ডিম নিয়ে যত ভ্রান্ত ধারণা আছে জানতে হলে দেখে নিন

ডিম

শিশু বয়স থেকে ডিমের সাথে আমরা খুব উতপ্রত ভাবে জড়িত। ডিম একটি আদর্শ খাবার। আসুস্থ হলে, পরীক্ষা থাকলে বড়রা বেশী করে খেতে বলে। ছোট্ট একটি ডিম নানা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার হিসেবে বিশ্বজুড়ে ডিমের ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও ডিম নিয়ে মানুষের মনে রয়ে গেছে অনেক ভ্রান্ত ধারণা। আসুন এই ভুল ধারণা গুলো থেকে এবার বের হয়ে আসা যাক।

ডিম কেনা

অনেকে বলেন বড় শপিং মলের থেকে মুরগীর ফার্ম থেকে ডিম কেনা ভালো । এই চিন্তা করা আসলেই বৃথা। কারণ আপনি যেখান থেকে ডিম কিনুন না কেন এখানে মুরগীর স্বাস্থ্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ডিম অন্ধত্ব দূর করতে পারে না

ডিম চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে দেখে অনেকের ধারণা অন্ধ লোকের চোখের আলো ফেরাতে সক্ষম। কিন্তু এটি মোটেও সত্যি কথা নয়। কারণ চোখের স্বাস্থ্য ভালো  করার উৎস ডিমে রয়েছে তবে এতে অন্ধ মানুষ ঠিক হয়ে যাবে তা আশা করা ভুল।

ডিম ধুয়ে লাভ নেই

বাসায় ডিম আসলেই তা ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে রাখতে বলা হয়। কিন্তু ভালো  করে পানি দিয়ে ধুয়ে কোন লাভ নেই কারণ ডিমের কুসুমেই থাকে সালমনেলা নামের ব্যাকটেরিয়া।

কাঁচা ডিম= বেশী প্রোটিন

অনেকে মনে করেন রান্না করা ডিমের তুলনায় কাঁচা ডিমে বেশি প্রোটিন থাকে। তাই যারা স্বাস্থ্য বাড়াতে চান অথবা জিম করেন তারা কাঁচা ডিম খান। কিন্তু এর কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ নেই। বরং কাঁচা খেলে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।

হাঁসের ডিম না মুরগীর ডিম

হাঁসের ডিম নাকি মুরগীর ডিমে বেশি প্রোটিন? এই নিয়ে অনেকের অনেক ধরণের মতবাদ রয়েছে। আসলে মুরগীর ডিমে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি ভালো। হাঁসের ডিম অনেক সময় রক্তের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে।

ডিম রক্তের কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে

অনেকে মনে করে থাকেন, ডিম মানুষের রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ উচ্চমাত্রায় বৃদ্ধি করে। পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে সব ধরনের কোলেস্টেরল দেহের জন্য সমান ক্ষতিকর নয়। ‘স্যাচুরেটেড ফ্যাট’ নামক খারাপ কোলেস্টেরল দেহের রক্তচাপ বাড়ায় এবং হৃদযন্ত্রের ক্ষতি করে। ডিমে এই ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের উপস্থিতি কম। তাছাড়া ডিমের সাদা অংশ ও কুসুমে কোলেস্টেরলের পরিমাণ আলাদা। যারা হৃদযন্ত্র নিয়ে বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন তারা ডিমের কুসুম খাবেন না। ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি। কোলেস্টেরল একেবারেই পরিহার করতে চাইলে ডিমের সাদা অংশ নির্দ্বিধায় খাওয়া যেতে পারে। দিনে দু’টো ডিমের সাদা অংশ দেহের প্রয়োজনীয় প্রোটিন চাহিদা মেটাতে সক্ষম বলে মত দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। যারা ওজন কমাতে চান আর রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশী তারা ডিমের কুসুম পরিহার করুন।

আত্মবিশ্বাসী নারী কি কি বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন? নিজের সাথে মিলিয়ে দেখুন

নারী

আমাদের জীবনে নারী হিসেবে প্রথমে যাকে দেখি সে হল “মা”। এরপর যাকে দেখি সে হতে পারে “বোন”। আজ কথা বলবো যারা হাজার ঝড়-ঝঞ্ঝা মাথায় নিয়ে নিজেদের মমতা দিয়ে আমাদের সাথে পথ চলছেন। সেই সকল নারীদের কথা বলবো যারা অনেক দৃঢ় চিত্তের এবং আত্মবিশ্বাসী। তাদের সাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্য তুলে ধরবো। আপনি নারী হিসেবে কেমন মিলিয়ে দেখলে বুঝতে পারবেন।

নারী যখন চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসে

সাধারণত নারীরা কোন ধরণের ঝুঁকি অথবা ঝামেলা পছন্দ করে না। কিন্তু মানসিক ভাবে দৃঢ় নারীরা সব কিছুতেই ঝুঁকি নিতে পারে, চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পায়না। চ্যালেঞ্জ কে তারা বড্ড ভালবাসেন। আপনি যদি এমন হয়ে থাকেন তাহলে আপনি ১০ জন মেয়ের মধ্যে সেই ২ জন যাদের সচরাচর পাওয়া যায় না।

নারী যখন পরনির্ভরশীল হতে পারে না

শুধু আমাদের সমাজে নয় সারা পৃথিবীতে অধিকাংশ নারীই নির্ভরশীল হতে পছন্দ করে।

তাদের ভেতরই কয়েকজন আছেন যারা নির্ভরশীল হতে পছন্দ করেন না।

তারা নিজেদের এমন ভাবে গড়তে চান যাতে অন্যরা তাদের উপর নির্ভর করতে পারে।

নির্ভরশীলতা যেন তাদের কাছে একটা পঙ্গুত্বের মতো।

নিজের অতীত বলতে ভয় পান না

প্রতিটা মানুষের জীবনেই অতীত থাকে। সবার অতীত যে মধুর হবে এমন নয়।

মানুষ তার তিক্ত অতীত নিয়ে অনেক বিব্রত বোধ করে। সব সময় লুকিয়ে রাখতে চায়।

অতীতের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতা যদি তার ভুলের কারণে হয়ে থাকে তাহলে সে তা স্বীকার করতে কুণ্ঠাবোধ করে না।

অতীত ও অতীতের ভুলকে নিজের শত্রু নয়, নিজের হাতিয়ার করে তারা নতুনভাবে নিজেদের গড়ে তোলার জন্য চেষ্টা করতে থাকেন সর্বদা।

এই নারীরা প্রত্যাখ্যানকে ইতিবাচক ভাবে দেখেন

আত্মবিশ্বাসী নারীরা প্রত্যাখ্যানকে কখন ভয় পান না। প্রত্যাখ্যান হওয়ার কারণ টা নিয়ে চিন্তা করেন।

নিজের কমতিটাকে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে বদ্ধপরিকর হয়ে যান তারা।

তারা খুব ভালো করে জানেন যে সাপের মাথার মণি পেতে হলে সাপের ছোবল খেতেই হবে।

তাই নিজেকে সেভাবেই গড়ে তুলতে ব্যস্ত হয়ে পরেন।

নারী যখন সৃজনশীল মনের অধিকারী

একঘেয়েমি জীবনে তারা অভ্যস্ত হতে পারেনা। সৃজনশীল মননের অধিকারী হন তারা।

নিজের ভেতরের প্রতিভাকে কাজে লাগাতে কখনো বিলম্ব করেন না।

শুধু নিজের নয় পাশে থাকা মানুষটার প্রতিভা এবং সৃজনশীলতা প্রকাশের চেষ্টা করে।

সমাজ, পৃথিবী আর জীবনকে এক মাত্রায় দেখে না।

ভালো নেতৃত্ব দান করতে পারে

তারা যে পরিবেশেই যাক না কেন সেখানে নিজেকে মানিয়ে নেয়। তার ব্যবহার, বুদ্ধিমত্তা এবং মিষ্টি ভাষার জন্য সে ভালো নেতৃত্ব দান করতে পারে।

তার সাথে উপস্থিত সবাই ই চায় যেন এই পরিবেষটাকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখে।

কুৎসা না রটিয়ে অন্য নারীর সাহায্য করেন

সাধারণত নারীরা অন্যের কুৎসা রটিয়ে সুখ খুঁজে পায়। কিন্তু ব্যতিক্রমধর্মী এই নারীরা অন্যের কোন দোষ দেখলে তা নিয়ে অপমান না করে সেটা তাকে ভালো করে বুঝিয়ে বলেন।

সাহায্য করেন তার ত্রুটি কাটীয়ে উঠতে।

অন্যান্য সকলের কাছে তারা প্রকৃষ্ট উদাহরণ

মানসিকভাবে দৃঢ় নারীরা স্বভাবগতভাবেই অনেক বেশী শক্ত মানসিকতার মানুষ হয়ে থাকেন।

অন্যান্য সকলের চাইতে অনেক বেশী জেদি ও সংকল্পবদ্ধ মানুষ হয়ে থাকেন তারা। যা অনেক ক্ষেত্রে ও অনেকের জন্যে অনিয়ন্ত্রণযোগ্য বলে মনে হতে পারে।

তবে সত্য কথা হচ্ছে, তাদের এমন নাছোড়বান্দা আচরণ ও স্বভাবের জন্যে তারা অন্য সকলের কাছে দারুণ ও অনুপ্রেরনাদায়ক উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হন।

এমন স্বভাবের নারীকেই সকলে ‘রোল মডেল’ হিসেবে বিবেচিত করে থাকেন। প্রকৃত ‘লিডার’ হবার সকল যোগ্যতা তাদের মাঝে খুব পরিষ্কারভাবেই পরিলক্ষিত হয়। লিডার হলেও তারা কখনোই হুকুম করে বা জোর করে কারোর কাছ থেকে কাজ আদায় করার ক্ষেত্রে বিশ্বাসী নন।

তারা সকলকে ইতিবাচকভাবে এবং ভালো আচরণ দ্বারা বুঝিয়ে কাজ আদায় করার ক্ষেত্রে বিশ্বাসী।

গাছ আপনার মতো অনুভব করতে পারে, তাদের বুঝতে চেষ্টা করুন

যেখানে প্রাণ আছে সেখানে অনুভূতি থাকবে। গাছ এর প্রাণ আছে সেটা অনেক আগেই আবিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু গাছের যে অনুভূতি প্রখর তা আমরা ভালোভাবে জানতাম না। আসুন জেনে নেই এই বিষয়ে।

বৃক্ষের জীবন আছে কিন্তু ব্রেইন কিংবা মানুষ কিংবা অন্যান্য প্রানীর মত কোন নার্ভ সেল না থাকার কারনে তাদের অনুভূতির অভিব্যক্তিটাও অন্যভাবে প্রকাশ করে।

কোন গাছ যদি পুরোপুরি গোড়া থেকে কেটে ফেলা হয় তবে সেই গাছ তার সংবেদনশীলতা হারিয়ে ফেলে।

গাছের সংবেদনশীলতা তার কান্ড-প্রকান্ডে থাকে তাই গাছের কোন কান্ড অংশ কেটে ফেললে তার আশে পাশের কান্ডের পাতা কিংবা ফুল ফলের উপর কিছুটা প্রভাব পরিলক্ষিত হয় কিন্তু সঠিক যত্নের কারনে তা আবার পুনরায় সংবেদনশীলতা ধারন এবং রক্ষা করতে শুরু করে।

স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু (নভেম্বর ৩০, ১৮৫৮ – নভেম্বর ২৩, ১৯৩৭) একজন সফল বাঙালি বিজ্ঞানী। তার গবেষণার প্রধান দিক ছিল উদ্ভিদ ও তড়িৎ চৌম্বক। তার আবিষ্কারের মধ্যে উদ্ভিদের বৃদ্ধিমাপক যন্ত্র ক্রেস্কোগ্রাফ, উদ্ভিদের দেহের উত্তেজনার বেগ নিরুপক সমতল তরুলিপি যন্ত্র রিজোনাষ্ট রেকর্ডার অন্যতম। জগদীশ চন্দ্র প্রচুর পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেছিলেন যে, উদ্ভিদ এ প্রাণী জীবনের মধ্যে অনেক সাদৃশ্য রয়েছে; এক কথায় উদ্ভিদজীবন প্রাণীজীবনের ছায়া মাত্র।

গাছ
জগদীশ চন্দ্র বসু আবিষ্কার করেন গাছের প্রাণ আছে।

আমাদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের পশুপাখি পালন করে থাকি।

অনেকে আবার বাগান করতে অথবা গাছ পরিচর্যা করতে ভালবাসি। কিন্তু মাঝেমধ্যে তাদের চাহিদা বুঝতে না পারার কারনে তাদেরকে আমরা জীবিত রাখতে পারি না।

পশুপাখি তো কিছু না কিছু খেয়ে বেছে থাকে কিন্তু গাছ, সে তো নড়াচড়া করতে পারে না।

কেমন হয় যদি আমরা গাছ-প্রেমীরা গাছের কথা বুঝতে পারি। তারা কি চায় আমরা তা সাথে সাথে জানতে পারি।

গাছের প্রাণ আছে, বাঙালী বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু আবিষ্কার করেছিলেন।

নিশ্চই এই আবিষ্কার আমাদের সকলকে অবাক করে দিয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি উদ্ভিদ বিজ্ঞানীরা আরো কিছু আবিষ্কার করেছেন যে তাদের কুঁড়ি বা পাতা খেকোদের প্রতিরোধ করে পারে এমন কিছু।

এতে বলা হচ্ছে গাছেরা ঝড়ো বাতাসে বা কোন হরিণদের দ্বারা আক্রান্ত হলে সেটা তারা বুঝতে পারে এবং প্রতিরোধ করতে পারে।

গাছ যখন বুদ্ধিমান

উদ্ভিদ এবং তার শিকারীর উদ্ভব হয়েছে একই ধাপে একে অপরের হাত ধরে যখন থেকে মাটিতে মস আর ফার্ন প্রথম জন্ম হয়েছিল।

কাঁটা দিয়ে নিজেদের আচ্ছাদিত করা এবং ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ উৎপাদন করা তাদের বেশ ভাল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

তবে উদ্ভিদেরা তৃণভোজীদের সাথে দ্বন্দ্বে আমরা যা ভাবি তার চেয়েও আরো বেশি সক্রিয়।

নতুন একটি গবেষণায় দেখা গেছে  কঁচি চারাগাছ গুলো আবহাওয়া অথবা ঝড়ে তাদের কুঁড়িগুলো ক্ষতি হয়েছে কি না অথবা হরিণে খেল কি না তা বলতে সক্ষম।

গাছ
গাছেরা অনেক সংবেদনশীল তাই নিজেদের অন্য প্রাণীদের থেকে বাঁচিয়ে রাখার পদ্ধতি অবলম্বন করে।

যেহেতু তরুন গাছগুলো অতটা বড় থাকে না, একটি ক্ষুধার্ত হরিণের ধ্বংসাত্মক ক্ষুধা এদের ধ্বংস করে, এবং অবশেষে এদের অস্তিত্ব নিয়ে টানাটানিতে পড়ে যায়।

কিন্তু  চারাগাছগুলো যুদ্ধ ছাড়া নিজেদের হেরে যেতে দেয় না, যেমন প্রতিরোধ হিসেবে এগুলো তৃণভোজী প্রাণীদের এস্ট্রিজেন টানিন রাসায়নিক নিঃস্বরণ করে, যাতে কুঁড়ির স্বাদ খারাপ হয়ে যায় এবং তৃণভোজী প্রাণীরা খাওয়া বন্ধ করে। কিন্তু গাছের জানার প্রয়োজন হয় তার কুঁড়িদেরকে হরিণ কোন ক্ষতি করছে কি না, অথবা ঝড়ো হাওয়ায় ক্ষতি হচ্ছে কি না।

যখন কুঁড়িটা নষ্ট হয় তখন তারা এই রাসায়নিকটা ছাড়ে। প্রাণীদের মুখের লালা কুঁড়ির ক্ষতে লেগে থাকা উদ্ভিদ বুঝতে পারে।

যখন বুঝতে পারে, চারাটি প্রতিক্রিয়া দেখানো শুরু করে এবং স্যালিসাইলিক এসিড নামক একটি হরমোন উৎপাদন করে।

এ কারণে গাছের সেই অংশে ট্যানিনস এর ঘনত্ব বাড়তে থাকে।

শুধু তাই নয়, হরিণে খাওয়ায় হারানো কুড়িগুলো গাছকে আরো উদ্দীপ্ত করে আরো হরমোন জোগাতে।

তার ফলে কুড়িগুলো পরবর্তীতে আরো শক্তিশালীভাবে বড় হয়।

গাছ কি ভাবে জানতে পারবেন

এবার আপনাদের জন্য রয়েছে একটি চমক।

সম্প্রতি Junyi Heo নামে এক জাপানিস কোম্পানি উচ্চপ্রযুক্তি সম্পন্ন এমন এক পড (গাছ রাখার পাত্র) তৈরী করেছেন যার মাধ্যমে আমরা গাছের সাথে যোগাযোগ করতে পারব।

গাছ
গাছ রাখার সেই পড

এই পডটি মাটির অবস্থা, তাপমাত্রা, জলবায়ু এবং মাটিতে পানির পরিমান সম্পর্কে ধারণা নিতে পারে।

এটি পডে লাগানো গাছটির চাহিদা বুঝতে পারে এবং তার বর্তমান অবস্থা একটি LED Display এর মাধ্যমে দেখিয়ে দেয়।

পডটি আরো অনেক কিছু দেখায়, যেমন: আপনি কি গাছে পানি বেশি দিয়ে ফেলেছেন নাকি।

যদি দিয়ে থাকেন তাহলে এটি অতিরিক্ত পানি শুষে নিয়ে এর নিচে আলাদা একটি পাত্রে জমা করে।

আপনার শুধু পডটিকে একটি USB কানেক্টর এর সাহায্যে PC এর সাথে কানেক্ট করতে হবে।

এই যোগান্তকারী আবিষ্কারটির পিছনে সবচে বড় কারণ হচ্ছে, মানুষ যাতে গাছ ধ্বংস না করে।

হয়ত আপনি এটিকে কাটতে গেলে এটি ডিসপ্লেতে ছুরি দেখাবে অথবা কাওকে ছুরি দিয়ে আঘাত করছেন সেটি দেখাবে।

যাই হোক, এটির মাধ্যমে আপনি আপনার গাছের অনুভূতি সম্পর্কে জানতে পারবেন। এর জন্য আপনি শুধু display তে তাকালেই হবে।

কাজের চাপে ভুলে যাচ্ছেন পরিবারকে, মানসিকভাবে হচ্ছেন দুর্বল

পরিবার

ঘর ছেড়েছে সেই কবে গাড়িঘোড়া (উড়োজাহাজও অন্তর্ভুক্ত) চড়বার আশায়। সবে অ আ ক খ যখন বলতে শুরু করেছি মা আর দাদা-দাদীর কাছে তখন থেকেই আরেকটা লোভের সাথে পরিচয় হয় আমাদের

“পড়ালেখা করে যে,

গাড়িঘোড়া চড়ে সে”

ধীরেধীরে সেই লোভ ঘরবাড়ী আর পরিবার (মা-বাবা, ভাই আর বোন) ছাড়া করেছে অতি যতনে দৃশ্যমান গোপনে। নব্য প্রাপ্ত স্বাধীনতা আর ননিরপুতুল টাইপের আদরযত্ন বিহীন হয়ে কাটতে থাকে রাতদিন।

পরিবার
বন্ধনগুলোকে মজবুত করুন

পরিবারের প্রতি সবারই একটা গভীর দুর্বলতা কাজ করে। আমি-আপনি কেউ-ই এর বাইরে নই। যখনি অসুস্থতা ভর করে তখনি সামলে রাখতে পারিনা নিজেকে পরিবারের প্রয়োজন অনুভব থেকে। দুধের স্বাধ কি আর ঘোলে মিটে? নাহ! ফোনকল দেই একেক করে সবাই কে..
-হ্যালো আম্মা কেমন আছো?
-তুই কেমন আছিস রে? তোর গলাটা এতো ভারী আর আস্তে কথা বলছিস কেনো? শরীর খারাপ? (উনি কেমন আছেন সেটার উত্তরটা কিন্তু দেন নি)
-নাহ কিচ্ছু হয়নি! বলোনা কেমন আছো?
-বললাম তো ভাল। কত বার বলি!
-নাহ তুমি বলোনি তাই আবার জিজ্ঞেস করলাম।
-বলতো সত্যি কইরা, কি হইসে?
-নাহ তেমন কিছুনা! হাল্কা ঠা-ন-ডা.. (এই পর্যন্ত বইলা “লাগছে” শব্দটা বলার আর সুযোগ পাইনাই)
-আমিতো জানি তুই এরকম..সেরকম.. কতরকম..
কিছু ইচ্ছেমত বাণী প্রকাশ এবং জাহির করিলেন। আমিও কম নাহ! মনোযোগ সহকারে গিলতে লাগলাম মায়ের ভালোবাসা মাখা বকুনি গুলো।
অতঃপর ঔষধ এনে নিয়মিত খাবো প্রতিজ্ঞায় পাড় পেলাম। (বরাবরি ঔষধ অনিয়মিত খাওয়ায় আমি খুবি সবল)

পরিবার
মা তোমার মত কেউ হয়না

মা তোমাকে অনেক ভালোবাসি। আমার গাড়িঘোড়া চড়বার সেই লোভটা মলিন হয়ে গিয়েছে আজকাল। মাঝে মাঝে তোমার গায়ের গন্ধ নিতে ইচ্ছে করে। এখন আমার শুধু তোমার কোলে মাথাগুজে ঘুমুতে বড্ড ইচ্ছে করে আজকাল।

উপরের যে কথাগুলো বলছিলাম আপনার আমার প্রত্যেকটা সন্তানের কথা। এই ছোটখাটো বিষয় গুলো সবার সাথেই হয়ে থাকে।
আপনি জানেন কি?
প্রয়োজন, তাগিদ, আশা কতটুকু দূরে নিয়ে যাচ্ছে আমাদের আপনজনদের কাছ থেকে! মা’কে সময় দিন, পরিবার কে সময় দিন, আপনজনদের সময় দিন। দেখবেন অনেক রোগ’ই কমে গেছে আপনার। অনেকে আবার সময় দেয়ার জায়গা পান না।

 

সত্যিকারের ভূত দেখার অনুভূতি, গল্প নয়।

ভূত

গাইবান্ধা জেলায় শরিয়তপুর নামের একটা ছোট্ট গ্রাম আছে। গ্রামটার পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে একটা নদী। প্রচুর মাছ পাওয়া যায় সেখানে। গ্রামের মানুষ অনেক মাছ ধরে সেখান থেকে। গ্রামের অন্যতম দুই দস্যু ছেলের নাম হানিফ আর ফরিদ। দুজন সমবয়সী। বয়স ৮/১০ বছর হবে। অনেক দুষ্ট আর দুরন্ত ছেলে দুটো। ঐ নদী থেকে শুধু বাংলা বছরের কার্তিক মাসে মাছ ধরা নিষেধ। ছেলেগুলোর এই মাসেই যেন সবচেয়ে বেশী মাছ ধরতে ভালো লাগে। কারো নিষেধ শোনে না। এই নিশেদ্ধাজ্ঞা যেনতেন কেউ দেয় নি। গ্রামকে বিভিন্ন রোগব্যাধি থেকে রক্ষা করে এমন কয়েকজন সাধু সন্ন্যাসীরা নিষেধ করেছে মাছ ধরতে। তখন গ্রামগুলোতে কলেরার প্রাদুর্ভাব ছিল প্রচণ্ড। মানুষ অনেক মারা যেত কারণ কোন প্রতিষেধক ছিল না। যেই বাড়িতে কলেরা হত সেই বাড়িটা হয় কবরস্থান নাহলে শ্মশান হয়ে যেত। তাই মানুষ খুব মানত সন্ন্যাসীদের কথা।

এখন হানিফ আর ফরিদ চুপি চুপি কথা বলছে। কেউ শুনলে যেতে তো পারবেই না সাথে কয়েকটা উত্তম মধ্যম পড়বে পিঠে।

হানিফ- দেখ ভাই সামনের রাস্তা দিয়ে গেলে জালটা নিতে পারব না। বড়শি দিয়ে বেশী মাছ ধরা যায় না।

ফরিদ- ঠিক বলছিস ভাই। আমি বাবার জালটা নিয়ে আসতে পারবো কিন্তু নদীর কাছে নিব কি করে? সেই বুদ্ধি বের কর।

হানিফ- আচ্ছা তুই নিয়ে আয়, বাকিটা আমি দেখছি।

ফরিদ- মার খেতে হবে না তো ধরা পড়ে?

হানিফ- দেখ ভাই আমি কাঁচা কাজ করি না। এখন সবাই দুপুরে খেয়ে ঘুমাচ্ছে সুযোগটা হাতছাড়া করা ঠিক হবে না।

যেই কথা সেই কাজ। ফরিদ চলে গেলো বাবার জাল চুরি করতে। আর হানিফ কীভাবে জালটা নদীর দিকে নেয়া যায় সেই রাস্তা খুঁজতে লাগলো। ২০/২৫ মিনিট পর ফরিদ এলো। বেচারা হাঁপাচ্ছে, দৌরে এসেছে।

ফরিদ- এই নে। জাল অনেক ভারি। আনতে অনেক কষ্ট হইছে আমার।

হানিফ- কষ্ট না করলে ভালো কিছু হয় না। দেখবি আজ কতো মাছ পাই। আমাকে অনুসরণ কর। রাস্তা পেয়েছি।

হানিফ গোয়াল ঘরের দিকে যেতে লাগলো। ওদের গোয়াল ঘরের বাইরেই নদীর রাস্তা। ও জালটা বেড়ার নিচের খালি জায়গা দিয়ে বাইরে ফেলে দিল। তারপর ধীরে ধীরে বাড়ি থেকে বের হয়ে নদীর দিকে গেলো।

দুই বন্ধুর আনন্দ দেখে কে। চোখে মুখে বিশ্ব জয়ের হাসি। নদীতে নেমে গেলো জাল নিয়ে। অনেক বেশী মাছ পাবে ওরা দুজন। কারণ কেউ মাছ ধরছে না।

প্রথমে জালটা ছুড়ে দিল নদীতে তারপর ধীরে ধীরে সাঁতরে জালের শেষ প্রান্তে গেলো। জালের ভেতর মাছেরা আওয়াজ করছে।

অনেক মাছ পাওয়া যাবে আজ, সেই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। জাল তীরে এনে ভেতরে মাছ খুঁজতে গিয়ে দুজনের চোখ চড়কগাছ হয়ে গেছে।

কি অদ্ভুত!! দুজন আবার চেষ্টা করল এবারও একই অবস্থা। এভাবে ৪-৫ বার চেষ্টা করল। খুব বেশী বিরক্ত হয়ে দুজন নদীর পাড়ে দাঁড়ালো। হানিফের কেমন যেন একটা ঠাণ্ডা বাতাস শরীরে লাগলো। চারিদিকে একটা হিম হিম ভাব। হঠাৎ করে হানিফ একটা অপরিচিত ছেলেকে দেখল। ওদের সমবয়সী। ছেলেটা ওদের গ্রামের না, হলে চিনত। ছেলেটা দেখতে কালো আর এতো লিকলিকে যে হানিফ কখন এমন মানুষ দেখেনি। চোখ দুটো যেন কোটর থেকে বের হয়ে আসবে, চোখের নিচে কালি। চোখ দুটো রক্তলাল। দুই বন্ধুর তখন অনেক মেজাজ খারাপ। ছেলেটাকে দুজন মিলে পাকড়াও করলো।

হানিফ- এই ছেলে তুমি আমাদের জালের মাছ নিয়ে গেছ তাইনা?

ফরিদ- এই তুই কোন এলাকার? নিজে মাছ ধরতে পারিস না?

দুজনে মিলে অনেক কিছু বলল। কিন্তু ছেলেটা কিছুই বলে না। চুপ করে আছে। ফরিদ তখন ওকে মারতে গেলো। হানিফ জলদি ফরিদকে থামিয়ে দিল। মারামারি থামাতে গিয়ে ওর হাত ঐ ছেলেটার কাঁধে লাগলো। হানিফ যেন ছিটকে উঠল। এতো ঠাণ্ডা কোন মানুষের শরীর থাকতে পারেনা। এতো ঠাণ্ডা অনুভূতি ও কখনো পায়নি। হানিফ নিজেও পানিতে ছিল এতক্ষণ। সুতরাং পানিতে থাকলে শরীর যে পরিমাণ ঠাণ্ডা হয় তা এতো অদ্ভুত লাগার কথা না।

ছেলেটা মার খাবার ভয়ে কেমন যেন নেকে গলায় বলতে লাগলো-

আমাকে মেরো না। আমাকে মেরো না। আমি আর মাছ নেব না।

হানিফ- এই ছেলে তুমি এখান থেকে দূরে চলে যাও। ঐ দিকে চলে যাও (হাত দিয়ে ইশারা করলো)। আর কখনো এদিকে আসবে না। এখানে যেন আর না দেখি।

ছেলেটা কৃতজ্ঞতার দৃষ্টিতে ওর দিকে তাকাল। আর চলে যেতে লাগলো। হানিফ ফরিদকে ওদিকে তাকাতে মানা করলো। এরপর ওরা আবার মাছ ধরতে জাল ফেলল। এইবার জালে ঠিক আগের মত শব্দ হল। তীরে নিয়ে দেখল জাল ভর্তি মাছ। ঐদিন দুইজনে মিলে অনেক মাছ ধরল।

সবই ঠিক আছে ওদের জীবনে। কিন্তু হানিফ আজও ভুলতে পারেনি সেই শিরশিরে ভয়ঙ্কর ঠাণ্ডা অনুভূতি। আর কোন দিন তাকে দেখেনি। কে ছিল ছেলেটা?? মানুষ নাকি মানুষরূপী…।

(অদ্ভুতুড়ে এমনসব গল্পের জন্য চোখ রাখুন dumurful.com এ )

লিভারের যত্ন

শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ

দেহের সর্ববৃহৎ অঙ্গের নাম লিভার। শরীরের প্রয়োজনীয়তার দিক থেকে লিভার অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যন্ত্র বা মেশিনের মত আমাদের শরীর চলে শক্তির সাহায্যে। এ শক্তির উৎস হচ্ছে খাদ্য। আমরা যা খেয়ে থাকি তা সরাসরি শক্তি উৎপাদন করতে পারে না। খাবার গুলো লিভারে প্রক্রিয়াজাত হয়ে জমা থাকে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কোষে কোষে পৌঁছে শক্তি উৎপন্ন করে। লিভারে পিত্ত তৈরি হয়, পিত্ত এক প্রকার ক্ষারীয় যৌগ যা পরিপাকে সহায়তা করে। তাই লিভার কে বলা হয় “পাওয়ার অফ হাউজ”। ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত কোন বিষাক্ত জিনিস শরীরে প্রবেশ করলে তা বিষমুক্ত করে। প্লাজমা প্রোটিন সংশ্লেষণ, ঔষধ, গ্লাইকোজেনের সঞ্চয় বা অন্যান্য রাসায়নিক বিশুদ্ধ করনে লিভার গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। লিভার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন উৎপন্ন করে।

লিভার জনিত রোগ গুলো নাম

লিভার জনিত রোগে প্রতিবছর সারা বিশ্বে প্রায় এক লাখ মানুষ মারা যায়। সাধারণত লিভারে যে রোগ গুলো হয়ে থাকে যেমন– লিভারের ফোঁড়া, পিত্তথলি বা পিত্তনালীর রোগ, লিভার ক্যান্সার, ভাইরাল হ্যাপাটাইটিস যা জন্ডিস নামে পরিচিত, লিভার সিরোসিস ইত্যাদি।

লিভার সমস্যার লক্ষণ

অনেকে দেখা যায় প্রস্রাব বা পায়খানার রং ও প্রবাহ খেয়াল করেন না, বিশেষজ্ঞদের মতে এটা লক্ষ্য করার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ এসব পরিবর্তনের মাধ্যমে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন ধরুন প্রস্রাবের রং যদি গাঢ় ও ফেনাযুক্ত হয় এবং পায়খানা পাতলা ও ম্লান রঙের হয়ে থাকে তাহলে লিভারের পরীক্ষা করতে হবে। কারণ এ গুলো লিভারে জনিত সমস্যার লক্ষণ। অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহনের পর এসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা হয়। পাশাপাশি বমি বমি ভাব হয়ে থাকলে লিভার ডিসিসের লক্ষণ এবং বুঝতে হবে লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পিত্ত সংক্রান্ত সমস্যায় জিহ্বায় হলদে ভাব দেখা যায়। এ গুলো ছাড়াও জন্ডিস, পিত্ত পাথুরি, হেপাটাইটিস বি-ভাইরাস জনিত কারণে  জিহ্বা হলদে ভাব দেখা দিয়ে থাকে। এমন উপসর্গ গুলো দেখা দিলে বুঝতে হবে লিভার জনিত কোন সমস্যা হয়েছে। নিম্নে আরো কিছু লক্ষণ দেওয়া হলো–

১। চোখের উপরে ব্যাথা হয়ে থাকে অথবা বিবর্ন হয়ে যাওয়া।
২। ফ্যাকাসে পায়খানা হওয়া।
৩। পিত্তথলিতে সমস্যা ও খাবার পর মুখে তিক্তকর ভাব।
৪। খাবার পর পেট ব্যাথা করা।
৫। জন্ডিসের সময় হঠাৎ হঠাৎ বমির ভাব বা তীব্র ভাবে বমি হওয়া।
৬। অনেক বেশী অবসন্নতা অনুভব করা।
৭। পা ফুলে যাওয়া।
৮। লিভারের সমস্যা দেখা দিলে জিহ্বায় কালচে আবরনের তৈরি হয়।
১০।  খাবার গ্রহণে অনিচ্ছা, অনীহা অথবা দুর্বলতা, মাঝে মাঝে জ্বর জ্বর ভাব। জ্বরের মাধ্যমেও লিভারের রোগের সূত্রপাত হয়ে থাকে।

লিভার রোগ প্রতিরোধে করণীয়

১। ঝুঁকিপূর্ণ  কাজ থেকে বিরত থাকুন (যেমন অনিরাপদ যৌনতা, একই সুঁই বা সিরিজ একাদিক বার ব্যাবহার করা)।
২। অ্যালকোহল ও অন্যান্য নেশা জাতীয় দ্রব্য থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে। অ্যালকোহলের কারণে অ্যালকোহলিক লিভার সিরোসিস হয়ে থাকে।
৩। ব্লেড, রেজার, ব্রাশ, খুর এ ধরনের নিত্য ব্যাবহারিত জিনিস এক জনের অধিক ব্যাবহারের অভ্যাস পরিহার করুন।
৪। হেপাটাইটিস বি-এর টীকা দিতে হবে।
৫। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রন রাখতে হবে। কারণ স্থূলতা লিভারে চর্বি জমায়।
৬। চর্বি যুক্ত খাবার কম খেতে হবে। কারণ শর্করা জাতীয় খাবারে আধিক্যের কারণে লিভার মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
৭। বেশী বেশী ফলমূল শাকসবজি খেতে হবে।
৮। বিশুদ্ধ পানি পান করুন ও খাবারে লবন গ্রহণ করুন।

৯। ডায়াবেটিস যাতে নিয়ন্ত্রণের বাহিরে না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
১০। নিজেকে সবসময় পরিস্কার পরিছন্ন রাখুন।
১১। ব্লাডপ্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখুন কারণ উচ্চ রক্তচাপ লিভারের কার্যক্ষমতা কে বাধাগ্রস্থ্য করে।
১২। নিয়মিত ব্যায়াম করুন (যেমন- হাঁটা, যোগব্যায়াম ইত্যাদি)।
 

অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে কিছু জরুরি কথা

সন্তানদের সাথে কথা বলুন

“বাবা-মা”

আমি তোমাদের অনেক কষ্ট দিয়েছি। আমার কারণে তোমারা কারো কাছে মুখ দেখাতে পারছ না। আমি শুধু তোমাদের কষ্টই দিলাম। বিশ্বাস কর আমি অনেক পড়েছিলাম কিন্তু কি হল বুঝতে পারলাম না। রেজাল্ট শোনার পর থেকে মনে হচ্ছিল পৃথিবীটা কেমন দুলছে। একটু আগে তোমারা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বলছিলে যাই রেজাল্ট হোক। দুশ্চিন্তা কর না। সেই তোমরা হঠাৎ করে কেমন যেন হয়ে গেলে। আমাকে একটুও বুঝলে না। আমি কি এতই খারাপ যে আমার কথাটাও শুনলে না। আমি আর তোমাদের কষ্ট দিতে চাইনা। আজকের পর থেকে আমাকে নিয়ে আর তোমাদের লজ্জা পেতে হবে না। ভালো থেকো তোমরা।

ইতি

তোমাদের…।

চিঠিটা কি পরিচিত লাগছে আপনাদের কাছে?

২০১৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলের পর বেড়েছে আত্মহত্যার সংখ্যা। অনেক ছোট ছোট ভাইবোনেরা চলে গেছে না ফেরার দেশে। অনেকে আত্মহত্যা করেছে এ প্লাস না পেয়ে অনেকে আত্মহত্যা করেছে ফেল করে। ওদের এই চলে যাওয়ার পেছনে কাদের দায়টা সবচেয়ে বেশি? বলতে পারবেন??

আমাদের বয়স যখন স্কুলে পড়ার তখন থেকে প্রতিযোগিতায় নামিয়ে দেন অভিভাবকরা। “তোমাকে এই স্কুলে পড়তেই হবে”। অনেকে কাঙ্ক্ষিত স্কুলে পড়ানোর জন্য ক্লাস ড্রপ দেয়ায় নিজের সন্তানকে। তখন এটা মাথায় একবারও আসে না সে কি অনুভব করছে? সে কি এতো চাপ নিতে পারবে? সেই যে শুরু হয় শিক্ষা যুদ্ধ তা চাকরি যুদ্ধে গিয়েও যেন শেষ হতে চায় না।

প্রতি ক্লাসে তোমাকে প্রথম হতে হবে। ও পারলে তুমি কেন পারবে না? এমন হাজারও প্রশ্নের ভেতরে সন্তানের মনের কথা শোনার মত সময় কারো থাকে না। তাই হয়তো তাদের মৃত্যুর পর তাদের কথা গুলো চিঠির মাধ্যমে দেখতে পান। কোন ছাত্র যদি পরীক্ষায় ১০০ তে ৫০ পায় তাহলে তাকে বকা অথবা অপমান না করে এটা অনুসন্ধান করুন সে কেন কম পেয়েছে? কম পাওয়ার কয়েকটা কারণ থাকাতে পারে। যেমনঃ

১। ঐ বিষয়ে সে মনোযোগী ছিল না।

২। সে ফাঁকি বাজি করেছে।

৩। তার এই বিষয়ে পড়তে ভালো লাগে না।

৪। কোন কারণে সে মানসিক ভাবে ভালো নেই।

উপরের কারণ গুলোর ভেতরে শুধু ২ নম্বর কারণ নিয়ে শিক্ষার্থীদের বকা দেয়া হয়। কিন্তু কখন বাকি গুলো নিয়ে চিন্তা আসে না। সব গুলো বিষয় নিয়ে তার সাথে কথা বলা দরকার। বকা দিয়ে কখন কোন ভালো কিছু হয় না। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় প্রতিটি শিক্ষার্থী এক ভিন্ন মানসিকতার মধ্য দিয়ে যায়। খুব নড়বড়ে থাকে চিন্তা চেতনাগুলো। উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল অনেক কিছু নির্বাচন করে দেয়। ফলাফল পেয়ে তাই অনেকে হতাশায় পরে যায়। সেই মুহূর্তে তার পাশে না দাড়িয়ে তার সাথে অপমানসূচক কথা বলা সত্যি নির্মম।

পাড়া-প্রতিবেশি এবং আত্মীয়রা বিভিন্ন ধরনের উস্কানিমূলক কথা বলে ফেলেন অভিভাবকদের সাথে। একবার কি এটা তাদের মাথায় আসে না এই কথা গুলোর প্রভাব অন্য কারো উপর আসতে পারে। সবচেয়ে অবাক লাগে যখন তাদের কথা শুনে অভিভাবকরা খারাপ ব্যাবহার করেন। যারা আপনার সন্তানকে খাওয়ায় না, পড়ায় না তাদের কথা শুনে আপনি আপনার সন্তানের সাথে খারাপ ব্যাবহার করেন, মারধোর করে। একজন শিক্ষার্থী যখন খারাপ ফলাফলের পর মাথা নিচু করে থাকে তখন তাকে কি বলার থাকে। সে যদি যথেষ্ট পরিশ্রম করে থাকে তাহলে তার ফলাফলে আপনি তার চেয়ে বেশি দুখী হতে পারেন না। সুইসাইড নোটগুলো পড়ে অনেক বেশি খারাপ লেগেছে অভিভাবকদের কথা ভেবে। আপনারা কি সন্তানকে আর একটা সুযোগ দিতে পারতেন না। আপনাদের সন্তান আপনাদের ভবিষ্যৎ। তাদের অবহেলা করবেন না। আপনারা ক্ষমা না করলে আর কেউ নেই পৃথিবীতে ক্ষমা করার। সৃষ্টিকর্তার পর আপনারাই সন্তানের কাছে সব কিছু।

আপনি যদি চেষ্টা করেন তাহলে খুব সহজেই আপনার সন্তানের বন্ধু হতে পারেন। রাগ দেখিয়ে আপনি তাকে হয়তো বাধ্য রাখতে পারবেন, ভয় দেখাতে পারবেন। কিন্তু সে আপনাকে কখন বন্ধু ভাববে না। আর এটাই সবচেয়ে বড় ভুল। ভালবাসা দিয়ে একবার বলেই দেখুন সে আপনার জন্য কি করতে পারে।

আজ সারাবিশ্বে আইএস সন্ত্রাসীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। এই সংগঠনটির মূল নিশানা তরুণ তরুণী। কারণ এই সময় একজন মানুষের মানসিক অবস্থা দোদুল্যমান থাকে। খুব সহজে তাদের প্ররোচিত করা যায়। অভিভাবকরা যদি একটু সচেতন হতেন তাদের সন্তানের ব্যাপারে তাহলে আজ নিবরাস ইসলাম, রোহান ইবনে ইমতিয়াজ  এর মত জঙ্গিদের সৃষ্টি হতনা। হলি আর্টিজানের  হামলায় অভিভাবকদের অবহেলা এবং সচেতনতা দুই দিকই ফুটে উঠেছে।

বাবামায়ের ভালবাসার উদাহরণ যেখানে আয়াজের মত বীর সেখানে অবহেলার উদাহরণ হিসেবে আছে নিবরাসের মত জঙ্গি। এখানে দুজনের বয়সই একরকম।

নিত্যদিনের বন্ধু ইন্টারনেট সম্পর্কে আমরা কতটুকু জানি?

ইন্টারনেট ছাড়া এখন একটি দিন ভাবা যায় না

 

বিজ্ঞানের অন্যতম আবিষ্কার গুলোর মধ্যে অন্যতম আবিষ্কার হলো ইন্টারনেট যা মানব সভ্যতা বিকাশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। বিশ্বের যোগাযোগ ব্যবস্থা দিন দিন অনেক উন্নতির সাথে সাথে বেড়েই চলেছে, এসব উন্নতির মূল সহায়কের নাম ইন্টারনেট। আমরা সবাই মনে করি ইন্টারনেট মানে অনলাইনে চলে যাওয়া সত্যিকার অর্থে এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ছাড়া কিছু নয়। খুব কম সময়ের মধ্যে ইন্টারনেটের প্রসার ২১০টি আলাদা দেশের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। শুধু উন্নত দেশ গুলো নয় দরিদ্র দেশ গুলোও ইন্টারনেটের আওতায় চলে এসেছে। বিভিন্ন কপম্পিউটারের মাধ্যমে ডাটা স্থানান্তরিত হয়ে তার গন্তব্যে পৌছানো হচ্ছে ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি। এক একটা আলাদা কম্পপিউটার একসাথে সংযুক্ত করার নাম হচ্ছে ইন্টারনেট। একটি কম্পিউটার অন্য আরেকটির সাথে অনেক ভাবে সংযুক্ত হয়ে থাকে। কিছু কম্পিউটার পুরাতন কপার ক্যাবল দ্বারা আবার কোন কম্পিউটার ফাইবার ক্যাবল দ্বারা কোন কম্পিউটার বেতার মানে তার বিহীন, এটি রেডিও তরঙ্গের  মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে এবং কোন কম্পিউটার স্যাটেলাইটের সাথে সংযুক্ত থাকে। এ কারণে আমরা খুব কম সময়ে ম্যাসেজ সুবিধা, ইমেইল সেবা আর বিভিন্ন মিউজিক ফাইলস ডাউনলোড করতে পারি।

ইন্টারনেটের উৎপত্তি

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন। টেলিফোনের বিকল্প হিসেবে যোগাযোগের জন্য গোপন এবং নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে এটী প্রতিরক্ষা বিভাগের গবেষণাগারে স্থান করে নেয়। এটি একটি টেলিফোন লাইন নির্ভর যোগাযোগ পদ্ধতি। টেলিনেটওয়ার্কের সাথে কম্পিউটারের সংযুক্তি ঘটে ডেস্কটপ কম্পিউটার আবিষ্কার হওয়ার পর। ARPANET ছিলো এর নাম। কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যেমে এক সময় নেটওয়ার্কের অনেক পরিবর্তন ঘটে। ইন্টারনেট ১৯৯০ এর দশকে ব্যাপক আকারে বিস্তার লাভ করে। ইন্টারনেটের এই বিপ্লবে অপ্টিকেল ফাইবারের সহায়ক ভুমিকা অনেক বেশী। মাত্র ৮ টি কম্পিউটারের সংযোগ ঘটিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ যে ব্যবস্থা শুরু করে ছিলেন তা পরের তিন বছরের মধ্যে বেড়ে ৩৬টিতে দাঁড়ায়। মার্কিন ন্যাশনাল সাইন্স ফাউন্ডেশন ১৯৮৪ সালে সর্বসাধারনের জন্য একটি বিশেষ ব্যবস্থা চালু করে যা সারাবিশ্বে খুব কম সময়ে ছড়িয়ে পড়ে। ইন্টারনেট বাণিজ্যিক ভাবে শুরু হয় ১৯৯৩ সালে। খুব স্বল্প সময়ে এটি অনেক বিস্তার লাভ করে।

ইন্টারনেটের সৃষ্টি ১৯৬৯

কিভাবে ইন্টারনেটের তথ্য আদান প্রদান হয়ে থাকে?
ইন্টারনেট টেলিফোন নেটওয়ার্কের মত কাজ করে। টেলিফোনের মাধ্যমে কল করা এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য বহন সম্পুর্ন আলাদা ব্যাপার। আপনি যখন অন্য একজন কে রিং করেন টেলিফোনের মাধ্যমে তখন আপনি যাকে কল করেছেন তার আর আপনার মধ্যে সরাসরি কানেকশান(বা সার্কিট) স্থাপন হয়। আপনি যতক্ষণ লাইনে থাকবেন ততক্ষণ এ সার্কিটটি ওপেন থাকবে। এ পদ্ধতির নাম সার্কিট সুইচিং। কোন সময়ে কার কথা পাঠানো হবে বা শোনা যাবে তা নিয়ন্ত্রিত হয় টেলিফোন এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে। এখানে একটা ব্যাপার লক্ষণীয় যখন আপনি অন্য একজনের সাথে ফোন কলে আছেন তখন অন্য কেউ সংযুক্ত হতে পারবে না। বা ধরুন আপনি কলে রেখে অন্য একটা কাজে ব্যাস্ত হয়ে গেলেন আপনার থেকে অন্য পাশে কোন তথ্য যাচ্ছে না তবুও আপনার প্রত্যেক সেকেন্ডের জন্য চার্জ কাটা হবে। তাই টেলিফোন নেটওয়ার্ক বা সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি আদর্শ নেটওয়ার্ক হতে পারে না।
ইন্টারনেট কানেকশন ক্যাবল
তাহলে এখন জেনে নেওয়া যাক ইন্টারনেট কিভাবে তথ্য বহন করে- ইন্টারনেট যে পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে তা হলো প্যাকেট সুইচিং বেশীর ভাগ ইন্টারনেট তথ্য আদান প্রধান করে প্যাকেট সুইচিং এর মাধ্যমে। এ পদ্ধতির মাধ্যমে আপনি ইন্টারনেটে সংযুক্ত থাকলেও কোন চার্জ কাটা হয় না। যেমন ধরুন আপনি কাউকে একটা মেইল করবেন তার জন্য আপনি ইন্টারনেট চালু রেখে মেইলটি লিখতে থাকবেন তার জন্য অনেক সময় লাগতে পারে, আর এই সময়ের জন্য কোন চার্জ আপনাকে দিতে হবে না। আবার আপনি কাউকে একটা মেইল পাঠাবেন তাকে আপনার সাথে কানেক্টেড থাকতে হবে না সম্পুর্ন মেইলটি পাওয়ার জন্য। মেইলটি পাঠানোর পরে প্যাকেট সুইচিং অনেক গুলো খন্ডে বিভক্ত হয়ে যায় আর একে বলে প্যাকেটস। প্রত্যেকটি প্যাকেট আলাদা আলাদা পথে ভ্রমণ করতে পারে এবং প্যাকেটস গুলোতে ট্যাগ করা থাকে তাদের কোথায় কোথায় যেতে হবে। খণ্ডগুলো গন্তব্যে পৌঁছানোর পর আবার একসাথে একত্রিত হয় যাতে তা মেইল রুপে রুপান্তরিত হয়। ইন্টারনেট অনেক সময় সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। যদি ডায়াল-আপ কানেকশান যেমন সধারন টেলিফোন কলের মত ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য একজনের সাথে সংযুক্ত হতে হলে আপনি এবং যার সাথে যুক্ত হবেন তাকেও ইন্টারনেটের সংযোগে থাকতে হবে।

ইন্টারনেটের ব্যবহার

– ওয়েব: কম্পিউটারে রাখা তথ্যাবলি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে দেখার পদ্ধতি হচ্ছে ওয়েব।

–  চ্যাট: দুই বা ততোধিক ব্যক্তির অনলাইনে কথা বা  আড্ডা দেওয়া।

–  নেট নিউজ: রক্ষিত সংবাদ যা ইন্টারনেটের তথ্য ভান্ডারে  রক্ষিত থাকে।

– ই-ক্যাশ: অর্থনৈতিক লেনদেন ও বাণিজ্যিক সুবিধা।

–  ইউজনেট: সবার জন্য উন্মুক্ত তথ্য ভান্ডার।

–  ই.মেইল: ইলেকট্রনিক্স মেইল বা ই-মেইল হচ্ছে খুব কম এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যম।

ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক যার সংক্ষিপ্ত নাম হচ্ছে ইন্টারনেট। বর্তমান সময়ের যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি বহুল জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ইন্টারনেট। এই পদ্ধতিটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে গড়ে উঠেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গবেষণাগার, সংবাদ সংস্থা, ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান সমুহ লাখ লাখ গ্রাহক ইন্টারনেটের মাধ্যেমে যুক্ত হয়ে তাদের পরস্পরের সাথে অনেক বড় পরিসরে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। কম্পিউটার, মোবাইল ফোন বা অনুরূপ ডিভাইস দিয়ে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত তথ্য সংগ্রহ খুব দ্রুততার সাথে করা যায়। ইন্টারনেটের জন্য দরকার কম্পিউটার বা সমমানের ডিভাইস, মডেম আর ইন্টারনেট সংযোগ।