কেন মারভেল থেকে চলে যাচ্ছেন “ক্যাপ্টেন আমেরিকা” ?

ক্যাপ্টেন

দ্য মারভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স ২০০৮ সালে ‘আয়রন ম্যান’ ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ২০১১ সালে মুক্তি পায় ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা’। সেখানে আমরা পরিচিত হই স্টিভ রজার্সের সাথে। তাকে ভয়ানক যোদ্ধা বানানোর জন্য শরীরে একটি ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। বিজ্ঞানীরা ভেবেছিলেন যে স্টিভ হয়তবা নিতে পারবে না ওই ওষুধটা হয়তবা মারা যাবে। শরীরে যখন ওষুধ স্টিভ এত ভয়ঙ্কর ব্যথার মধ্যে থেকেও বলেছিলেন, “থামিয়ো না। আমি নিতে পারব।” বাকি ইতিহাস জানতে হলে আপনাকে কষ্ট করে ‘ক্যাপ্টেন অ্যামেরিকা: দ্য ফার্স্ট অ্যাভেঞ্জার’ দেখতে হবে।

যারা এই মুভিটি দেখেছেন তারা নিশ্চয়ই জানেন আমি কার কথা বলছি। হ্যাঁ আমাদের সবার প্রিয় ক্রিস ইভান্সের কথাই বলছিলাম এতক্ষণ। ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা: দ্য ফার্স্ট অ্যাভেঞ্জার’ থেকে শুরু করে সিরিজের ১০ টি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। মারভেল মুভিজের ২২তম ছবি ‘অ্যাভেঞ্জারস ফো’-এর মধ্য দিয়ে এ সিরিজ থেকে বিদায় নিচ্ছেন তিনি। হ্যাঁ আপনারা ঠিকই শুনছেন। আমরা আর কখনো তাকে ক্যাপ্টেন আমেরিকার ওই ঢাল অথবা পোশাকে দেখব না। গত বৃহস্পতিবার একটি টুইটারের মাধ্যমে ক্যাপ্টেন আমেরিকা চরিত্র থেকে নিজের বিদায়ের খবর জানান তিনি। কয়েকদিন আগেই সুপারম্যানের চরিত্রের পরিবর্তন ঘটলো। হয়তবা এভাবে আমাদের অনেক পরিচিত এবং প্রিয় মানুষগুলোকে আর পছন্দের চরিত্রে দেখতে পারব না। দ্য ফার্স্ট অ্যাভেঞ্জার’ থেকে শুরু করে সিরিজের ১০টি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি।

টুইটারে তিনি লিখেছেন, “আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অ্যাভেঞ্জারস ফোর’ শেষ। পুরোনো দিনগুলো ভীষণ আবেগপূর্ণ। ক্যামেরার সামনে-পেছনের যত মানুষ এবং দর্শক, সবাইকে ধন্যবাদ জানাই স্মৃতিগুলোর জন্য। চিরকাল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

তাঁর এই টুইট-এর পর মানুষের প্রতিক্রিয়া ছিল দেখার মত। আপনাদের জন্য রইল তার কিছু ঝলক।

ক্যাপ্টেন

ক্রিসের এমন হঠাৎ প্রস্থান অবাক হওয়ার মত কিছু নয়। কারণ তিনি আগেই বলেছেন, “কেউ ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার আগেই নিজে থেকে বের হয়ে যাওয়া উত্তম”। এভাবে অনেক চরিত্রের ইতি ঘটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আসলে এরপর কি হবে তা জানতে হলে সবাইকে পরের বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

কমিক চরিত্রে ক্যাপ্টেন আমেরিকা ছাড়াও তিনি ২০০৫ ও ২০০৭ সালে জেসিকা আলবার সঙ্গে ‘ফ্যানটাসটিক ফোর’-এর দুটি ছবিতে কাজ করেছিলেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একজন কড়া সমালোচক। গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পুতুল বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।

বিদায় ক্যাপ। পর্দায় ক্যাপ্টেন হিসেবে না দেখা গেলেও কোটি কোটি মানুষের মনে চিরকাল ক্যাপ্টেন-ই থাকবেন আপনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *