিবারিক ভাবে দেখার তো প্রশ্নই আসে না।

Deadpool 2 তে অনেক সুন্দর একটি শিক্ষণীয় কথা জানতে পারবেন। জানতে চাইলে এখনি দেখে ফেলুন।

মুভি ৪: Mission Impossible: Fallout

মুভি

সবার কাঙ্ক্ষিত Mission Impossible মুভির অসাধারণ আরেকটি সিকুয়াল এটি। অসাধারণ সব স্টাণ্ট করতে দেখবেন টম ভাইকে। খুব বড় বিপদে পড়ে যায় ওদের গ্রুপটা। ভেটিকান, জেরুজালেম ও মক্কা, সৌদি আরবের একসাথে পারমাণবিক আক্রমণের জন্য তিনটি প্লুটোনিয়াম কোরের ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে আর্মস ডিলার জন লারক এবং সন্ত্রাসীদের একটি দল।

মুভি ৫: Black Panther

মুভি

অনেক সুপার হিরোকেই তো দেখেছেন। কেউ দেবতার সন্তান অন্য দিকে কেউ মাকড়শার কামড় খেয়ে সুপার হিরো হয়েছে। এবার দেখবেন কিভাবে পারিবারিক পরম্পরায় সুপার হিরো হয়। এখানে Black Panther কোন সুপার হিরো না। এটা একটা সুপার পাওয়ারের নাম। ব্যক্তিগত ভাবে এটি আমার পছন্দের সুপার হিরো। তাদের এমন এক সাম্রাজ্য আছে যা সাধারণ পৃথিবীতে থাকলেও সাধারণ মানুষের দৃষ্টিসীমার বাইরে। আর এখানে রয়েছে অদ্ভুত, সুন্দর প্রযুক্তি যা মানুষ এখন ভাবতে পারেনি।

দেখার পর আপনি আমাকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারবেন না।

মুভি ৬: Tomb Ridder

মুভি

লারা ক্রফটকে অনেকেই চেনেন। বিশ্ব বিখ্যাত একটি গেম Tomb Ridder। এই মুভিতে লারা ক্রফটকে যেন আর ভাল করে চিনতে পারবেন আপনি। সাত বছর বাবা হারা হয়ে কিভাবে কেটেছে তার দিন সবই দেখতে পারবেন। সবাই যখন হাল ছেড়ে দিয়ে বলেছে তোমার বাবা আর ফিরে আসবে না তখন লারা শুধু একটি ধাঁধাঁর মাধ্যমে ক্লু পেয়ে চলে গেছে বাবার খোঁজে।

মুভিটি দেখতে দেখতে একটা সময় আপানার নিজেকে লারা বলে মনে হবে।

মুভি ৭: A Prayer Before Dawn

মুভি

যারা The Shawshank Redemption দেখেছেন তাদের জেল ভিত্তিক মুভি সম্পর্কে ধারণা আছে। The Shawshank Redemption সত্যি ঘটনা নিয়ে বানানো। A Prayer Before Dawn ও তেমন একটি মুভি। থাইল্যান্ড এর এক ভয়ংকর জেলে আসামী হয়ে যান বিলি মুর। যিনি আসলে একজন বক্সার। সাথে ভয়ংকর মাদকাসক্তও। নিজের মুক্তির জন্য সবটুকু দিয়ে লড়াই করে যান এক প্রতিযোগিতার জন্য।

প্রতিটি ঘটনা চিত্র সত্যি। মুভিটি ২০১৭ সালের তবুও আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।

এখানে যতগুলো মুভির রিভিউ দেয়া আছে সবগুলো আমি ব্যক্তিগত ভাবে দেখেছি। প্রত্যেকটি মুভির ঘটনা প্রবাহ, ডায়লগ, সিনেমাটোগ্রাফি আর অভিনেতাদের অভিনয় আপনাকে মুগ্ধ করবে এই বিষয়ে আমি বাজি ধরতে পারি। সময় করে দেখে নিন সব গুলো মুভি।

চোখ বলে দিতে পারে আপনি কেমন ব্যক্তিত্বের মানুষ। একবার জেনে নিবেন নাকি নিজেকে?

চোখ

চোখ আমাদের শরীরের সবচেয়ে সুন্দর এবং আকর্ষণীয় একটি অঙ্গ। একটা গান আছে, “চোখ যে মনের কথা বলে।” কথাতা কিন্তু একদম সত্যি। চোখ হল আমাদের মনের জানালা। আমাদের মনের সব লুকোনো অনুভূতি এর মাধ্যমে দেখা যেতে পারে। আর এর মাধ্যমে আমরা কত শত অনুভূতি যে প্রকাশ করি তা বলে বোঝানো যাবে না। আসুন তাহলে দেখে নেই আপনি কেমন মনের অধিকারী।

বাদামী চোখ

বাদামী চোখের মানুষেরা খুব খোলা মনের হয়ে থাকে। সর্বদা নতুন উদ্যোগ আর নতুন কোন কিছুর সন্ধানে থাকে এরা। এরা খুব দৃঢ় মনের অধিকারী। এ রঙের চোখের মানুষরা অনেক বিশ্বাসীও হয়ে থাকে। চরিত্রগত দিগ দিয়েও অনেক বেশি স্বচ্ছ।

সবুজ চোখ

সবুজ রঙের চোখ খুব কম মানুষেরই আছে। এ চোখের মানুষেরা অসাধারণ হয়ে থাকে। দেখে মনে হতে পারে এরা খুব রাগী অথবা দেমাগি কিন্তু আসলে এমনটা নয়। সবুজকে জীবনের রঙ বলা হয়ে থাকে। আপনাকে এই চোখের মানুষরা কখনই ঠকাতে পারবে না। না পারবে কাউকে অযথা কষ্ট দিতে। এরা মিথ্যা বলতে খুব বেশি অপটু।

নীল চোখ

চোখের জন্য খুব সুন্দর একটি রঙ নীল। বিভিন্ন কবি, ঔপন্যাসিক তাদের রচিত গল্প, কবিতায় প্রধান চরিত্রগুলোর চোখ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নীল বলে থাকেন। কারণ অনেক মানুষের একটি কাঙ্ক্ষিত একটি রঙ এটি। এ চোখের মানুষেরা দয়ালু, চিন্তাশীল ও দৃঢ় ইচ্ছাপূর্বক হয়ে থাকে। নিজেদের কাজ এবং সিদ্ধান্তের উপর এদের অধিক আস্থা থাকে। যা বোঝায় যে আপনি মূল চালিকাশক্তি তৈরি করার জন্য তাদের উপর নির্ভর করতে পারেন।

চোখ যখন ছাই রঙের

কখনো ধূসর রঙের চোখের দিকে তাকিয়েছেন? এই রঙের চোখ গুলো খুব অদ্ভুত আর রহস্যময় হয়ে থাকে। আলোর কারণে হঠাৎ করে দেখলে মনে হতে পারে নীল অথবা সবুজ চোখ হয়তো এটা। ধূসর রঙের চোখের মানুষেরা অনেকটা ধাঁধাঁর মত হয়ে থাকে। আপনি যা ভাবছেন তার মনে তা নাও থাকতে পারে।

চোখ যখন কালো রঙের

কালো চোখের অধিকারীরা গোপনীয়তা বজায় রাখতে পারে। পরিবেশ তাদের অনুকূলে মনে না হওয়া পর্যন্ত তারা সম্পূর্ণভাবে মিশতে পারে না। তারা খুব উৎসাহি এবং অনুগত বিশেষ করে তাদের বন্ধুদের সাথে। এ চোখের মানুষেরা যেকোনো শক্তিশালী শক্তির ভেতর নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে।

উদ্যোক্তা হতে হলে চলতে হবে কিছু কঠিন পথে

উদ্যোক্তা

বাংলাদেশের অধিকাংশ তরুণ আজ উদ্যোক্তা হতে চায়। অনেকে উদ্যোক্তা হয়ে সফল হতে না পেরে ভাগ্যের দোষ দিয়ে ছেড়ে দেন সকল প্রচেষ্টা। আজ যারা সফল উদ্যোক্তাদের খাতায় নাম লিখিয়েছেন তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে জানা যায় তারাও খুব সহজে অথবা জলদি কোন সফলতার দেখা পাননি। উদ্যোক্তা হিসেবে সফলতার জন্য  চলতে হবে কিছু কঠিন পথে। মেনে চললে আপনিও হতে পারেন একজন সফল উদ্যোক্তা।

উদ্যোক্তা হতে লক্ষ্য স্থির করুন

আপনি একজন পরিশ্রমী মানুষ এবং আপনি উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য সব ধরণের কষ্টই সহ্য করতে প্রস্তুত। কিন্তু আপনি জানেন না আপনি কি নিয়ে উদ্যোক্তা হবেন। তাই আপনার প্রথম কাজ হল লক্ষ্য ঠিক করা। আপনি আসলে কি দিয়ে প্রথম পদক্ষেপটা নেবেন সেটাতে অনেক কিছু নির্ভর করে।

তাই প্রথমে কি করতে চান সেটা ঠিক করুন। এখানে আপনার ভাল লাগাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবেন।

বাজার বিশ্লেষণ করুন

ধরুন আপনার মুরগীর ব্যবসা করার ইচ্ছা কিন্তু আপানাকে খেয়াল করতে হবে বাজারে অনেক ভাল ব্যবসায়ী আছেন যারা ইতোমধ্যে খুব ভাল অবস্থানে আছেন। সুতরাং আপনি এই প্রতিযোগিতায় গেলে ভাল কিছু করতে পারবেন না। এমন কিছু বেছে নিন যা আমাদের দেশে এখন ভাল কোন দিক পায়নি। ইচ্ছে করলে আপনি ঘরে বসে মাছ অথবা পাখি চাষ করতে পারেন। মাছ হিসেবে রঙিন মাছ বেছে নিতে পারেন। মানুষ এখন খুব সৌখিন, ঢাকার অধিকাংশ বাসায় অ্যাকুরিয়াম দেখা যায়। সুতরাং আপনি ভাল একটি বাজার পেতে পারেন। পাখির ক্ষেত্রেও একি রকম পরামর্শ নিতে পারেন।

উদ্যোক্তা হতে হলে বড় ভাবে শুরু করার কোন দরকার নেই

প্রথমে পরীক্ষামূলক ভাবে অল্প পুঁজি নিয়ে শুরু করুন। যাই করবেন সেটাতে যে প্রথমেই সফলতা আসবে এমন ভাবা ঠিক নয়।

ধৈর্য রাখুন

আগেই বললাম সফলতা একেবারে আসেনা। তাই ধৈর্য হারালে চলবে না। বিফলতাই সফল হওয়ার পথ সুগম করে। চেষ্টা চালিয়ে যান।

খেয়াল করুন আপনার কোন ভুলের কারণে সফলতা আসছে না। দরকার হলে এ ব্যাপারে অভিজ্ঞদের সাহায্য নিন।

সৎ থাকুন এবং সংযমী হন

আপনি যদি সঠিক পথে কষ্ট করতে থাকেন আপনার জীবনে সফলতা আসবেই। কিন্তু সফলতার মোহ যেন আপনাকে অন্ধ না করে তোলে সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। অর্থের মোহ মানুষকে অমানুষ করে তুলতে পারে। প্রবাদে আছে – অর্থই অনর্থের মূল। আপনার যেন সে দুর্ভাগ্য না হয়।

অর্থের সঠিক ব্যবহার সফল উদ্যোক্তাদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। নিজের কাজের পরিসরকে বাড়ানোর জন্য আপনার লাভের অংশকে কাজে লাগান।

পরিশেষে বলব, সকল নতুন উদ্যোক্তাদের অভিনন্দন জানাই। উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে দেশের অনেক বেকার মানুষের কর্মসংস্থান বেড়ে গিয়েছে।

আপনি যদি এই লেখাটি পড়ে এতটুকু উপকৃত হন তাহলেই আমাদের কষ্টসাধ্য হবে।

অতিরিক্ত ব্যায়াম কি স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ?

অতিরিক্ত

একটা জিনিস লক্ষ্য করলে দেখবেন বিংশ শতাব্দীতে অধিকাংশ মানুষ স্থুলতার শিকার। এতে নিজের দোষ তো আছে বটেই সাথে সাথে আমাদের বাজারের খাবারেরও দোষ আছে। যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ মানুষ স্থুল। এখন অনেকেই এই স্থুলতা থেকে বের হয়ে আসতে চায়। খুব কম সময়ে ওজন কমাতে ব্যস্ত হয়ে যায়। তাই অতিরিক্ত ব্যায়াম করা শুরু করে। আমরা শুনে এসেছি যে যত বেশি ব্যায়াম করে তার স্বাস্থ্য তত ভাল থাকে। কিন্তু নতুন এক গবেষণায় ভিন্ন ধরণের কথা শনা যাচ্ছে। অতিরিক্ত ব্যায়াম স্বাস্থ্যের জন্য হানীকারক হতে পারে। আসুন জেনে নেই কেন এমন বলা হয়।

দ্যা ল্যানসেট সাইক্রিয়াট্রিতে প্রকাশিত একটা গবেষণায় জানা গেছে, যে সকল মানুষ সপ্তাহে তিন থেকে পাঁচ দিন শরীরচর্চা করেন তাদের মানসিক অবস্থা, যারা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন তাদের তুলনায় ভালো থাকে। যারা প্রতিদিন শরীরচর্চা করে তাদের মধ্যে অবসেশন দেখা যায় যা খারাপ মানসিক স্বাস্থ্যের লক্ষণ।

ইউএসের ইয়েল ইউনিভার্সিটির সহ অধ্যাপক অ্যাডাম চেকউর্ড জানান, “আগে মনে করা হত, যত বেশি শরীরচর্চা করা যাবে মানসিক স্বাস্থ্য তত ভালো থাকবে। কিন্তু আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে আসলে তা ঘটে না।”

তিনি আরও জানান, “মাসে ২৩ বারের বেশি শরীরচর্চা করলে বা দিনে ৯০ মিনিটের বেশি শরীরচর্চা করলে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব পরে।”

গবেষণার জন্য ইউএসের পঞ্চাশটা রাজ্যের বিভিন্ন ধরনের শারীরিক কসরত, শিশুর দেখভাল, বাড়ির কাজকর্ম, বাগান পরিচর্যা, মাছ ধরা, সাইকেল চালানো, জিম করা, দৌড়ানো, স্কিইং ইত্যাদিতে অংশগ্রহণকারী ১.২ মিলিয়ন পূর্ণবয়স্ক মানুষকে নিয়ে পরীক্ষা করা হয়।

অতিরিক্ত ব্যায়াম কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়

অ্যারোবিক শরীরচর্চা যেমন- সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা এবং দৌড়ানো ইত্যাদি কাজে যদি নিজের কর্মক্ষমতার ঘাটতি দেখতে পান তাহলে বুঝতে হবে অতিরিক্ত পরিশ্রম হচ্ছে। পরিশ্রম খুব বেশি হলে তা মানুষের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

শক্তি কমে যায়

যদি সাধারণ মাত্রায় শরীরচর্চা করতে না পারেন অথবা সবসময় শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্লান্ত অনুভব করেন তাহলে বুঝতে হবে শরীর ক্লান্ত।

আপনার পর্যাপ্ত বিশ্রামের প্রয়োজন।

অতিরিক্ত ব্যায়াম মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়

প্রিভেন্টেটিভ মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণার ফলাফল থেকে জানা যায়, সপ্তাহে যদি সাড়ে সাত ঘন্টার চেয়ে বেশি সময় শরীরচর্চা করা হয় তাহলে উদ্বিগ্ন হওয়া, হতাশা এবং মানসিকভাবে দুর্বল বোধ করতে পারে।

অতিরিক্ত পরিশ্রম করা শরীরকে দ্বিধা, উদ্বেগ, রাগ এবং ‘মুড সুইং’য়ের মতো সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।

অতিরিক্ত ব্যায়াম ঘুমের ক্ষতি করে

পরিশ্রম করলে শরীর ঠিক থাকে এবং রাতে ভালো ঘুম হয়। তবে অতিরিক্ত পরিশ্রম বা ব্যায়াম করা হলে সারা রাত খুব অস্থিরতার মধ্যে কাটে এবং ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে।

অস্থি সন্ধিতে ব্যাথার সৃষ্টি হয়

ব্যায়ামের পর পেশি পুনর্গঠনের জন্য সময় দেওয়া প্রয়োজন। না দিলে শরীরে ব্যাথা হয় যা দৈনন্দিন কাজ কর্মে বাধা তৈরি করে। পাশাপাশি বাজে অনুভূতির সৃষ্টি হয়।

প্রস্রাবের রং পরিবর্তন হয়

শারীরিক পরিশ্রমের পরে যদি প্রস্রাবের রং পরিবর্তন দেখতে পান তাহলে বুঝতে হবে এটা ‘রাহবডোমায়োলাইসিস’ অবস্থার লক্ষণ। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পেশির কোষ রক্তে মিশে যায়।  ফলে কিডনির সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

হৃদপিণ্ডে সমস্যা হতে পারে

জার্মান বিজ্ঞানীদের গবেষণা থেকে জানা গেছে যে, যারা অতিরিক্ত পরিশ্রম করে তাদের হৃদরোগ এবং স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

অনলাইন জার্নাল ‘হার্ট’ -এ প্রকাশিত সুইডিশ বিজ্ঞানীদের এক গবেষণা থেকে জানা যায়, যারা ধ্যানজাতীয় শারীরিক পরিশ্রম করেন তারা বৃদ্ধাবস্থায় হৃদযন্ত্রের অনিয়মিত গতিকে পাঁচ গুণ বেশি উন্নত করতে পারেন।

রজঃচক্রের অনিয়ম ঘটে

অতিরিক্ত পরিশ্রম করা শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে রজঃচক্রের অনিয়ম শুরু হতে পারে। যা ‘অমিনোরিয়া’ নামে পরিচিত। এর ফলে ইস্ট্রোজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

পরিণতিতে অস্টিওপোরোসিস নামক রোগের সৃষ্টি হয়।

হৃদস্পন্দনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়

হৃদযন্ত্র খুব বেশি চাপে থাকলে এর স্পন্দনের মাত্রা বেড়ে যায়।

সকালে হৃদস্পন্দনের মাত্রা পরিমাপ করা হলে এর পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে পারবেন।

হৃদস্পন্দনের মাত্রা সাধারণের চেয়ে বেশি হলে বুঝতে হবে শারীরিক পরিশ্রম বেশি হচ্ছে।

তিমি কি পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বড় প্রাণী?

তিমি

পৃথিবীর ৪ ভাগের মধ্যে ৩ ভাগ পানিতে পূর্ণ আর ১ ভাগ হল স্থল। সুতরাং স্থলের থেকে পানির প্রাণীরাই বেশি বড় হবে এটাই স্বাভাবিক। সমুদ্র হল পৃথিবীর অমীমাংসিত অধ্যায়। আজ কথা বলব সমুদ্রের সবচেয়ে বড় প্রাণী তিমি নিয়ে। মাটিতে হাতি আর পানিতে তিমিই হল সবচেয়ে বড়। চলুন জেনে আসা যাক।

  • তিমির মধ্যে কয়েকটি প্রজাতি আছে তারমধ্যে নীল তিমি সবচেয়ে বড়। এরা লম্বায় ২৫ থেকে ৩২ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয় অর্থাৎ ৮২ ফুট থেকে ১০৫ ফুট।
  • একেকটা তিমির গড় ওজন ১৪০ টন যা ২৫ টি হাতীর ওজনের সমান। নীল তিমি আসলে নীল নয় এর রঙ কিছুটা ফ্যাকাসে টাইপের। কিন্তু তারা যখন সাগরের পানির নিচে থাকে তখন তাদের দেখতে নীল মনে হয়।
  • তিমির বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাণী নীল তিমি, খুনে তিমি (killer whale) এবং পাইলট তিমি। বাচ্চা তিমি প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১০ পাউন্ড করে বড় হয়।
  • তিমি সমুদ্রে থাকে কিন্তু পানিতে শ্বাস নিতে পারে না। পানিতে বসবাস হলেও এরা মানুষের মতোই বাতাসে শ্বাস নেয়।
  • মানুষের যেমন প্রতি মুহূর্তে নিঃশ্বাস নিতে হয়, তিমির কিন্তু সেরকম নয়। এরা কম করে হলেও ৩০ মিনিট পর্যন্ত দম না নিয়ে থাকতে পারে।
  • মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় কিন্তু তিমির ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া তার স্বাধীনতায় চলে।

তিমি

  • তিমি যদি ঘুমিয়ে পড়ে এবং সময়মতো না জাগে, তাহলে দম আটকে মারাও যেতে পারে। এই বিপদের সমাধান হিসেবে তিমির মস্তিষ্কের অর্ধেক কিছুক্ষণ ঘুমায়, বাকি অর্ধেক ঘুমায় পরের পালায়। তাদের অন্তত অর্ধেক মস্তিষ্ক সবসময় জেগে থাকে, তাই তারা শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য ঘুমের মধ্যেও প্রয়োজনীয় সময়ে ভেসে উঠে।
  • তিমি মাছের ঘুমের এ বিষয়টি বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন ইলেকট্রো এনসেফালোগ্রাফির (ইইজি) মাধ্যমে।
  • তিমি যখন নিঃশ্বাস ছাড়ে তখন সে তার মাথার উপর দুই ছিদ্র দিয়ে পানি ফোয়ারার মত করে ছুঁড়ে দেয় যা ত্রিশ ফুট পর্যন্ত উপরে উঠে।

তিমি

  • তিমি মাছের তুলনায় হাঙর মাছ কত ছোট। হাঙর মাছের কথা ভাবলেই প্রথমে আমাদের দৃশ্যপটে দুই পাটি বিশালাকার দাঁতের ছবি ভেসে উঠে। কিন্তু এত বড় তিমি মাছের দাঁত নেই। দাঁতের বদলে আছে ব্যালিন। ব্যালিন অনেকটা ঝালরের মত উপরের চোয়াল থেকে নিচের দিকে ঝুলে থাকে। একেকটা ব্যালিন ৫০ সেঃ মিঃ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে।
  • তিমির চাবানোর কোন দরকার পরে না। কারণ তিমির খাবার ক্ষুদ্র এক প্রানী নাম ক্রীল। ক্রীল চিংড়ীর মত একপ্রকার সামুদ্রিক পতঙ্গ। এটি লম্বায় সাধারণত আমাদের হাতের ছোট আঙ্গুলের মত হয়ে থাকে। এর রঙ ফ্যাকাসে গোলাপী। উত্তর ও দক্ষিন মেরু অঞ্চলের ঠান্ডা সাগরে কোটি কোটি ক্রীল বসবাস করে।
  • একটি তিমি দিনে প্রায় ত্রিশ মিলিয়ন ক্রীল খায়। যা রাখার জন্য তিনটি বড় ট্রাকের প্রয়োজন হয়।
  • তিমিরা পরষ্পরের সাথে এক ধরণের সুরেলা শব্দ করে যোগাযোগ করে, যা তিমির গান নামে পরিচিত। তিমির বিশালতা ও শক্তিমত্ততার মতোই এদের গানও অনেক জোরালো।
  • হাম্পব্যাক নামে এক প্রাজাতির তিমি আছে, যারা তাদের সুরেলা গানের জন্য সুপরিচিত। স্পার্ম তিমির গান মৃদু গুঞ্জনের মতো শোনায়। তাদের এই গান যা বহু মাইল দূর থেকেও শুনতে পাওয়া যায়।
  • তিমি ১৬৩ ডেসিবেল শব্দ তীব্রতায় ২০,০০০ একুস্টিক ওয়াটে শব্দ তৈরি করে।

ভূতুড়ে যে সব জায়গায় গেলে আপনার রক্ত হিম হয়ে আসবে

ভূতুড়ে

ছোটবেলায় ভূতের ভয় দেখিয়ে বাবা-মা ঘরে আটকে রাখতেন অথবা খাবার খাওয়াতেন। বড় হয়ে সেই ভূতের ভয় এখন আর নেই। বিজ্ঞানের আলোয় সেই ভয় এখন আর হয়তো করে না আমাদের। এখন কিছু ভূতুড়ে জায়গা আছে যার কোন ব্যাখ্যা নেই।

এই অসংজ্ঞায়িত জায়গা আর কাহিনী সম্পর্কে আজ কিছু জানব আমরা।

ভূতুড়ে ভাঙ্গার দুর্গ, ইন্ডিয়া

এটি ইন্ডিয়ার রাজস্থানের পাশে অবস্থিত। এখানকার মানুষের মুখে শোনা যায় এই জায়গাটির ওপর নাকি অনেক অভিশাপ আছে। কোন এক পুরনো ঋষি এই জায়গারটির উপর অভিশাপ দিয়েছিল যে যারা এখানে মারা যাবে তাদের আত্মা সারা জীবন এইখানে বন্দি থাকবে।

সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ব্যাপার হচ্ছে এখানকার কোন বাড়ির ছাদ নেই আর সব গুলা বাড়ির ছাদ তৈরি করার সময় নাকি সেগুলো ভেঙ্গে পড়ে। সন্ধ্যার পড়ে এখানে যে পর্যটকরা গেছে তারা আজ পর্যন্ত ফিরে আসেনি আর এখনকার সরকার সন্ধ্যার পর সেখানে যেতে পুরোপুরি মানা করে দিয়েছে।

ভূতুড়ে চাঙ্গি বীচ, সিঙ্গাপুর

এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত একটি জায়গা। ‘সোক চিং’ যুদ্ধ সংঘটিত হবার সময় জাপানিরা নিজেদের বিরোধী ভেবে অনেক অনেক নিরীহ চীনা নাগরিককে হত্যা করে।

তারপর তাদেরকে এখানে কবর দেয়া হয় আর সেই থেকে এই জায়গাটি হয়ে ওঠে ভূতুড়ে। এখানে রাত হলে শুরু হয় ভূতুড়ে সব কাণ্ড কারখানা। মনে হয় দূর থেকে কিছু মানুষ কান্না করতে করতে সামনের দিকে এগিয়ে আসছে।

অনেক পর্যটক কিছু না জেনে এখানে রাতের বেলা ঘুরতে আসে আর ফেরার সময় নিয়ে যায় অদ্ভুত এক অভিজ্ঞতা। এখন পর্যন্ত প্রায় হাজার খানেক মানুষ এমন কান্নাকাটি শোনার কথা স্বীকার করেছে।

আর স্থানীয় লোকজন কেউ এখানে রাতের বেলা ভুল করেও আসে না।

ওহিও ইউনিভার্সিটি, ইউএসএ

ইউনিভার্সিটিটি ইউএসএর সবচেয়ে ভূতুড়েদের মধ্যে অন্যতম। এখানে বহু পুরনো পাঁচটি সমাধি আছে যা কিনা একটি পঞ্চভুজ তৈরি করেছে। আর এখানে অনেক পুরনো একটি মানসিক রোগীদের চিকিৎসা দেবার জন্য ল্যাব ছিল যেখানে তাদের ইলেক্ট্রিক শক দেয়া হতো পরবর্তীতে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। লোকমুখে শোনা যায় যে সন্ধ্যা হবার পর এখানে নাকি অদ্ভুত চেঁচামেচির আওয়াজ শোনা যায়।

আর ভয়ে সেখানে যেতে কেউই সাহস করেনা।

স্ক্রিমিং টানেল, নায়াগ্রা ফলস

কুখ্যাত ভূতুড়ে জায়গার মধ্যে অন্যতম একটি জায়গা এটি। এখানকার মানুষেরা বলে আপনি যদি এই টানেলের ভেতরে একটি ম্যাচের কাঠি দিয়ে আগুন জ্বালান তবে একটি আগুনের গোলা টানেলের বাইরে চলে যাবে আর আপনি একটি ছোট্ট মেয়ের চিৎকার দেবার আওয়াজ শুনতে পাবেন যা খুবই ভয়ানক।

এখানকার বাসিন্দারা সব সময় সেখানে যেতে মানা করে।

হাইগেট সমাধিক্ষেত্র,  ইউকে

এটি ইংল্যান্ডের অন্যতম ভূতুড়ে সমাধিস্থল এখানে রাত হলেই শুরু হয় আজব আজব সব কাজ কারবার। মস্তকবিহিন একটি লাশ একবার কবরের ভেতরে ঢোকে আবার বাইরে আসে। তার সর্বাঙ্গে লতাপাতা জরানো থাকে আর গঠন এক্কেবারে অন্যরকম।

সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে এখানকার তাপমাত্রা বাইরের থেকে অস্বাভাবিক ভাবে কম।

প্রাচীন রাম হোটেল, ইংল্যান্ড

আপনি যদি ভুতের ঘটনার অপর একেবারেই বিশ্বাস না করে থাকেন তবে দেখতে পারেন এই হোটেলটি। এখানে সবসময় কেমন যেন স্যাঁতস্যাতে পরিবেশ আর কেমন যেন কদাকার একটি গন্ধে ভরে থাকে। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হচ্ছে এই হোটেলটি একটি কবরের উপর তৈরি করা হয়েছে।

আর এখানকার সবারই ধারনা যে এইজন্য এখানকার পরিবেশ এমন ভূতুড়ে।

মন্টে ক্রিস্টো, অস্ট্রেলিয়া

এই বাড়ির মালিক মিসেস ক্রাওলি তার স্বামীর মৃত্যুর পরবর্তী ২৩ বছরে মাত্র ২ বার বাড়ির বাইরে বের হয়েছিল। এবং তার মৃত্যুর পর আজও নাকি তাকে এই বাড়িতে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। এই বাড়ির ভেতর থেকে যারা ঘুরে এসেছে তাদের মুখ থেকে এর সত্যতা মেলে। তারা বলে বাড়ির ভেতরে গেলে মনে হয় কে যেন আয়নার সামনে দাড়িয়ে আছে আবার হুট করে মিলিয়ে যাচ্ছে। তারা আরও বলেন যখন তারা ক্রাওলির ঘরে প্রবেশ করে তখন প্রত্যেকে রূদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির ভেতরে ছিলেন এবং  তাদের মনে হচ্ছিলো যেন তাদের সারা গায়ে কেমন রক্তবর্ণে দেখা দিচ্ছে পরবর্তীতে যখন বাড়ি থেকে বের হয়ে আসে তখন সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যায়।

এডিনবার্গ দুর্গ, স্কটল্যান্ড

স্থানীয়দের মতে এই অসাধারণ দুর্গে ভূত দেখা গিয়েছে অনেকবার এবং এখানে যেসব পর্যটক  ঘুরতে এসেছে তারাও এই বিষয়টি স্বীকার করেছে।

জানা যায় ফরাসি যুদ্ধ চলার সময় এখানে বহু বন্দীকে হত্যা করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে এই জায়গাটি হয়ে ওঠে অভিশপ্ত।

ডোমিনিকান হিল, ফিলিপাইনস

সবাই বলে এখানে নাকি যুদ্ধের সময় যারা আহত হতো তাদের চিকিৎসা দেয়া হতো আর চিকিৎসারত অবস্থায় যারা মারা যেত তাদের এখানেই কবর দেয়া হতো। পরবর্তীতে জায়গাটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এখানকার মানুষেরা বলে রাত হলে নাকি এখান থেকে সব অদ্ভুত রকমের শব্দ পাওয়া যায়। কখনো গুলির শব্দ, কখনো মানুষের বাঁচার জন্য আর্তনাদ ইত্যাদি।

ভয়ে এখানে কেউ আসে না। আর যারা টুরিস্ট আসে তারা দূর থকে দেখেই চলে যায়।

বেরি পোমেরয় দুর্গ, টোটনেস

এই জায়গাটি যতটা সুন্দর ততটাই ভয়ংকর, এমনটা শোনা যায় প্রায় চৌদ্দ শতক আগে এখানে একটি হত্যাকাণ্ড ঘটে। কিংবদন্তী অনুসারে,  হোয়াইট লেডি হলেন মার্গারেট পোমেরয়ের আত্মা যিনি বন্দি অবস্থায় অনাহারে মৃত্যুবরণ করেন আর তাকে বন্দি করেছিল তারই হিংসুটে বোন।

এই দুর্গের অনেক জায়গায় তাকে ঘুরতে দেখা যায়। এবং অনেকেই এই অভিযোগটি করেছেন।

বিদেশী ভূতের গল্প তো অনেক শুনলেন। এবার আসুন আমাদের দেশীয় কিছু ভূতুড়ে জায়গার কাহিনী জেনে আসি।

চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গার আলিয়াপুর নামক গ্রামে নাকি প্রতি আমাবস্যায় রাত ১২টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত একদল কুকুর দলবেঁধে গ্রামটি ঘিরে চক্কর দেয়। অনেকেই সেই কুকুরের দলকে দেখতে পেয়েছেন।

আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, তারা শুধুমাত্র আমাবস্যার রাতেই উপস্থিত হয় এবং সারা মাসে তাদের আর দেখা যায় না। কয়েকজন যুবক মিলে একবার রাত করে তাদের দেখার জন্য প্রস্তুতি নেয়। তাদের মাঝে ২ জন কুকুরের কামড়ে মারাত্মক ভাবে আহত হয়।

যুবকদের প্রায় সকলেই একই স্বীকারউক্তি দেয় যে, সেই সব কুকুরগুলো কালচে বর্ণের ছিলো, কারণ অন্ধকারে তাদের স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল না।

তারা একটা ছন্দ মিলিয়ে এক লাইনে হাঁটছিলো এবং তাদের প্রত্যেকের চোখ থেকেই এক প্রকার নীলচে আভা বের হচ্ছিল।

ভূতুড়ে পুরান ঢাকা

পুরান ঢাকাতে কিছু মিষ্টির দোকান আছে যেখান থেকে কিছু লোক কয়েকদিন পর পর এসে রাত ৮টার দিকে ১০-১২ কেজি মিষ্টি কিনে নিয়ে যায়। তারা যেই দোকানে ঢুকে সেই দোকানের মালিককে লাইট নিভিয়ে দিতে বলে। অন্ধকারে তারা আসে, অন্ধকারে চলে যায়। এই লোকগুলো আকারে অনেক লম্বা এবং তাদের চেহারা আজ পর্যন্ত কেউ ভালো করে দেখতে পারে নি। ধারণা করা হয়, এরা জীন প্রজাতি। পুরান ঢাকার বেশিরভাগ মিষ্টির দোকানের লোকেরাই উনাদের কথা জানেন।

পুরান ঢাকার একটি গার্লস স্কুলের সামনে দিয়ে নাকি রাত ১২টার পর একটা বউকে হেঁটে যেতে দেখা যায়। যার পড়নে থাকে লাল পার দেয়া একটা হলুদ শাড়ি।

সে কোথা থেকে আসে এবং কোথায় যায় তা কেউ আজ পর্যন্ত শনাক্ত করতে পারে নি। অনেকেই নাকি বউটাকে দেখেছে।

ভূতুড়ে জায়গা লালবাগ কেল্লা

লালবাগ কেল্লার নিচ দিয়ে অনেক গুলো সুড়ঙ্গ আছে, যেগুলো জমিদার আমলে করা। জমিদাররা বিপদ দেখলে সেইসব পথে পালিয়ে যেতো। তেমনই একটা সুড়ঙ্গ আছে, যার ভেতরে কেউ ঢুকলে তাকে আর ফিরে পাওয়া যায় না। মানে, সে আর ফিরে আসে না। পরীক্ষা করার জন্য একবার ২টা কুকুরকে চেইনে বেঁধে সেই সুড়ঙ্গে নামানো হয়েছিলো।

চেইন ফেরত আসে ঠিকই কিন্তু কুকুর দুটো ফিরে আসে নি।

গদ্রবঙ্গা

বাংলাদেশের সাঁওতাল উপজাতিরা অনেক দেব/দেবীর পুজা করে।। এই সব দেব/দেবীর মাঝে কিছু আছে যারা অপদেবতা। তেমনি এক ধরনের অপদেবতার পুজা করে সাঁওতালরা যাদের “গদ্রবঙ্গা” বলা হয়।

এইসব দেবতারা সাইজে ২-৩ ফিট হয়। চেহারাও ছোট বাচ্চাদের মতো। ওরা বিভিন্ন সাঁওতাল পরিবারেও পালিত হয়ে থাকে। ওদেরকে লালন, পালন, আর পূজা দেয়ার কারণ হলো, এইসব দেবতারা যেইসব পরিবারে পালিত হয় তাদেরকে অনেক ধনী করে দেয়। এইসব দেবতারা অন্য বাড়িঘর থেকে স্বর্ণ চুরি করে তা নিজ পালিত ঘরের মালিককে দেয়। তবে, এর বিনিময়ে তারা যা দাবি করে তা খুবই ভয়ঙ্কর।

স্বর্ণ দেয়ার বদলে এইসব অপদেবতারা যে বাড়িতে পালিত হয়, সেই বাড়ির মালিকের ছোট ছোট ছেলে সন্তানগুলোকে চায়।

তারা এইসব ছোট ছেলেদেরকে মেরে ফেলে (কথিত আছে, খেয়ে ফেলে, কারন সেইসব ছোট বাচ্চাদের আর পাওয়া যায় না)।

আর বাড়ির মালিক যদি তাদের এই চাহিদা পূরণ করতে না পারে, তাহলে “গদ্রবঙ্গা” রা ঐ পরিবারকে ধ্বংস করে দেয়।

এসব জানার পরও এখনো সাঁওতাল অনেক পরিবারই ধনী হবার লোভে এইসব অপদেবতা পালন করে আসছে।

তেজগাঁও

ঢাকার তেজগাঁও এর মনিপুরীপাড়া এলাকায় একটা পুরনো খ্রিস্টান বাড়ি আছে। এই বাড়িতে ভাড়া থাকা প্রায় সব ভাড়াটিয়াই বিভিন্ন অদ্ভুত বা ভূতুড়ে কাণ্ডকারখানার সম্মুখীন হন। অনেক সময়ই গভীর রাতে(রাত ১-২টার দিকে) বাড়িটার নিচের উঠোনের দোলনায় কাউকে দুলতে দেখা যায়। ঘটনাটি দেখেছেন এমন লোকের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। এছাড়াও বাড়ির ছাদে অনেকসময় নাকি গভীর রাতে কারা হইচই করে। কিন্তু সেই মুহূর্তে ছাদে গেলেও কাউকে দেখা যায় না। এই বাড়িটিকে ঘিরে লোক মনে কৌতূহলের কোনো শেষ নেই। শোনা যায়, উক্ত বাড়িওয়ালার মেয়ে প্রায় ১৬ বছর আগে গলায় ফাঁস দিয়ে নিজ ঘরে মারা যায়।

মেয়েটি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল। এই আত্মহত্যার পর থেকেই এমন অদ্ভুতুড়ে কার্যকলাপ শুরু হয়।

ওজন কমাতে খাবার না কমিয়ে এই ডায়েট অনুসরণ করুন

ওজন

বর্তমানের যুগে অধিকাংশ মানুষের অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। সব কিছুর জন্য সময় থাকলেও নিজের শরীরের জন্য আমাদের হাতে কোন সময় নেই।  সময় এসেছে এবার ডায়েট বদলানোর। ডায়েট চার্ট বদলানো মানে খাওয়া কমানো নয়। অনেকের মধ্যে একটা ভুল ধারণা রয়েছে যে, খাওয়া বন্ধ করলে বা কম খেলে ওজন কমে যায়। কিন্তু এমনটা একেবারেই ঠিক না। বরং এতে শরীরে নানা সমস্যা দেখা দেয়। পাশাপাশি ওজন অনেক সময় বেড়ে যায়। তাই খাওয়া না কমিয়ে সঠিক ডায়েটের সাহায্যে ওজন কমানোর চেষ্টা করুন।

ওজন কমাতে সকালের নাস্তা

সকালের নাস্তাটা খুব বিরক্তিকর একটা কাজ। অনেকে তাই সকালের নাস্তা আর দুপুরের খাবার একসাথেই করে ফেলে। যা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। তাই সকালে নিয়মিত ব্রেকফাস্ট করুন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখবেন রোজ অল্প সময়ের জন্য হলেও, সবার প্রথমে কিছু এক্সাসাইজ করার চেষ্টা করুন। যোগাসন ভুঁড়ি কমাতে ও ওজন কমাতে খুবই সাহায্যে করে। যাই হোক এরপর সবার প্রথমে অল্প গরমজলে একটা পাতি লেবু হাফ ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে খান। তার ৩০ মিনিট পর হেভি ব্রেকফাস্ট করুন। একটা রুটি, এক বাটি সবজি, দুটো ডিম সেদ্ধ কুসুম ছাড়া ও একটি আপেল বা কলা খান। মাঝে মাঝে রুটি সবজির বদলে ব্রাউন ব্রেড ও হালকা বাটার খেতে পারেন। সব সময় মনে রাখবেন সকালের খাবার খুব গুরুত্বপূর্ণ।

দুপুরের খাওয়া

ওজন কমাতে চাইলে পুরনো বাঙালীর মত মাছে ভাতে রসিয়ে খাওয়া ভুলে যান।

স্যালাড খান একবাটি বা একটা রুটি ও একবাটি ডাল। এসব ভালো না লাগলে এক বাটি সবজি খান হালকা তেলে বানানো।

তবে খেয়াল রাখবেন যা খাবেন পেট হালকা রেখে খাবেন না। পেট ভরে খান।

লাঞ্চের এক ঘণ্টা পর যেকোনো ফল একটা খেতে পারেন।

ওজন বাড়ে রাতের খাবারে

রাতের খাওয়া একদম সিম্পল। রাতে একটা রুটি ও সবজি খেতে পারেন। আর তা না হলে এক বড় বাটি ডাল।

লাঞ্চ আর ডিনারের মাঝে খিদে পেলে ফ্রুট স্যালাড অল্প খেতে পারেন। যাই হোক রাতে একদম হালকা খাওয়া।

ওজন কমাতে যে যে বিষয় খেয়াল রাখবেন

  • নিয়ম করে রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমনো খুবই জরুরি।
  • সকালে ব্রেকফাস্টের আগে অবশ্যই ৩০ মিনিট যোগাসন করুন। আপনার শরীরকে ফিট রাখতে যোগাসন সাহায্যে করবে।
  • ভাত, আলু একেবারে খাওয়া চলবে না। ভাত সপ্তাহে একবার এক থেকে দুই চামচ খেতে পারেন। মাছ, শাক সবজি খান প্রচুর পরিমানে। মাংস সপ্তাহে একদিন খান। তবে শুধু মুরগির মাংস। খিদে পেলে ফল খান। নানা রকমের ফ্রুট জুস খান। তবে রাস্তাঘাটের কাটা ফল বা জুস একদম খাবেন না। যা খাবেন বাড়িতে বানিয়ে খাবেন।
  • নিয়ম মত এসব মানলে দেখবেন ওজন কমতে বাধ্য। তবে খেয়াল রাখবেন শরীরে কোন রকম অস্বস্তি দেখা দিলে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে তবেই করবেন।
  • খাবার নিয়ন্ত্রণের সাথে সাথে ব্যায়াম করতে ভুলবেন না।

 

 

বিউটি প্যাক: গরমে আপনার ত্বকে এনে দিবে স্বস্তি

বিউটি

এই গরমে ত্বক নিয়ে আমরা অনেক ঝামেলায় পরে যাই। রোদে ঘুরাঘুরি করার জন্য তৈরি হয় কাল দাগ, তৈলাক্ত ত্বক হলে তো আর কথাই নেই। তাই এই গরমে ত্বকের জন্য চাই কিছু যত্ন। বাসায় তৈরি করে ফেলুন কিছু বিউটি ফেস প্যাক। অতিরিক্ত কাজের চাপ, নানা রকমের চিন্তা ভাবনা, মানসিক চাপ এবং রাতে ঠিকমতো ঘুম না হওয়া এগুলো আমাদের শরীরের সাথে সাথে আমাদের ত্বকের ওপর প্রভাব ফেলে।

চন্দগুঁড়ার ফেস স্ক্রাব

চন্দগুঁড়া, স্যাফরন ও গোলাপজল একসঙ্গে মিশিয়ে একটা প্যাক তৈরি করে নিন। মুখ পানি দিয়ে ধুয়ে এই প্যাক মুখে লাগিয়ে আলতো করে ম্যাসাজ করুন।

এরপর ১০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ভালো করে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

এতে মুখের দাগ-ছোপ, সানট্যান দূর করে ত্বক করে তুলবে ঝকঝকে।

হলুদের ফেস স্ক্রাব

১ টেবিল চামচ চলের গুঁড়া, এক টেবিল চামচ ময়দা, আধা টেবিল চামচ হলুদের গুঁড়া এবং পরিমাণ মতো ঠাণ্ডা দুধ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।

প্যাকটি মুখে ও গলায় দিয়ে ম্যাসাজ করুন।

২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক ত্বক পরিষ্কার করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

আমন্ড ফেস স্ক্রাব

৪-৫টা বাদাম সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সেটা ভালো করে পেস্ট করে নিন। এই পেস্টে দুধ মিশিয়ে আঙ্গুলের ডগা দিয়ে মুখ এবং গলা ভালো করে ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

এটা ত্বকের পুষ্টি জোগায় এবং ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে।

পেঁপের ফেস স্ক্রাব

কয়েক টুকরা পাকা পেঁপের সঙ্গে সামান্য চিনি মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। এরপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে প্যাকটি মুখে ও গলায় মেখে নিন।

১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ভালো করে মুখ ধুয়ে নিন। প্যাকটি ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে ত্বককে করে তুলতুলে। মুখে বয়সের ছাপ জনিত রেখা, রোদের ট্যান ও উজ্জল ত্বকের জন্য ফেসিয়াল করার সময় আলুর ফেস প্যাক ব্যবহার করা যেতে পারে। আলু ভিটামিন সি, ভিটামিন এ ও ভিটামিন বি এছাড়া পটাসিয়াম, আয়রন ও প্রোটিন এ পরিপূর্ণ। তাই এটি আমাদের ত্বকের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী।

একটি মাঝারি মাপের আলুকে বেটে পেস্টের মত করে নিন।

এবার তার সাথে ১/২ কাপ টক দই মিশিয়ে আলুর ফেস প্যাকটি বানিয়ে নিন।

বিউটি ফেস প্যাক- ডিম

এই ফেস প্যাকটি ব্যবহার করার কিছুদিনের মধ্যেই আপনি সুফল পেয়ে যাবেন।

১ টি ডিমের সাদা অংশ, ১ চা চামচ ব্যাসন ও ৩-৪ ফোটা লেবুর রস ভালো করে একসাথে মিশিয়ে নিন।

ডিমের সাদা অংশ আমাদের ত্বকের মাংশ পেশীকে টানটান করে ফলত মুখের চামড়া টানটান থাকে।

শসার ফেস প্যাক  

শসা আমাদের ত্বকের জন্য অত্যন্ত ভালো ফেসিয়াল করা ছাড়াও এই ফেস প্যাকটি প্রতিদিন ব্যবহার করা যেতে পারে।

এটি আমাদের ত্বক ঠান্ডা রাখে এবং নমনীয়তা প্রদান করে ফলত ত্বকের রুক্ষতা দূর হয়। শসা ভালো করে ধুয়ে কেটে কষ ফেলে দিতে হবে।

এবার মিক্সিতে ভালো করে বেটে পেস্ট মত তৈরী করে তার সাথে ১-২ চামচ এলোভেরা জেল মিশিয়ে নিতে হবে।

বিউটি প্যাক- গোলাপের পাপড়ি, চন্দন ও দুধ

১০–১৫ টি তাজা গোলাপের পাপড়ি, ২-৩ চামচ চন্দন পাউডার, ২-৩ বড় চামচ জল একসাথে বেটে নিতে হবে।

এটি আমাদের ত্বকের জেল্লা বাড়িয়ে তুলতে এবং স্কিন টোন হালকা করতে অত্যন্ত কার্যকরী।

এই ফেস প্যাকটি সপ্তাহে ২-৩ প্রয়োগ করা যেতে পারে।