ভালোবাসার সাগরে সাঁতরাচ্ছেন কিনা বুঝবেন কি করে?

ভালোবাসার

পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী আর পবিত্র অনুভূতির নাম ভালোবাসা। বাংলায় ভালোবাসা, হিন্দিতে পিয়ার আর উর্দুতে বলা হয় মুহাব্বত। বাবা, মা, ভাই, বোন আর পরিবারকে জন্মের পর থেকেই আমরা ভালোবাসি। কিন্তু মানব জিবনে একটা নির্দিষ্ট বয়সে ভালোবাসার সুরটা যেন পাল্টে যায়। অনেকে তরুণ হওয়ার পরেও এই অনুভূতির সাথে পরিচিত হন না। তাই বুঝতেও পারেন না যে তিনি প্রেমে পরেছেন বা কাউকে ভালবেসেছেন কিনা। তাদের জন্যই আজকের এই লেখা। আশা করি লেখাটি আপনাকে উপকৃত করবে।

ভালোবাসার লক্ষণ ১- প্রথম দেখা

ভালোবাসার

আপনি প্রথম যেদিন তাকে দেখেছেন সেই দিনের কথা আপনি চাইলেও ভুলতে পারবেন না। সেদিন সে কি পড়ে এসেছিল, কিভাবে কথা বলেছিল, কোন বিষয়ে কথা হয়েছিল সব কিছুই আপনার মনে থাকবে। সেদিনের কথা আজও মনে আসলে আপনার মনে একটা সুন্দর ভালো লাগার অনুভূতি ছড়িয়ে যাবে।

ভালোবাসার লক্ষণ ২- অবসরে তার স্মৃতি বার বার চোখের সামনে আসবে

ভালোবাসার

একা যখন বসে বই পরছেন তখন হয়ত গল্পের কোন চরিত্র পছন্দ হলে তার সাথে মিলিয়ে ফেলবেন। গান শুনলে তার সাথে কাটানো কোন মুহূর্ত মনে পড়ে যাবে। অবসরে তার কথা ভাবতে আপনার ভীষণ ভালো লাগবে। একা একা হয়তবা তখন হেসেই দিবেন।

ভালোবাসার লক্ষণ ৩- সব সময় তাকে সুরক্ষিত দেখতে চাইবেন

ভালোবাসার

আপনার প্রিয় মানুষটি যেন সবসময় সুরক্ষিত থাকে সে ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ থাকতে দেখা যাবে আপনাকে। তার সুবিধা-অসুবিধাটা আপনার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যাবে। আপনি চাইবেন তাকে যেন কোনভাবে বিপদ স্পর্শ না করে।

ভালোবাসার লক্ষণ ৪- গায়ের গন্ধ

ভালোবাসার

শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত আপনার পছন্দের মানুষটির গায়ের গন্ধ আপনার অনেক ভালো লাগবে।

এমন হতে পারে তার ঘামের গন্ধ আপনার কাছে খুব প্রিয়। তার ব্যবহৃত জিনিস ব্যবহার করতে আপনার খুব ভালো লাগবে।

ভালোবাসার লক্ষণ ৫- সে অসুস্থ হলে আপনি অনেক বেশি চিন্তিত হয়ে যাবেন

ভালোবাসার

তার ছোট ছোট অসুস্থতা আপনাকে অনেক বেশি চিন্তিত করে ফেলবে। অনেক বার ফোন দিয়ে খোঁজ নেবেন।

যদি তার সাথে কথা বলতে না পারেন তাহলে অন্য কারো মাধ্যমে তার বিষয়ে খোঁজ নেবেন।

ভালোবাসার লক্ষণ ৬- তার সামনে নিজেকে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করতে চাইবেন

ভালোবাসার

পৃথিবীর অন্য মানুষগুলোর সামনে আপনি কি সেটা আপনার মাথায় আর কাজ করবে না। মাথায় শুধু এটাই থাকবে তিনি আপনাকে কিভাবে দেখছেন।

তার সামনে সব সময় নিজেকে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করবেন।

ভালোবাসার লক্ষণ ৭- মনের সব কথা তাকে বলতে ইচ্ছে করবে

ভালোবাসার

আমাদের মনের ভেতর নানা ধরনের কথা থাকে, সুপ্ত ইচ্ছা থাকে সেগুলো তার সাথে বলতে ভালো লাগবে।

সেটা পূরণ হোক বা না হোক ইচ্ছে করবে তাকে বলতে। তার সাথে আপনার সব পরিকল্পনা ভাগ করতে ভালো লাগবে।

ভালোবাসার লক্ষণ ৮- মানুষটির সাথে সময় পার করলে হিসেব থাকবে না আপনার

ভালোবাসার

অনেক মানুষ আছে যাদের সাথে থাকলে মনে হবে সময় এত বড় কেন? মিনিটকে মনে হয় ঘণ্টার সমান। কিন্তু এই বিশেষ ব্যক্তিটির সাথে সময় কাটালে মনে হবে, সময় অনেক দ্রুত চলে যায়। তার সাথে কথা বলা শেষে ঘড়ি দেখলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন।

ভালোবাসার লক্ষণ ৯- অন্য কারো সাথে থাকলে ঈর্ষা অনুভব করবেন

ভালোবাসার

আপনার বিশেষ মানুষটি অন্য কারো সাথে যদি কাজেও একটু ব্যস্ত থাকে তাহলে আপনার ঈর্ষা অনুভূত হবে।

বিপরীত লিঙ্গ হলেই যে সেখানে খারাপ অনুভূতি হবে তা নয়। আপনার মনে হবে এতো টুকু সময় তো আপনার সাথে থাকতে পারতেন।

ভালোবাসার লক্ষণ ১০- সে যদি আপনাকে নাও ভালোবাসে তবুও তার শুভকামনা করা

ভালোবাসার

সবাই ভালোবাসা চায়, কিন্তু এটা সবার ভাগ্যে থাকেনা। দুর্ভাগ্যবশত আপনার প্রিয় ব্যক্তিটি যদি অন্য কাউকে ভালোবাসে তাহলেও তার প্রতি ভালোবাসা বা শ্রদ্ধা এতোটুকু কমবে না। যদি আপনি তখন প্রতিশোধ নিতে চান অথবা আত্মহত্যার মত ঘৃণ্য কোন পদক্ষেপ নিতে চান তাহলে বলতেই হবে আপনি সত্যিকারের ভালোবাসার দেখা পাননি।

ভালোবাসার লক্ষণ ১১- জীবনকে মনে হবে ছোট আর অনেক দিন বাঁচতে ইচ্ছে করবে

ভালোবাসার

তাকে দেখার পর থেকে মনে হবে জীবন এতো ছোট কেন, এতো দ্রুত সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে কেন। মনে হবে কেন আরও আগে তার সাথে দেখা হল না।

জিবনে তখন বাঁচার কোন কারণ না থাকলেও আপনার খুব বাঁচতে ইচ্ছে করবে। মনে হবে জীবনটা অনেক সুন্দর।

ভালোবাসার লক্ষণ ১২- তার সাথে কোন কথা গোপন রাখতে পারবেন না

ভালোবাসার

কোন কথাই আপনি তার থেকে লুকাতে পারবেন না। তার সাথে কথা ভাগাভাগি করলে আপনি মানসিকভাবে শান্তি পাবেন।

তার বিষয়ে কোন ভুল ধারণা থাকলে অথবা তার বিষয়ে কোন কটু কথা শুনলে তা কখন মনে পুষিয়ে রাখতে পারবেন না।

কারণ আপনি বিশ্বাস করেন সে অনেক ভালো।

আরও অনেক লক্ষণ আছে যেগুলো দিয়ে বোঝা যায় আপনি কাউকে ভালোবাসেন কিনা। আজ কয়েকটি উপায় আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম।

এর ভেতর যদি একটিও মিলে যায় তাহলে কিন্তু আপনি সত্যি সত্যি প্রেমে পরেছেন অথবা অনেক ভালোবাসেন তাকে।

নিজের অনুভূতি সম্পর্কে জানুন। এবং আপনার ভালোবাসার মানুষকে অনেক বেশি ভালোবাসা উপহার দিন।

ডিম নিয়ে যত ভ্রান্ত ধারণা আছে জানতে হলে দেখে নিন

ডিম

শিশু বয়স থেকে ডিমের সাথে আমরা খুব উতপ্রত ভাবে জড়িত। ডিম একটি আদর্শ খাবার। আসুস্থ হলে, পরীক্ষা থাকলে বড়রা বেশী করে খেতে বলে। ছোট্ট একটি ডিম নানা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার হিসেবে বিশ্বজুড়ে ডিমের ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও ডিম নিয়ে মানুষের মনে রয়ে গেছে অনেক ভ্রান্ত ধারণা। আসুন এই ভুল ধারণা গুলো থেকে এবার বের হয়ে আসা যাক।

ডিম কেনা

অনেকে বলেন বড় শপিং মলের থেকে মুরগীর ফার্ম থেকে ডিম কেনা ভালো । এই চিন্তা করা আসলেই বৃথা। কারণ আপনি যেখান থেকে ডিম কিনুন না কেন এখানে মুরগীর স্বাস্থ্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ডিম অন্ধত্ব দূর করতে পারে না

ডিম চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে দেখে অনেকের ধারণা অন্ধ লোকের চোখের আলো ফেরাতে সক্ষম। কিন্তু এটি মোটেও সত্যি কথা নয়। কারণ চোখের স্বাস্থ্য ভালো  করার উৎস ডিমে রয়েছে তবে এতে অন্ধ মানুষ ঠিক হয়ে যাবে তা আশা করা ভুল।

ডিম ধুয়ে লাভ নেই

বাসায় ডিম আসলেই তা ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে রাখতে বলা হয়। কিন্তু ভালো  করে পানি দিয়ে ধুয়ে কোন লাভ নেই কারণ ডিমের কুসুমেই থাকে সালমনেলা নামের ব্যাকটেরিয়া।

কাঁচা ডিম= বেশী প্রোটিন

অনেকে মনে করেন রান্না করা ডিমের তুলনায় কাঁচা ডিমে বেশি প্রোটিন থাকে। তাই যারা স্বাস্থ্য বাড়াতে চান অথবা জিম করেন তারা কাঁচা ডিম খান। কিন্তু এর কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ নেই। বরং কাঁচা খেলে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।

হাঁসের ডিম না মুরগীর ডিম

হাঁসের ডিম নাকি মুরগীর ডিমে বেশি প্রোটিন? এই নিয়ে অনেকের অনেক ধরণের মতবাদ রয়েছে। আসলে মুরগীর ডিমে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি ভালো। হাঁসের ডিম অনেক সময় রক্তের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে।

ডিম রক্তের কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে

অনেকে মনে করে থাকেন, ডিম মানুষের রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ উচ্চমাত্রায় বৃদ্ধি করে। পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে সব ধরনের কোলেস্টেরল দেহের জন্য সমান ক্ষতিকর নয়। ‘স্যাচুরেটেড ফ্যাট’ নামক খারাপ কোলেস্টেরল দেহের রক্তচাপ বাড়ায় এবং হৃদযন্ত্রের ক্ষতি করে। ডিমে এই ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের উপস্থিতি কম। তাছাড়া ডিমের সাদা অংশ ও কুসুমে কোলেস্টেরলের পরিমাণ আলাদা। যারা হৃদযন্ত্র নিয়ে বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন তারা ডিমের কুসুম খাবেন না। ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি। কোলেস্টেরল একেবারেই পরিহার করতে চাইলে ডিমের সাদা অংশ নির্দ্বিধায় খাওয়া যেতে পারে। দিনে দু’টো ডিমের সাদা অংশ দেহের প্রয়োজনীয় প্রোটিন চাহিদা মেটাতে সক্ষম বলে মত দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। যারা ওজন কমাতে চান আর রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশী তারা ডিমের কুসুম পরিহার করুন।

মসলা চা খেয়েছেন কখন? বাসায় চেষ্টা করে দেখুন

মসলা

দারজিলিং-এর মসলা চা সম্পর্কে শোনেনি এমন মানুষের সংখ্যা খুব কম। কিন্তু খেয়েছেন কয়জন। তাই আপনাদের সামনে আজ হাজির করছি বিখ্যাত চায়ের রেসিপি। বলা হয়ে থাকে স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী এই পানীয়টি

মসলা চায়ের উপকরণ

দারুচিনি- ১ টুকরা

এলাচি- ৫ টি

লবঙ্গ- ৫ টি

কালো গোলমরিচ- ৩ টি

পানি- ৪০০ মিলি

আদা- ১/২ চা চামচ

কড়া চা পাতা- ২ টেবিল চামচ

দুধ- ২০০ মিলি

রাম(একধরণের পানীয়)- ৬ থেকে ৭ মিলি

মসলাচায়ের প্রণালী

ক) আদা ছাড়া সব মসলা এক সাথে গুড়া করুন।

খ) একটি পাত্রে পানি ফুটতে দিন। এখন ফুটন্ত পানিতে চা ও আদাসহ সব মসলাগুলো দিয়ে দিন। এভাবে ৬/৭ মিনিট রাখুন।

গ) দুধ আর রাম একসাথে যোগ করুন। এভাবে ১ মিনিট রাখুন।

ঘ) চা কাপে পরিবেশন করার পর উপরে হাল্কা গুড়া মসলাগুলো ছিটিয়ে দিন।

গরম গরম উপভোগ করুন।

উপকারিতা

মশলা চায়ে ব্যবহার্য সকল মশলাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন। শুধু গরম মশলার ব্যবহার যেন এক কাপ চা পানের উপকারিতা বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। চায়ে ভেষজ বা মশলা ব্যবহারের ফলে এরা পরিপাকে সাহায্য করে।এতে অল্প মাত্রায় ক্যাফেইন থাকে বলে সাধারণ দুধ চা অপেক্ষা এই চা কম ক্ষতিকর। মৌসুমি সর্দি ও কাশি প্রতিরোধেও এই চা অত্যন্ত চমৎকার কাজ দেয়। মশলা চায়ে একই সঙ্গে হরেক রকম মশলার উপস্থিতি হতে পারে আপনার নানাবিধ সমস্যার সমাধান।
মশলা চা গরম বা ঠান্ডা অবস্থায় পান করা যেতে পারে। তবে গরম অবস্থায় পান করাই শ্রেয়। সুস্বাস্থ্যকর এই মশলা চা তৈরি করা বেশ সহজ। আসুন জেনে নেই অল্প সময়ে কিভাবে মশলা চা তৈরি করা যা।

জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা ১৬ জন মহিলার উপর একটি গবেষনা করেন ।তাদের প্রত্যেককে একবার করে রঙ চা, দুধ চা এবং শুধু গরম পানি পান করতে দেয়া হয় এবং প্রতিবার-ই আল্ট্রাসাউন্ড পদ্ধতিতে তাদের রক্তনালীর প্রসারন মাপা হয়।এতে দেখা যায় যে, রঙ চা রক্তনালীর প্রসারন ঘটায় যা উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রনের জন্য অত্যন্ত জরুরী। চায়ের মধ্যে থাকা ক্যাটেচিন এর জন্য দায়ী। দুধের মধ্যে থাকা ক্যাসেইন নামক একটি পদার্থ চায়ের মধ্যে থাকা ক্যাটেচিন কে বাধাগ্রস্থ করে ফেলে। ফলে চায়ে দুধ মেশালে চায়ের রক্তনালী প্রসারনের ক্ষমতা একবারেই চলে যায়।রঙ চা উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ওজন নিয়ন্ত্রনে অত্যন্ত কার্যকরী কিন্তু দুধ চা নয়।চা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও দেহের জীবকোষের ক্ষয় রোধ করে। কিন্তু চায়ে দুধ মেশালে এর কিছু গুন কমে যেতে পারে।

পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ১০ টি মসজিদ, না জেনে নিলে ভুল করবেন

মসজিদ

মসজিদ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে। শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে যেখানে সিজদা করা হয়। এই সিজদা শব্দটির মানে হচ্ছে শ্রদ্ধাভরে মাথা নত করা। মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা এক আল্লাহ্‌ ছাড়া কারো কাছে মাথা নত করেন না। সুতরাং বুঝতেই পারছেন মসজিদ কতটুকু গুরুত্ববহন করে। পৃথিবীতে নানান সুন্দর স্থাপনার মধ্যে মসজিদও আছে। ওয়ান্ডারলিস্ট প্রতিষ্ঠানটি পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ১০ টি মসজিদের একটি তালিকা বের করেছে। চলুন দেখে আসি।

১০। সুলতান মসজিদ, সিঙ্গাপুর

মসজিদ

১৮২৪ থেকে ১৮২৬ সালে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। এই মসজিদটি সিঙ্গাপুরের কেন্দ্রীয় মসজিদ।

বড় এবং সুন্দর মসজিদ হিসেবে সুলতান মসজিদের বেশ পরিচিতি রয়েছে। জুম্মাবারে এই মসজিদে নামাজ আদায় করার জন্য প্রায় সব সিঙ্গাপুরী মুসলিমরা ভিড় করে।

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদের তালিকাতে দশম স্থানে রয়েছে মসজিদটি।

৯। বাদশাহি মসজিদ, পাকিস্তান

মসজিদ

পাকিস্তানের লাহোরের কেন্দ্রীয় মসজিদ হিসেবে বেশ খ্যাতি রয়েছে এই মসজিদটির। মসজিদটি পাকিস্তানের রাজকীয় একটি স্মারক।

সম্রাট আওরঙ্গজেব ১৬৭১ সালে মসজিদটি নির্মাণ করেছেন। এই মসজিদটি পাকিস্তানের দ্বিতীয় বৃহৎ ও এশিয়ার পঞ্চম বৃহৎ মসজিদ হিসেবে স্বীকৃত।

আর বিশ্বের সবেচেয়ে সুন্দর মসজিদের তালিকাতে নবম স্থানে রয়েছে বাদশাহি মসজিদ।

৮। তাজ-উল-মসজিদ, ভারত

মসজিদ

এশিয়া মহাদেশের অনত্যম সুন্দর এই তাজ-উল-মসজিদ। ভারতের ভুপালে মসজিদটি অবস্থিত। এখানে বিরাট ইসলামী শিক্ষালয় গড়ে উঠেছে মসজিদকে কেন্দ্র করে। বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদের তালিকার অষ্টম স্থানে রয়েছে এই মসজিদটি।

৭। ফয়সাল মসজিদ, পাকিস্তান

মসজিদ

সপ্তম স্থানে আবার পাকিস্তানের একটি মসজিদ স্থান করে নিয়েছে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মসজিদের তালিকাতে চতুর্থ স্থান অধিকারী এই ফয়সাল মসজিদ।

সৌদি আরবের বাদশাহ ফয়সালের নাম স্মরণে এই মসজিদের নামকরণ করা হয়েছে। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অবস্থিত।

৬। জহির মসজিদ, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার অন্যতম পুরানো ও ঐতিহ্যবাহী একটি মসজিদ এই জহির মসজিদ। মালয়েশিয়ার কেদাহ প্রদেশে ১৯১২ সালে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।

ইতিহাস বলে, সুলতান তাজ উদ্দীন মুকারম শাহের ছেলে টুংকু মাহমুদ এই মসজিদটি তৈরি করেছিলেন।

বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদের তালিকার ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে এটি।

৫। সুলতান ওমর আলী সাইফুদ্দিন মসজিদ, ব্রুনাই

মসজিদ

ব্রুনাইয়ের রাজকীয় বা কেন্দ্রীয় মসজিদ এটি। ১৯৬৮ সালে মসজিদটি নির্মিত হয়। এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর মসজিদ বলা যায়। আর বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদের তালিকাতে পঞ্চম স্থানে সুলতান আলী সাইফুদ্দিন মসজিদ।

৪। গ্রান্ড মসজিদে হাসান (দ্বিতীয়), মরক্কো

মসজিদ

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মসজিদের তালিকাতে এটি সপ্তম স্থানে রয়েছে। আর পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মসজিদের তালিকাতে এই মসজিদটির অবস্থান চতুর্থ। মরক্কোর কাসাব্লাংকা নামক স্থানে অবস্থিত মসজিদটি।

৩। মসজিদে আল আকসা,  ফিলিস্তিন

মসজিদ

যে ফিলিস্তিনি মানুষরা আজ এতো নিপীড়নের শিকার তাদের দেশেই অবস্থান করছে পৃথিবীর তৃতীয় সুন্দর মসজিদটি।

মুসলমান জাতির প্রথম কিবলা মসজিদ। ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে অবস্থিত মসজিদটি। এই মসজিদটির অপর নাম বায়তুল মোকাদ্দাস।

উল্লেখ্য রাসুল (সা.) এই মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে মিরাজের সফরে গিয়েছিলেন।

২। মসজিদে নববী, সৌদি আরব

মসজিদ

আল্লাহ্‌র প্রিয় বন্ধু হলেন মহানবী (সা.)। আর এই মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা স্বয়ং মহানবী (সা.)। এই জন্য এই মসজিদটির নামকরণ করা হয়েছে মসজিদে নববী হিসেবে।

এটি পৃথিবীর সবচেয়ে দ্বিতীয় সুন্দর মসজিদ এবং অনেকে বলেছেন এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহৎ মসজিদও।

সৌদি আরবের মদিনাতে এই মসজিদটি অবস্থিত। অসাধারণ সুন্দর একটি স্থাপনা এটি। ১৮৩৭ সালে প্রথম এই মসজিদের গম্বুজটিতে সবুজ রং করা হয়।

আপনি কি পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মসজিদটি দেখতে উদগ্রীব তাহলে আর দেরী নয়। এক ঝলকে দেখে নেই পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মসজিদটিকে।

১। মসজিদ-উল-হারাম, সৌদি আরব

মসজিদ

এই মসজিদটিও সৌদি আরবে অবস্থিত। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে সুন্দর এই মসজিদ-উল-হারাম।

এই মসজিদটি সৌদি আরবের মক্কাতে অবস্থিত। পবিত্র হজ্জের সময় একসাথে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ লাখ মুসলিম এই মসজিদে ইবাদত বা সালাম আদায় করতে পারে। বুঝতেই পারছেন এর বিশালতা কতটুকু।

শাক না খেলে কমবে আয়ু

শাক

সব জায়গাতে ফাস্টফুড, রিচফুডের দোকান বেড়েই চলছে। বলতে পারেন কেন বাড়ছে? কারণ মানুষ এখন বাসার খাবার ছেড়ে বাইরের খাবারের প্রতি আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। এর জন্য চারিদিকে অতিরিক্ত ওজনের মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে। ছোট মাছ আর শাক চোখের জ্যোতি বাড়াতে সাহায্য করে। কিন্তু আমরা তো দুচোখে এই খাবার গুলো দেখতে পারিনা। ডাক্তার যখন ওই হাই প্রোটিন ও উচ্চ মাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বর্জন করে শাক সবজি মাছ খেতে বলেন, তখন ক্ষতি যা হওয়ার তা হয়ে গেছে। তাই নিম্নে নানান শাকের গুণাগুণ বর্ণনা করা হলো।

লাল শাক

শাক

লালশাক অত্যন্ত সহজলভ্য একটি সস্তা শাক। ইচ্ছে করলেই ছাদে বা অল্প জায়গায় লালশাকের বীজ বুনে এক মাসের মধ্যে খাওয়া যায়। লালশাক রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ায়।

লাল শাকে অনেক বেশি ভিটামিন এ আছে। ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।

তাই চোখের যেকোনো সমস্যা রোধ করতে লাল শাকের জুড়ি নেই।

যাদের রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া আছে তারা নিয়মিত লালশাক খেলে রক্তস্বল্পতা পূরণ হয়। এতে লবণ বা ক্ষারের গুণ রয়েছে।

সরিষা শাক

শাক

সরিষা শাকে প্রচুর পরিমাণে আমিষ ও স্নেহ জাতীয় পদার্থ রয়েছে। এই শাক রক্তে উপকারী এইচডিএল কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে। দেহে ভিটামিন ডি তৈরীতে সাহায্য করে।

পালং শাক

শাক

পালংশাককে শাকের রাজা বলা হয় শুধু এর পুষ্টিগুণের জন্য। পালংশাকের প্রধান কাজ হলো গলব্লাডার ও কিডনির দেখাশোনা করা।

পালংশাক খেলে জন্ডিস ভালো হয়। রক্ত বৃদ্ধি করে, রক্ত বিশুদ্ধ করে, হাড় মজবুত করে। অন্ত্র সচল রাখে। ডায়াবেটিস ভালো করে।

কিডনিতে পাথর হলে বের করে দেয়। এতে ভিটামিন ’এ’ ’বি’ ও ’ই’ রয়েছে। আরো আছে এমিন অ্যাসিড।

মুলা শাক

শাক

মুলার মতো মুলাশাকও উপকারী। মুলাশাক শরীরের মল ও মূত্র বের করে দেয়। মুলাশাকে অর্শ রোগ সারে। মুলার চেয়ে মুলাশাক বেশি উপকারী বলে পুষ্টিবিদরা বলেন। এই শাক দেহের জ্বালাপোড়া কমায়। কফ ও বাত নাশ করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

পুঁই শাক

শাক

পুঁইশাক শরীর ঠাণ্ডা রাখে। পুঁইশাকের ডগায় বেশি ভিটামিন থাকে। বল, পুষ্টি ও বীর্য বর্ধক।

সুনিদ্রা আনে, বাত পিত্তনাশক। চোখের জন্য ভালো। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

কচু শাক

শাক

কচুশাক শহরে, নগরে ও গ্রামে সর্বত্র পাওয়া যায়। দামে সস্তা অথচ অত্যন্ত উপকারী। কিন্তু অনেক সময় দোকানিরা খারাপ, পরিতেক্ত জায়গা থেকে কচু শাক নিয়ে আসে।

কচুশাক চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। মায়ের বুকে দুধ বৃদ্ধি করে। রক্তপিত্ত রোগ সারে।

প্রস্রাবের জ্বালা-যন্ত্রণা দূর করে। ক্ষুধা বাড়ায়। শরীরে রক্ত তৈরি করে।

থানকুনি

থানকুনি পাতা সকল ধরনের পেটের রোগের মহৌষধ। বদহজম, ডায়রিয়া, আমাশয় ও পেটব্যথা সেরে যায়। আলসার, এগজিমা, হাঁপানি, চুলকানি ও অন্যান্য চর্মরোগ থেকে মুক্তি লাভে থানকুনি অত্যন্ত কার্যকরী। থানকুনির রস খেলে ত্বক ও চুল সুন্দর থাকে। কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। সংবহনতন্ত্রের স্থায়ীভাবে স্ফীত ও বর্ধিত শিরা কমাতে সহায়তা করে। ক্ষতিগ্রস্ত কোষকে পুনর্গঠন করে।

দারুচিনি শুধু রান্নায় নয় ত্বকের যত্নেও ব্যবহার করুন

দারুচিনি

দারুচিনি এশিয়া মহাদেশের একটি অনন্য সুগন্ধি মশলা। যা খাবারে দেয় আলাদা এক স্বাদ। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ম্যাঙ্গানিজ, ক্যালসিয়াম ও আয়রন থাকে। প্রাচীন যুগে আয়ুর্বেদিক ও চীনা ওষুধ তৈরিতে এটি ব্যবহার করা হতো।

আমরা অনেকেই হয়তো জানি দারুচিনি মশলা এবং ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু অনেকে হয়তো এটা জানেন না ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে এটি কি পরিমাণ সাহায্য করে।

আপনাদের আজ জানিয়ে দেব আপনার ত্বকের কোন সমস্যায় কিভাবে ব্যবহার করবেন।

দারুচিনি ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে

দারুচিনি মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশের ব্রণ ও মেছতা দূর করতে সাহায্য করে। মেছতা আর ব্রণ নিয়ে অনেকেই বিব্রত বোধ করেন। অনেক কিছু চেষ্টা করেও এর থেকে পরিত্রাণ পাচ্ছেন না।

এর জন্য যা যা করতে হবে তা হলো, তিন টেবিল চামচ মধুর সঙ্গে এক টেবিল চামচ দারুচিনি গুঁড়া ভালো করে মেশান।

মিশ্রণটি আপনার ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিন। আবার ২০ মিনিটের জন্য রেখে পানি দিয়ে ধুয়েও নিতে পারেন।

নিয়মিত ব্যবহার করুন অবশ্যই ফল পাবেন। প্রাকৃতিক উপাদান তাই কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

দারুচিনি মৃত কোষ দূর করতে পারে

মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা ও মসৃণতা ফিরিয়ে আনে। ত্বক খুব মসৃণ রাখে।

এই স্ক্রাব তৈরি করতে যা যা লাগবে:

লবণ, বাদামের তেল, অলিভ অয়েল, মধু ও দারুচিনি একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করে নিন।

মুখে লাগিয়ে পাঁচ মিনিট হালকাভাবে ম্যাসাজ করুন।

এখন পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

ত্বক উজ্জ্বল করতে

দারুচিনিতে আছে অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল নামক দুটি উপাদান, যা ত্বককে উজ্জ্বল ও ফর্সা করতে সাহায্য করে।

এই প্যাক তৈরি করতে যা যা লাগবে: একটি পাত্রে ছোট একটি কলা থেঁতলে নিন। সঙ্গে মেশান টক দই, দারুচিনি গুঁড়া ও লেবুর রস।

এবার মিশ্রণটি পরিষ্কার মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। তারপর হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

বলিরেখা দূর করতে

ত্বকের স্বাভাবিক রক্ত এবং অক্সিজেনের প্রবাহ বজায় রাখে।

কয়েক ফোঁটা দারুচিনির তেলের সঙ্গে পেট্রোলিয়াম জেলি মিশিয়ে মুখে লাগান।

মুখে যা-ই লাগান না কেন, অবশ্যই চোখে যেন প্রবেশ না করে খেয়াল রাখবেন। এখন হালকা ম্যাসাজ করুন। এবার ধুয়ে ফেলুন।

রুক্ষ পায়ের যত্নে

পায়ের রুক্ষ ও শুষ্ক ত্বককে মসৃণ করতে সাহায্য করে। পায়ের মৃত চামড়া গুলো খুব সহজে উঠে যায়।

পায়ের যত্নে যা যা লাগবে:

পাঁচটি লেবুর রস, এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল, এক কাপ দুধ, আধা কাপ পানি ও দুই টেবিল চামচ দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে সেই মিশ্রণে পা দুটি ১৫ মিনিটের জন্য ডুবিয়ে রাখুন।

এটি আপনার পা নরম ও মসৃণ করতে বেশ সাহায্য করবে।

দারুচিনির আরও কিছু উপকারিতা

নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করতে

এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে গার্গল করুন। দিনভর থাকবে সজীব নিঃশ্বাস।

পায়ের যত্নে

১ কাপ কুসুম গরম পানিতে ৫ ফোঁটা লেবুর রস ও ৫ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল মেশান। ১ চা চামচ মধু ও ১ টেবিল চামচ দারুচিনি গুঁড়া দিয়ে পা ভিজিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট।

পা ধুয়ে ফেলার আগে স্ক্রাব করে নিন শক্ত ব্রাশ দিয়ে। অবশ্যই পা ধোয়ার পর মশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন।

চুলের যত্নে

২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল গরম করে নিন। কিছুটা ঠাণ্ডা হওয়ার পর ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া এবং ১০ ফোঁটা আমন্ড তেল মেশান।

কুসুম গরম থাকা অবস্থায় তেল ম্যাসাজ করুন মাথার ত্বকে। ১৫ মিনিট পর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুল হবে ঝলমলে।

ধনে পাতার ভাজা ভর্তা, মুখে পানি চলে আসবে

ভর্তা

বাঙালীজাতি খুব রসনা প্রিয় হয়ে থাকে। বাংলাদেশের খাবারের স্বাদ হরেক রকম। টক, ঝাল, মিষ্টি। বাংলাদেশে এখন শীতকাল চলছে। শীতকালে ভাতের সাথে সবচেয়ে বেশি খাওয়া হয় ভর্তা। আর শীতকালে সুন্দর সবুজ ধনে পাতা পাওয়া যায়। বাসায় চেষ্টা করতে পারেন অনেক সহজ একটা রেসিপি। আপনাকে বেশি কষ্ট করতে হবে না।

উপকরণ:

ধনে পাতা- ২ আঁটি

কাঁচা মরিচ- ৫/৬ টি

পেঁয়াজ- ৭/৮ টি (পেঁয়াজের দাম বেশি বলে কম দেবেন না)

রসুন- ১ টি

লবণ- স্বাদ মতো

তেল- সয়াবিন/ সরিষা- ৩ টেবিল চামচ

প্রণালী:

কড়াইয়ে তেল গরম হতে দিন। তেল গরম হলে প্রথমেই পেঁয়াজ দিয়ে দিন। কারণ পেঁয়াজ ভাজতে সবচেয়ে বেশি সময় লাগে। পেঁয়াজ অর্ধেক হয়ে এলে, রসুন দিয়ে দিন। এরপর পেঁয়াজ রসুন বাদামি রঙের হয়ে এলেই পানি ঝরিয়ে ধনে পাতা দিয়ে দিন। মরিচ ফালি করে ধনে পাতার সাথেই দিয়ে দিন। মরিচ যেন কাঁচা কাঁচা থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। ধনে পাতা সবুজ থাকতেই নামিয়ে ফেলুন।

আপনি যদি ভাবেন ব্লেন্ডারে দিয়ে করতে পারবেন এই ভর্তা তাহলে ভুল। সব কিছু ব্লেন্ডারে হয় না। যদি পাটায় বাঁটতে না পারেন তাহলে ছেচনি দিয়ে বাঁটতে পারেন। কষ্ট হলেও এভাবে ভর্তা বানালে অনেক মজা লাগবে। পাটায় বাঁটলে সবচেয়ে বেশি মজা লাগে।

এই ভর্তা রেসিপি আমার মার থেকে নেয়া। খুবই ভালো এবং স্বাস্থ্যকর একটি খাবার। শুধু ভাত নয়, পিঠা, রুটির সাথে খেতে পারেন এই ভর্তা।

ভর্তা সম্পর্কিত টিপস:

কখনই ভর্তা বানানোর সময় পানি দিবেন না। ভর্তায় পানি দিলে এর আসল ঘ্রাণ নষ্ট হয়ে যায়।

অনেকে বানানোর সুবিধার্থে পানি দিয়ে বানান। গ্রাম বাংলার মা-কাকিরা কিন্তু এভাবেই ভর্তা বানান। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।

ভর্তা বানানো শেষ হলে আসুন জেনে নেই ধনে পাতার গুনাগুণ।

ধনে পাতার উপকারিতা:

কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে

দেহে এলডিএল নামক এক ধরনের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল থাকে, যা দেহের শিরা-উপশিরার দেয়ালে জমে হৃৎপিন্ডে রক্ত চলাচলে সমস্যা বাড়ায়। এর কারণে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ধনেপাতা এই ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয় ।

আবার দেহের জন্য ভালো বা উপকারি এক ধরনের কোলেস্টেরল, এইচডিএল-এর মাত্রা বাড়িয়ে দিয়ে শরীর সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে এই ধনেপাতা।

রক্ত উৎপন্ন করে

ধনে পাতায় আছে আয়রন। আর এই আয়রন আমাদের রক্ত তৈরি করতে সাহায্য করে। দেহে রক্তের ভারসম্য রাখতে ধনে পাতা খুব সহজ একটি উপকরণ।

ঠোঁটের যত্নে ধনে পাতা

প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবে ধনে পাতা দারুন ভূমিকা পালন করে। যাদের ঠোঁটে কালো দাগ আছে তারা রোজ রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ধনে পাতার রসের সাথে দুধের সর মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখলে, এক মাসেই লাগালে ঠোঁটের কালো দাগ দূর হবে আর ঠোঁট কোমল ও সুন্দর হবে।

দাঁতের যত্নে ধনে পাতা

ধনে পাতার রস দিয়ে দাঁত মাজলে মাড়ি মজবুত হয়। মাড়িও শক্ত করতে সাহায্য করে ধনেপাতা।

রক্ত পড়া বন্ধ করে ও মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। সাধারণত গ্যাসট্রিকের সমস্যা থাকলে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ

ধনে পাতা কেবল সৌন্দর্য আর স্বাদ বাড়াতেই অনন্য নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও বেশ উপকারী।

ধনে পাতা রক্তে চিনির পরিমাণ কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।

খুশকি নিয়ে আমাদের ভুল ধারণা, যা আমরা সবাই মানি

খুশকি

শীতের প্রকোপে খুব খারাপ অবস্থা এখন আমাদের। শীত অনেকের পছন্দ আবার অনেকের আছে শীতকে নিয়ে নানান অভিযোগ। অনেকের মতে খুশকি জনিত সমস্যা নাকি এই শীত কালেই বেড়ে যায়।

কিন্তু আপনি কি জানেন এটি একটি ভ্রান্ত ধারণা। খুশকি নিয়ে এমন অনেক ভুল ধারণা আছে আমাদের মধ্যে। আজ আর সেটা থাকবে না আশা করি।

খুশকি বেশি হয় শুষ্ক মাথায়

এটা আমাদের সবচেয়ে সাধারণ একটা ভুল ধারণা। এটা তখনি হয় যখন মাথার ত্বকে ফাঙ্গালের পরিমাণ বেড়ে যায়। যাকে বলে ফাঙ্গাল মালাসেজিয়া। মাথা যদি ঠিক মতো পরিস্কার না করা হয় তাহলে এমনটা হতে পারে।

খুশকি শুধু শীতকালে হয়

খুশকি কোনো মৌসুম দেখে আসে না। এটি নির্ভর করে মাথার ত্বকের স্বাস্থ্যের উপর। যাদের খুশকি থাকে তারা এই সমস্যা দূর না করলে সব সময়ই থাকে। শীতকালে ত্বক বেশি শুষ্ক থাকে তাই বেশি বোঝা যায়। কিন্তু বছরের অন্য সময়গুলোতেও মাথায় খুশকি থাকে।

খুশকির জন্য চুল পড়ে

খুশকির কারণে চুল পড়তে পারে তবে এটি চুল পড়ার প্রধান কারণ নয়।

সাধারণত অস্বাস্থ্যকর মাথার ত্বক এবং ভুল খাদ্য অভ্যাসের কারণে চুল পড়ে।

এছাড়া চুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি না পেলে, রোদের ভিতরে চুল অনেক্ষণ ছেড়ে দিয়ে রাখলে, ভেজা চুল বেঁধে রাখলে চুল পড়ে।

ঠিক মতো চুল না আঁচড়ালেও এমনটা হতে পারে। কারণ চুল আঁচড়ালে মাথার ত্বকে রক্ত চলাচল ভালো হয়।

খুশকি ছোঁয়াচে হয়

অনেকেই মনে করে থাকেন কারো মাথার সঙ্গে মাথা ঠেকালে, কোলাকুলি করলে খুশকি চলে আসে অথবা একই চিরনি দিয়ে আঁচড়ালে এটা হতে পারে।

এটি একেবারেই ভুল ধারণা। এটা কোনো সংক্রামক নয় যে কাউকে ছুলেই তা আপনার হবে। তাই নির্দ্বিধায় মানুষের সঙ্গে কোলাকুলি করতে পারেন।

মানসিক চাপ খুশকি বাড়িয়ে দেয়

অনেকে বলে থাকেন, অনেক বেশি মানসিক চাপে থাকলে তা খুশকি বাড়াতে সাহায্য করে।

এটি একদম একটি ভুল ধারণা। এই তথ্যের কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নাই।

এটা সত্যি যে অতিরিক্ত মানসিক চাপ আপনার মস্তিষ্কের জন্য ভালো নয়। তাই চেষ্টা করুন মানসিক চাপ এড়ানোর।

তামার চিরুনি ব্যবহার করলে খুশকি দূর হয়

তামাকে অনেক ক্ষেত্রে অ্যান্টি ফাঙ্গাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু তামা খুশকি দূর করতে কতখানি সক্ষম তার কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।

তাই এটিকে কোনো স্থায়ী সমাধান ভাবলে ভুল হবে।

খুশকি দূর হয় দৈনিক শ্যাম্পু করলে

খুশকির জন্য চুলে শ্যম্পু করার দরকার হয় না। কোনো ত্বক বিশেষজ্ঞ কাউকে প্রতিদিন চুলে শ্যম্পু করতে বলেন না। কারণ এটি মাথার ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এতে আপনি খুশকি দূর করার থেকে মাথার ক্ষতিই বেশি করবেন।

এই ভুল ধারণাগুলোক আকড়ে ধরে বসে থাকবেন না।

আপনি যদি একটু বেশি খুশকির সমস্যায় ভোগেন তাহলে তা দূর করার জন্য বিশেষ শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন।

এখন বর্তমানে এরকম অনেক শ্যাম্পু বাজারে পাওয়া যায়।

যদি দেখেন সেগুলো ব্যবহার করে আপনার কোন উন্নতি হচ্ছে না তাহলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন।

এই সমস্যা হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ আমি মনে করি আপনার খাদ্য অভ্যাস।

আপনার মাথায় যদি অনেক থেকে থাকে এবং কোন ভাবেই না কমে থাকে সে ক্ষেত্রে আপনার খাদ্য অভ্যাস পরিবর্তন করুন।

খুশকি এবং চুল পড়া দুটোই রোধ করতে চাইলে খাদ্য তালিকা বদলানো খুবই দরকার। তবে তা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী।

মাঝে মাঝে বাসায় বসে অথবা পার্লার থেকে হেয়ার ট্রিটমেন্ট করিয়ে নিন।

মাসে একবার করলেই হবে। এতে চুল এবং মস্তিষ্ক দুটোই ভালো থাকবে।

শরীরে আয়রনের অভাব হচ্ছে, কি করে বুঝবেন?

আয়রন

আমাদের দেহের অন্যতম একটি উপাদান হচ্ছে আয়রন। হিমোগ্লোবিন তৈরিতে খুব দরকারি একটি উপাদান হচ্ছে আয়রন। হিমোগ্লোবিন সারা দেহে অক্সিজেন সরবরাহ করে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন আয়রন কতোটা দরকারি আমাদের জন্য। সাধারণত নারীদের এই সমস্যা দেখা যায়।

অবসন্ন বোধ করা

প্রতিদিনের কাজের চাপে ক্লান্তিভাব আসতে পারে। কিন্তু আয়রনের অভাব হলে অল্প কাজ করেই ক্লান্তিভাব আসতে পারে, বিসন্ন লাগে, দুর্বল লাগে, কাজে মন বসে না। আয়রনের অভাবে রক্তে অক্সিজেন ঠিক মতো পৌঁছায় না বলে এমনটা হতে পারে।

বিবর্ণ চেহারা

আয়রনের অভাবে শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে হিমোগ্লোবিন উৎপন্ন করতে পারে না বলে রক্তের ঘাটতি পড়ে। রক্তের লালচে ভাব চলে যায়। টর্চ দিয়ে নাক, কান, জিহ্বা দেখলে ফ্যাকাসে দেখাবে।

নিশ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা

সিঁড়ি বেয়ে উঠা নামা করলে অথবা জোরে হাঁটাহাঁটি করলে শ্বাস নিতে কষ্ট হবে। অনেক গভীরে শ্বাস নিলেও মনে হবে না পর্যাপ্ত। খুব জলদি ক্লান্তি চলে আসবে।

আয়রন না থাকলে পায়ে ভারসম্যহীনতা হয়

আয়রনের অভাবে পায়ে কাঁপা কাঁপি হয়। হাঁটতে চলতে ভারসম্য থাকে না।

শরীরে আয়রনের পরিমাণ যত কমবে ভারসম্য রাখতে তত কষ্ট হবে।

আয়রন কম হলে গর্ভবতী নারীরা বমি করেন

মায়ের গর্ভে যে শিশু লালিত হচ্ছে তার আয়রন দরকার। সে তার প্রয়োজনীয় সব কিছুই মায়ের কাছ থেকে গ্রহণ করে থাকে।

সুতরাং যখন মা শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণের আয়রন না থাকে তখন মা বমি করেন।

জিহ্বার রঙ অদ্ভুত হয়ে যায়

শরীরে আয়রন কম থাকলে জিহ্বার রঙ অদ্ভুত হতে শুরু করে। আয়রন মায়োগ্লোবিনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এই রক্তকণিকা জিহ্বার পেশী গঠনে কাজ করে।

তাই এর অনুপস্থিতি আপনার জিহ্বার উপর নিয়ন্ত্রণকে ব্যহত করতে পারে।

চুল পড়া

আয়রনের অভাবে রক্ত স্বল্পতা দেখা যায় আর তাই চুল পরতে থাকে। এমন সময় দৈনিক ১০০ টি চুল পরতে পারে।

থাইরয়েডের সমস্যা

আয়রন শরীরে কম থাকলে থাইরয়েড গ্রন্থি তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারায়। শরীরে নানান বিপাকীয় সমস্যা দেখা দেয়।

বরফ অথবা অদ্ভুত জিনিস খেতে ইচ্ছে করে

খুব অদ্ভুত একটি সমস্যা হয় খাবারের ক্ষেত্রে। সাধারণত নারীদের এই সমস্যা দেখা যায় বেশি।

আয়রনের অভাবে বরফ খেতে ইচ্ছে করে। অনেক ক্ষেত্রে চক বা কাদা খেতে ইচ্ছে করে।

হৃদযন্ত্র ধড়ফড় করা

আগেই বলেছি আয়রনের অভাবে রক্তের সমস্যা হয়। সেক্ষেত্রে হৃদযন্ত্রে সমস্যা হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

এ ধরণের সমস্যায় হৃদ স্পন্দন বেড়ে যায়, হৃদ স্পন্দন মিস হয়। এমন ভাবে চলতে থাকলে হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে যেতে পারে।

সবাই সঠিক পরিমাণে আয়রন গ্রহণ করুন। আয়রনের অভাব শুনতে অনেক স্বাভাবিক হলেও শরীরে অনেক অস্বাভাবিকতা দেখা দিতে পারে। হতে পারে গুরুতর ক্ষতিও।

আইফোন এস ই (SE) যখন আইফোন সেভেন (7) এর থেকে ভালো

আইফোন

আইফোনের জন্য পাগল নয় এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। অ্যাপল কোম্পানির এই ফোনের জন্য অনেক মানুষ তো কিডনি পর্যন্ত বিক্রি করতে চেয়েছে। প্রত্যেক বার যখন এই কোম্পানি ফোন বের করে সারা পৃথিবীতে তখন ভয়ঙ্কর তোলপাড় পড়ে যায়। সাধারণত ফোনটি পারফরমেন্স এবং লুকের জন্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। আজ আপনাদের জানাবো ২০১৬ সালের ২১ মার্চ রিলিজ হওয়া আইফোন এস ই এবং ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রিলিজ হওয়া আইফোন সেভেন এর ভেতর পার্থক্য। জেনে অবাক হবেন যে SE is better than seven. তর্ক করার আগে যা বলি তা ভালো করে শুনুন। বিশ্বাস না হলে গুগল করে নেবেন। পার্থক্য গুলো তুলে ধরছি বিবেচনা করার দায়িত্ব আপনাদের।

ডিজাইন ও সাইজ

iPhone SE – 123.8 x 58.6 x 7.6 mm (4.87 x 2.31 x 0.30 in), 113g

iPhone 7 – 138.3 x 67.1 x 7.1 mm (5.44 x 2.64 x 0.28 in) and 138g

আইফোন

SE ফোনটার সাইজটা অসাধারণ। SE এর মানে হচ্ছে স্পেশাল এডিশন। এটি একটি শক্তিশালী ছোট ফোন। সাইজের প্রেক্ষিতে ফোনটি অসাধারণ কাজ করে।

ডিসপ্লে

iPhone SE – 4-inch LED-backlit IPS LCD, 1136 x 640 pixels (326 ppi pixel density), 60.8% screen-to-body ratio

iPhone 7 – 4.7-inch LED-backlit IPS LCD, 1334 x 750 pixels (326 ppi), 65.6% screen-to-body ratio. 3D Touch

ডিসপ্লে দেখে আমি সবচেয়ে অবাক হয়েছি পিক্সেল ডেনসিটি একি রকম ৩২৬। দুটাই LED-backlit IPS LCD. আইফোন সেভেন এ আকর্ষণীয়তা বলতে থ্রিডি টাচ আর কিছু দেখছি না। বাকি পরিবর্তনগুলো শুধু নামে মাত্র ছাড়া কিছু না।

পারফরমেন্স

iPhone SE – Apple A9, CPU: Dual-core 1.84 GHz Twister, GPU: PowerVR GT7600 (six-core graphics), 2GB RAM

iPhone 7 – Apple A10 Fusion: Quad Core CPU, Six Core GPU, 2GB RAM

চিপসেট আর প্রসেসর ছাড়া কোন পরিবর্তন লক্ষণীয় নয়।

আপনি জেনে হয়তো বিশ্বাস করবেন না SE  ব্যাটারি পারফরমেন্স সেভেনের থেকে অনেক ভালো।

ক্যামেরা

iPhone SE – Rear: 12 megapixel sensor, f2.2 aperture, Focus Pixels, EIS, dual-LED flash, 4K video recording. Front: 1.2MP Front Camera, f2.4 aperture, 720p video recording

iPhone 7 – Rear: 12 megapixel wide angle sensor, f/1.8 aperture, Focus Pixels, Optical Image Stabilization, quad-LED (dual tone) flash, 4K video recording. Front: 7MP sensor, f/2.2 aperture, 1080p recording

SE পর অনেক ফোন আসলো। কিন্তু এই ১২ মেগাপিক্সেল বাড়ানো হল না অ্যাপল কোম্পানির। ক্যামেরাতে অনেক সেন্সর এনেছে কিন্তু আরও অনেক পরিবর্তন আশা ছিল।

দাম এবং মেমোরি

iPhone SE – 16GB ($399), 32 GB ($349)64GB ($499)

iPhone 7 – 32GB ($649), 128GB ($749), 256GB ($849)

যে পরিবর্তন গুলো আমরা দেখলাম সেই অনুযায়ী কি এত দামের পার্থক্য ঠিক? আপনাদের সবার মতামত আশা করছি। যদি রিয়েল আইফোন SE কিনতে চান তাহলে অবশ্যই ঢু মারুন GADGET MONKEY BD তে। তাদের সার্ভিস এবং ব্যবহার আপনাকে মুগ্ধ করবে। রোস গোল্ড কালার আছে কিন্তু সেটা অবশ্যই রিফারবিস হবে। সুতরাং বুঝে কিনুন।