হিট স্ট্রোক হতে পারে আপনার প্রিয় বন্ধু কুকুরটির

হিট স্ট্রোক

কুকুরের লোম কুকুরকে সুরক্ষিত রাখে। কিন্তু আমাদের মত দেশে কুকুরের অতিরিক্ত লোম অর মৃত্যুর কারণ হতে পারে। দীর্ঘ কয়েক দশকের মধ্যে এবার সবচেয়ে গরম পড়েছে। একবার ভাবুন আমাদের যদি এমন ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা হয় তাহলে ওদের কি হাল হয়। তাই যারা কুকুর পালেন তাদের জন্য এটা জানা খুব জরুরি যে হিট স্ট্রোক- এর লক্ষণ কি কি? কিভাবে তখন কুকুরটিকে বাঁচাবেন? আর কি করে এর প্রতিকার করা যায়? আসুন জেনে নেই।

হিট স্ট্রোক- এর লক্ষণ

  • শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকা
  • মুখ দিয়ে অতিরিক্ত লালা পড়া
  • নাক ভেজা থাকা (কুকুরের নাক দিয়ে ঘাম বের হয়)
  • নিল-বেগুনি অথবা উজ্জ্বল লাল রঙের মাড়ি, টিস্যুতে ঠিক মত অক্সিজেন না যাওয়াতে এমনটা হতে পারে।

হিট স্ট্রোক

হিট স্ট্রোক- এ তাৎক্ষণিক চিকিৎসা

  • আপনার কুকুরকে দ্রুত ঠাণ্ডা করুন। সারা শরীরে ঠাণ্ডা পানি দিন। বরফ পানি দেবেন না তাহলে আবার হিতে বিপরীত হতে পারে। দ্রুত করতে গিয়ে আবার কানে যেন পানি না যায় সে দিকে খেয়াল রাখবেন।
  • কুকুরটির সারা শরীর ভেজানোর পর বাতাস করুন। ফ্যান অথবা এসির সাহায্য নিতে পারেন। ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগে ভেজা কাপড় দিয়ে কুকুরটির শরীর ঢেকে রাখতে পারেন এতে করে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করবে। যেই যানবাহনে যাবেন খেয়াল রাখবেন যেন ঠিক মত বাতাস আসা যাওয়া করতে পারে।
  • যদি আপনার কুকুর পানি পান মত ক্ষমতা রাখে তাহলে বেশি করে পানি পান করান।
  • কুকুরের হিট স্ট্রোক একটি ভয়াবহ সমস্যা। এর কারণে কুকুর ব্রেইন স্ট্রোকও করতে পারে। যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের শরণাপন্ন হউন।

হিট স্ট্রোক- এর প্রতিকার

  • আপনার কুকুরকে কখনই একা গাড়িতে আটকে রাখবেন না। একটি বদ্ধ গাড়ি ৪৫-৫০ ডিগ্রী তাপ উৎপন্ন করতে পারে। এই তাপমাত্রায় আপনার কুকুর ডিহাইড্রেট হতে পারে, হিট স্ট্রোক অথবা ব্রেইন স্ট্রোকের শিকার হতে পারে। কারণ এই অতিরিক্ত তাপ ওর সহ্য হবে না। তাই আপানার গাড়ির বাইরে যেতে হলে আপনার কুকুরটিকে সাথে করে নিয়ে যান। ওরা খুব লক্ষ্মী হয়, আপনাকে এত বিরক্ত করবে না আশা করি।

হিট স্ট্রোক

  • আপনার কুকুরটি পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। পানির পাত্র যেন সব সময় পূর্ণ থাকে সেদিকে খেয়াল করুন। পানির পাত্র এমন জায়গায় রাখুন যেখানে তাপমাত্রা কম। কুকুরের একটি বাজে অভ্যাস আছে, এরা পানির পাত্র উল্টে ফেলে। তাই কয়েকটা জায়গায় পানির পাত্র রাখুন।
  • আপনি যখন আপনার কুকুর নিয়ে বাইরে যাবেন তখন ওর জন্য অবশ্যই পানি নিয়ে যাবেন এবং পানি পান করার জন্য একটি পাত্র নেবেন। যত বেশি পানি খাওয়াবেন আপনার কুকুর তত ভাল থাকবে। পানি পান করাতে কখনই কার্পণ্য করবেন না।
  • গরম বেশি হলে সেদিন বেশি খেলাধুলা করবেন না। বাইরের হাঁটতে যাবেন না আপনার কুকুরকে নিয়ে। এই গ্রীষ্ম করলে যত পারেন আপনার কুকুরকে ঠাণ্ডা জায়গায় রাখুন।
  • বেশীক্ষণ পায়ে জুতা অথবা অন্যকিছু পড়াবেন না। কারণ কুকুর পায়ের পাতা, নাক দিয়ে ঘাম বের করে।

 

বিড়াল সম্পর্কে সব কিছু জানেন কি?

বিড়াল

তুলতুলে আরামপ্রিয় প্রাণী মানেই বিড়াল। খুব কম মানুষ আছেন যারা বিড়াল ভালবাসেন না। নানা জাতের বিড়াল আছে পৃথিবীতে কিন্তু এদের বৈশিষ্ট্যগুলো কিন্তু একই রকম। আপনার ঘরে এমন কোন বন্ধু থাকলে অবশ্যই তার ব্যাপারে জানা উচিত। তাহলে দেরী না করে চলুন জেনে আসি বিড়ালের অজানা মজার তথ্য গুলো।

বিড়াল মাটিতে গড়াগড়ি দেয়

বিড়াল যদি মেঝেতে খুব গড়াগড়ি খায় তখন আপনাকে বুঝতে হবে সে এই মুহূর্তে কিছুটা সময় চাচ্ছে এবং খেলতে চাচ্ছে। অনেক বিড়াল তার মনিবের বাইরে যাবার সময় এমনটি করে থাকে যাতে তাকেও সাথে নেয়া হয় অথবা মনিব বাইরে না যায়। এটা দৃষ্টি আকর্ষণ করার একটি সুন্দর পদ্ধতি। এই জন্য অরা এত আদুরে।

বিড়াল খাবার পুরোটা খায় না

বিড়াল একসাথে সবটুকু খাবার শেষ করে না। অনেক সময় ধরে খেয়ে খাবারের কিছু অংশ বাঁচিয়ে রাখে। মজার ব্যাপার হলো এমনটি সে তার মনিব থেকেই শিখে। যে সকল বাড়িতে মনিব তার বেঁচে যাওয়া খাবার থেকে বিড়ালকে খেতে দেয়, সেই সকল বাড়িতেই বিড়ালগুলো নিজের খাবার মনিবের জন্য বাঁচিয়ে রাখতে শেখে।

বিড়াল কেন ঘাস খায়

বিড়াল সাধারণত মাংসাশী প্রাণী। কিন্তু যখন ঘাস পাতা খেতে শুরু করে তখন খুব অদ্ভুত লাগে তাই না? আসলে বিড়ালের ঘাস খাবার পেছনে কারণ হলো এরা ঘাস থেকে এক ধরণের ভিটামিন পায়। যা এদের হজম শক্তি ভাল রাখে। কখনো কখনো নিজের গা চুলকাতে গিয়ে মুখে জড়িয়ে যাওয়া পশম ছাড়াতেও এরা ঘাসের সাহায্য নেয়।

বিড়াল কেন ঘষাঘষি করে

অনেক সময় দেখা যায় বিড়াল তার পা আরেক বিড়ালের গায়ে অথবা মেঝেতে পিষছে। এর কারণ হলো তারা অন্য বিড়ালের প্রতি যত্ন বা মমতা দেখায় অথবা নিজের পায়ের রক্তসঞ্চালন ঠিক রাখতে এরা এমন করে থাকে। অনেক সময় বাচ্চা বিড়াল তার মায়ের বুকের দুধ ঠিকমত না পেলে তখন মায়ের গায়ে এভাবে পা ঘষতে থাকে।

বিড়ালেরা ফোনের প্রতি আসক্ত

যারা বিড়াল পালেন, তারা লক্ষ্য করে থাকবেন ফোনটি বেজে উঠলেই বাড়ির বিড়ালটি সবার আগে দৌড়ে ফোনের কাছে চলে যায়। এর কারণ হলো কৌতুহল। এরা বোঝার চেষ্টা করে আসলে ফোনে কীভাবে কথা বলা যায় অথবা কার সাথে কথা বলা যায় কিংবা কাউকে দেখা যাচ্ছে না তবুও মনিব কার সাথে কথা বলছে। এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই বিড়াল সাধারণত ফোনের কাছে সবার আগে দৌড়ে যায়। তাছাড়া এরা আরও লক্ষ্য করে যে ফোনে কথা বলার সময় তাদের প্রতি মনিবের মনোযোগ কিছুটা কমে যায়। তাই মনোযোগ কেড়ে নেয়া উৎসটি তারা নিজেরাই এত আগ্রহ নিয়ে দেখে।

বিড়াল সম্পর্কে আপনি এই তথ্যটি শুনলে আপনার মন খারাপ হতে পারে

হয়তো ভাবছেন এ কথাটি কেন বলছি? বিড়াল সারাদিনই নিজের গা হাত পা চাটে। কারণ, মানুষ গায়ে হাত দেয়ার পর বিড়ালরা নিজেদের গা পরিষ্কার করে! মানুষের গায়ের গন্ধ বিড়াল একদম পছন্দ করে না। এবার বুঝলেন, ওদের ক্লাশটা? কেমন যেন একটু লজ্জা-লজ্জা লাগছে তাই না? মন খারাপ করবেন না ওরা এমনি।

এই তথ্যটি নেয়া হয়েছে ‘অসাধারণ জ্ঞান’ বইটি থেকে। বইটি লিখেছেন স্বরূপ দত্ত এবং পার্থ প্রতিম চন্দ্র।

বিড়ালের গোঁফ যখন মাপযন্ত্র

গোঁফহীন বিড়াল দেখেছেন কখনো? গোঁফহীন বিড়াল হয়ইনা, দেখবেন কি করে! গোঁফ দিয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজও করে বিড়াল৷ ছোট্ট গর্ত দিয়ে যেতে চাইলে বিড়াল কিন্তু ওই গোঁফ দিয়েই মেপে নেয়, তারপর ঠিক করে যাওয়ার চেষ্টা করবে কিনা৷ একটা বিশেষ সুবিধাও আছে ওদের৷ কলারবোন নেই বলে মাথাটা গলিয়ে দিলেই হলো, তারপর অনায়াসে চলে যায় গর্তের ওপারে৷

নাক করে জিভের কাজ

মানুষের জিভে ৯ হাজার এমন ধরনের ‘সেন্সর’ আছে যেসবের কাজই হলো খাবারের স্বাদ পরীক্ষা করা৷ বিড়ালের জিভে সেরকম সেন্সর মাত্র ৪৭৩টি৷ ফলে স্বাদ বোঝার কাজে তাদের জিভ অনেক কম কার্যকর৷ বিড়াল তাই বাধ্য হয়ে খাবারে স্বাদ বোঝে নাক দিয়ে গন্ধ শুঁকে৷

বিড়ালের নাকের ছাপ

বিড়াল নাকি গোঁফ দিয়ে চেনা যায়? যারা বলেন, ভুল বলেন৷ প্রতিটি মানুষের ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আঙুলের ছাপ যেমন একেবারে আলাদা, সেরকমই বিড়ালের নাক৷ একেক বিড়ালের একেকরকম নাক৷ সুতরাং সব কিছু কাকতালীয়ভাবে যদি কখনো মিলেও যায়, তবু দুটো বিড়ালের নাক কখনো হুবহু একরকম হতে পারেনা৷ কিছু না কিছু পার্থক্য থাকবেই৷

বিড়াল মানুষের রক্তচাপ কমাতে পারে

গায়ে হাত বোলালে বা কোলে নিয়ে আদর করলে বিড়াল যে আহ্লাদ করে ঘরঘর আওয়াজ করে, সেই আওয়াজ শুনলে নাকি মানুষের উচ্চ রক্তচাপ কমে যায়৷ এক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে এটা৷

অন্ধকারে দেখে ভালো

অন্ধকারে খুব ভালো দেখে বিড়াল৷ কোনো কিছু পরিষ্কার দেখার জন্য মানুষের যতটা আলোর প্রয়োজন তার ছয় ভাগের একভাগ আলোতেই সেই বস্তুটি পরিষ্কার দেখতে পারে বিড়াল৷

সবচেয়ে বড় চোখ

পৃথিবীর সব প্রাণীর মধ্যে শরীরের অনুপাতে বিড়ালের চোখই সবচেয়ে বড়৷ হাতি খুব বড়, তিমি মাছও বিশাল, তাদের চোখ কিন্তু শরীরের অনুপাতে বিড়ালের তুলনায় অনেক ছোট৷

বিড়ালের যত ডাক

মানুষের মতো বিড়ালও কিন্তু একেক দেশে একেক ভাষায় কথা বলে, অর্থাৎ বিড়ালের ‘মিঁউ, মিঁউ’ নাকি সবদেশেই একরকম নয়৷ তাই কাটালুনিয়া বিড়ালরা ডাকলে সেই ডাক শোনায় ‘মিঁউ’-এর মতো, ক্যান্টনের বিড়াল ডাকে ‘মাও, মাও’, ডেনমার্কের ‘মিয়াভ’, নেদারল্যান্ডসের ‘মিয়াউ’, ইংল্যান্ডের ‘মিয়ো’, ফ্রান্সের ‘মিয়াও’, গ্রিসের ‘নাইউ’ এবং জাপানের বিড়ালের ডাক নাকি ‘ন্যায়ান, ন্যায়ান’-এর মতো শোনায়৷

 

এই গরমে আপনার চার পেয়ে বন্ধু কুকুরটির যত্ন নিচ্ছেন তো?

কুকুর

প্রাণীকূলে মানুষের সাথে সবচেয়ে ভালো বন্ধুত্ব হয় কুকুরের। কুকুরের চেয়ে বিশ্বস্ত প্রাণী আর একটি পাবেন না। এদের প্রভু ভক্তের নানা ধরণের নজির রয়েছে।

আমাদের দেশে অনেক পরিবার আছে যারা ঘরে কুকুর পালেন। আমাদের দেশে সব জাতের কুকুর ভালো থাকতে পারে না।

প্রচণ্ড গরমে আমাদের অবস্থা যেমন  নাজেহাল হয়ে যায়  ঠিক তেমনি খারাপ  অবস্থা হয় বাড়ির পোষা কুকুরেরও। তাই শুধু কুকুর নয়, বাড়িতে পোষা অন্যান্য প্রাণীর যত্নও নেয়া উচিত।

পানি

কুকুরের পানির বাটি ভরা আছে কিনা সে দিকে সব সময় নজর রাখুন। আপনি যেমন গরমে কিছুক্ষণ পর পর পানি খোঁজেন আপনার কুকুরটিরও এমন অবস্থা হয়।

এ গরমে ওদের তৃষ্ণা পাবে এবং তাড়াতাড়ি পানি শেষ করে ফেলবে।

তাই কখনই যেন বাটির পানি শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে ওরা যেন পানিকষ্টে না পড়ে।

ওদের পানির বাটিতে কয়েকটা আইস কিউব ফেলে রাখতে পারেন। বাইরে হাঁটাতে নিয়ে বের হলে অবশ্যই ওদের জন্য সঙ্গে পানির বোতল রাখুন।

হাঁটা

কুকুরের স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য এবং ওদের মল-মূত্র ত্যাগ করার জন্য প্রতি দিন রাস্তায় হাঁটতে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।

চেষ্টা করুন একদম সকালে যখন রোদের তাপ কম থাকে তখন অথবা সূর্যাস্তের পর হাঁটতে নিয়ে যেতে।

পিচের গরম রাস্তা কিন্তু সূর্যাস্তের পরও গরম থাকে। তাই ওদের মাঠে বা ছায়ায় হাঁটানোর চেষ্টা করুন।

খেয়াল রাখুন ওদের মল মূত্রের কারণে কেউ যেন বিরক্ত বোধ না করে। রাস্তার মাঝখানে করলে মল সরিয়ে রাখুন।

পেট ঠান্ডা

গরমে পেট গরম হয়ে যেমন আমাদের সমস্যা হয় তেমনই ওদেরও হয়। মেঝেতে ওরা যেখানে বসে সেখানে ভেজা তোয়ালে বিছিয়ে দিন। এতে ওরা আরাম পাবে। বার বার ঘর মুছেও দিতে পারেন ভেজা কাপড় দিয়ে।

দেখবেন ওরা ভেজা মেঝতে বসতেই বেশি পছন্দ করবে। তাছাড়া আপনার ঘরটিও ঠাণ্ডা থাকবে।

টিকা ও চিকিৎসা

কুকুরকে জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া আবশ্যক। জলাতঙ্ক ছাড়া আরও সাতটি গুরুতর রোগবালাই কুকুরকে আক্রমণ করতে পারে। এ জন্য প্রতিবছর একটি করে টিকা দেওয়া প্রয়োজন। এ ছাড়া যেকোনো রোগবালাই দেখা দিলে নিকটস্থ পশু চিকিৎসালয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।

পুরান ঢাকার ফুলবাড়িয়ায় আছে কেন্দ্রীয় পশু হাসপাতাল। মোহাম্মদপুরের বছিলায় আছে অভয়ারণ্য। এ ছাড়া গুলশান, ধানমন্ডি ও উত্তরায় কিছু বেসরকারি ক্লিনিক রয়েছে।

ক্লিনিকগুলোতেও টিকাদানের ব্যবস্থা আছে। আপনার প্রিয় প্রাণীটির জন্য সবসময় সচেতন থাকুন এবং ওকে ভালো রাখুন।

নিম্নের লক্ষণগুলো খেয়াল রাখুন

বার বার হাঁপিয়ে ওঠা, পিঠ গরম হয়ে যাওয়া, ঢুলুঢুলু চোখ- এগুলো ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ।

আপনার পোষা কুকুরের মধ্যে এ রকম কোনও সমস্যা দেখা দিলেই সতর্ক হয়ে যান।

মনে রাখবেন কুকুরদের গরমে প্রতিক্রিয়া জানানো কিন্তু মানুষদের থেকে আলাদা।

অতিরিক্ত গরমে আপনার কুকুরটি হিটস্ট্রোক করে ফেলতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ব্রেইন স্ট্রোকও করতে পারে।

কুকুর সম্পর্কে  রয়েছে বেশ কিছু মজার মজার তথ্য যা আমরা অনেকেই জানি না।

কুকুর সম্পর্কে কিছু অজানা মজার তথ্য

-মানুষ প্রায় ৩০ হাজার বছর পূর্বে পোষা প্রাণী হিসেবে কুকুরকে নিজেদের সাথে রাখতে শুরু করে।

-বিশ্বের সবথেকে বয়স্ক কুকুরের নাম ছিল ম্যাগি, যা ৩০ বছর বয়সে মারা যায়। অস্ট্রেলিয়ায় ১৯৮৬ সালে জন্ম নেয়া ম্যাগি ১৪ এপ্রিল, ২০১৬ সালে মারা যায়।

– মানুষের রক্তের গ্রুপ চার প্রকারের হলেও কুকুরের প্রায় ১৩ প্রকারের হয়ে থাকে।

– গড়ে ২ বছর বয়সের একটি কুকুরের বাচ্চা যে পরিমাণ বুদ্ধিমান হয় তাতে তা মাত্র ১৫০ টি শব্দ বুঝতে পারে।

-কুকুরের শুধুমাত্র নাক ও থাবা দিয়ে ঘাম বের হয়।

-কুকুরের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে প্রায় ১০ হাজার গুণ বেশি।

-চীনে প্রতিদিন ৩০ হাজার কুকুর মাংস ও চামড়ার জন্য হত্যা করা হয়।

-যদি কুকুর ডানদিকে হেলে যেতে থাকে তবে বুঝতে হবে সে খুশি আছে। আর যদি বামদিকে হেলে যেতে থাকে তবে বুঝতে হবে সে খুশি নয়।

– কুকুর আপনার পাশে এসে লেজ নাড়ালে বুঝবেন সে কামড়াবে না। বুঝবেন খাবারের আশায় কাছে আসছে।

– কুকুরও মানুষের মত স্বপ্ন দেখতে পারে!

-কুকুর পোষায় আমেরিকার লোকেরা বেশি শখ প্রিয়। সেখানে প্রায় ৭ কোটি ঘরে পোষা কুকুর রয়েছে।

নতুন কোনো ট্যাক্স আরোপ করা হবে না। বাজেট নিয়ে অর্থমন্ত্রী

বাজেট

আজ বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। বাজেট পেশ উপলক্ষে অধিবেশন কক্ষ ছিলো কানায় কানায় পূর্ণ। সংসদ গ্যালারি থেকে ভিআইপি লাউঞ্জের সর্বত্রই ছিল উপচে পড়া ভীড়। বেলা ১২টা ৫৩ মিনিটে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিজের জীবনের দ্বাদশতম বাজেট প্রস্তাবনা পড়া শুরু করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

‘সমৃদ্ধ আগামী পথযাত্রায় বাংলাদেশ’-এ শিরোনামের বাজেট বক্তৃতা ৪টা দুই মিনিটে শেষ হয়। বক্তৃতার মাঝে ৩০ মিনিটের জন্য অধিবেশনের বিরতি দেওয়া হয়।

বাজেট বক্তৃতা শেষে পুনরায় নিজ আসনে দাঁড়িয়ে অর্থমন্ত্রী সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে বলেন, ‘আমি পুরো বক্তব্যটি দাঁড়িয়ে দিতে পারিনি। রোজার মাসে অনেক নিয়মও আমি মানতে পারিনি। শুধুমাত্র বয়সের কারণে এটি করতে হয়েছে। এ জন্য সবার কাছে আমি ক্ষমা প্রার্থী।’

১৭-১৮ এর বাজেটে কিছু পণ্যের ওপর স্থানীয় পর্যায়ে ও আমদানিতে শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও রেগুলেটরি ডিউটি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে ভোক্তা পর্যায়ে বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যাবে।

৭ জুন, বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মহিত এ সংক্রান্ত ঘোষণা দেন।

অগ্রিম ভ্যাট বাড়ছে আমদানিতে

বাজেট

আমদানি পর্যায়ে অগ্রিম ভ্যাট ও ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট ৪ থেকে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। আমদানিতে এর প্রভাব পড়বে। বর্তমানে প্রায় ১১০০ ধরনের পণ্য আমদানি হয়, যেখানে ভ্যাট দিতে হয়।

ফার্নিচারের দাম বাড়বে

বাজেট

আসবাবপত্র উৎপাদন ও বিপণন পর্যায়ে ১ শতাংশ করে ভ্যাট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বর্তমানে আসবাবপত্র উৎপাদন পর্যায়ে ৬ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হয়। আগামী অর্থবছর থেকে তা ৭ শতাংশ হারে প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। আর বিপণন পর্যায়ে ৪ শতাংশ ভ্যাট পরিবর্তন করে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে।

পোশাক

বাজেট

বর্তমানে নিজস্ব ব্র্যান্ড সংবলিত তৈরি পোশাক বিক্রিতে ৪ শতাংশ হারে ভ্যাট আছে। সরকার আগামী অর্থবছর থেকে এ খাতে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট প্রস্তাব করেছে। এ ছাড়া স্থানীয় বাজারে বিক্রির জন্য ব্র্যান্ডবিহীন পোশাক পণ্য বিপণনের ক্ষেত্রেও ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ হবে।

ছোট ফ্ল্যাট

বাজেট

ছোট ফ্ল্যাট (১ থেকে ১১০০ বর্গফুট) কেনায় খরচ বাড়তে পারে। আর মাঝারি (১১০১ থেকে ১৬০০ বর্গফুট) ফ্ল্যাট কেনার খরচ কমতে পারে। কারণ বর্তমানে ১ থেকে ১১০০ বর্গফুট পর্যন্ত ফ্ল্যাট নিবন্ধনে ১ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট রয়েছে। আর ১১০১ থেকে ১৬০০ বর্গফুট পর্যন্ত ফ্ল্যাট নিবন্ধনে ভ্যাটের হার রয়েছে ২ দশমিক ৫ শতাংশ। আগামী অর্থবছরে এই দুই ধরনের ফ্ল্যাটের নিবন্ধনে ২ শতাংশ হারে ভ্যাট নির্ধারণ করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

অবশ্য বড় ফ্ল্যাট (১৬০১ থেকে বেশি) নিবন্ধনের ভ্যাট হার ৪ দশমিক ৫ শতাংশ অপরিবর্তিত থাকছে। অবশ্য যারা পুরনো ফ্ল্যাট কিনবেন, তাদেরও খরচ বাড়তে পারে। কারণ নতুন অর্থবছরে পুরনো ফ্ল্যাট পুনঃনিবন্ধনে ২ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ করা হচ্ছে।

 

তথ্যপ্রযুক্তি সেবায় ভ্যাট ৫ শতাংশ হচ্ছে

বাজেট

প্রস্তাবিত বাজেটে এ খাতে ভ্যাটের হার ৫ শতাংশ প্রস্তাব করছেন অর্থমন্ত্রী। এতে এ খাতে ব্যয় বাড়বে। সম্প্রতি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তথ্যপ্রযুক্তি সেবা গ্রহণের মাত্রা বেড়েছে।

ই-কমার্স আসছে ভ্যাটের আওতায়

বাজেট

অনলাইনভিত্তিক যেকোনো পণ্য ও সেবার ক্রয়-বিক্রয় বা হস্তান্তর এ সেবার আওতাভুক্ত হবে। এই ভার্চুয়াল বিজনেস সেবার ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হচ্ছে এবারের বাজেটে।

ট্যারিফ ভ্যালু বাড়ছে অনেক পণ্যে

সরকার দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দিতে ট্যারিফ ভ্যালু নির্ধারণ করে তার ওপর ভ্যাট আরোপ করে। ট্যারিফ ভ্যালু সাধারণত বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক কম হয়। ফলে একই হারে ভ্যাট আরোপ হলেও আমদানি পণ্যের চেয়ে দেশি পণ্যের ভ্যাট দিতে হয় কম।

আসছে বাজেটে বিভিন্ন পণ্যের ট্যারিফ ভ্যালু যৌক্তিকীকরণের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। এতে এসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

এ ছাড়া তালিকায় রয়েছে- টমেটো পেস্ট, কেচাপ, সস, বিভিন্ন ফলের পাল্প, ফলের জুস, ব্যবহার অযোগ্য ট্রান্সফর্মার অয়েল, লুবব্লেন্ডিং অয়েল, বিভিন্ন ধরনের পেপার ও পেপার প্রোডাক্ট, কটন ইয়ার্ন বর্জ্য, ওয়েস্ট ডেনিম, স্ট্ক্র্যাপ/শিপ স্ট্ক্র্যাপ, সিআর কয়েল, জিপি শিট, সিআই শিট, রঙিন সিআই শিট, ব্লেড, চশমার ফ্রেম ও সানগ্লাস।

তিনি আরো বলেন, মানুষের স্বস্তি অনেক উচ্চ মাত্রায় আছে। দারিদ্র্য একেবারে দূর করা এত তাড়াতাড়ি সম্ভব নয়। তবে দারিদ্র্যের হার কমিয়ে আনা গেছে। আর এটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের আন্তরিকতায়। আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর থেকেই দারিদ্র্য বিমোচনের ওপর জোর দিয়ে আসছে। এজন্য সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনির আওতায় নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। যা আগে কোনো দিন হয়নি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজস্ব আদায় বাড়ছে। তবে তা আশাব্যঞ্জক নয়। রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি যা আশা করা হয়েছিল, তা হয়নি। হয়তো এটা উচ্চাশা ছিল। তবু অনেকটা উন্নতি হয়েছে। বিগত দুই বছরের চেয়ে ভালো হলেও আমার প্রত্যাশা ছিল আরো বেশি। আমি চেয়েছিলাম ২৫-২০ শতাংশ। এটা যদিও বেশি, তবে এটা চাওয়ার পেছনে কারণও ছিল। যারা আয়কর দেন তাদের বেশিরভাগের বয়সই ৪০ এর নিচে। যুব সম্প্রদায় আয়কর প্রদানে অত্যন্ত সচেতন। তারা মনে করে, এটা তাদের দায়িত্ব। এই দায়িত্ববোধ সবার মধ্যে জাগ্রত হলে আমাদের রাজস্ব আদায়ের হার আরো বেড়ে যাবে।

তিনি বলেন, দিন দিন করদাতার সংখ্যা বাড়ছে। তবে আদায়ের হার আশানুরূপ বাড়ছে না। আমি আশা করছি, আগামী ২০২১ সালের মধ্যে আয়কর মূল্য সংযোজন করের কাছাকাছি চলে আসবে।

২০২০ সাল পর্যন্ত নতুন মূল্য সংযোজন কর কার্যকর করছি না। এটা কর্যকর হলে এ খাতে আয় আরো বাড়বে। বর্তমান মূল্য সংযোজন করের তিনটি স্ল্যাব থেকেই বেশিরভাগ কর আদায় হচ্ছে। এগুলো ৪, ৫ এবং ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর খুব কম আদায হয়। যা আইএমএফের শর্ত ছিল। এসব বিবেচনায় আর একটি স্ল্যাব বসানোর চিন্তা করা হচ্ছে। এটা কত হবে তা এখনই বলা সম্ভব নয়।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ২০১৮ সাল হবে একটি ভালো বছর। স্বস্তির বছর। আগামী বাজেট হবে গতানুগতিক। নতুন কোনো ট্যাক্স আরোপ করা হবে না।

চালের দাম নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, এটা ব্যবসায়ীদের কারণে হয়েছে। এটা হওয়া উচিত না। আমরা চেয়েছিলাম, চালের দাম একটু বাড়ুক। যেন কৃষক দাম কিছুটা বেশি পায়। ৩৮ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে থাকা উচিত ছিল। ব্যবসায়ীরা সেটা ৬০ পর্যন্ত নিয়ে গেছে।

তবে এক্ষেত্রে সরকারের কোনো গাফিলতি নেই বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী। তবে দাম শিগগিরই নেমে আসবে বলে জানান তিনি।

হার্ট যা খেলে হবে শক্তিশালী, জেনে রাখুন সেই খাদ্য তালিকা

হার্ট

প্রতিদিন সকালে উঠে আমরা হাত-মুখ, দাঁত, চোখ সহ শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পরিষ্কার করি, যত্ন করি। কিন্তু আমাদের শরীরের ভেতরের অঙ্গগুলোর কি কোন যত্ন নেই? হাত-মুখ, দাঁত এর মত হার্ট, কিডনি, ফুসফুসের যত্ন তো নেয়া যাবে না। তাহলে কি করা যায়?

কি করে নেবেন হার্টের যত্ন? কিভাবে হার্টকে শক্তিশালী করবেন? কি খেলে আপনার হার্ট সব সময় ভালো থাকবে? আসুন সব গুলো প্রশ্নের উত্তর জেনে আসি।

সুর্যমুখী তেল বা সুর্যমুখী বীজ

হার্ট

সূর্যমুখী তেল ভিটামিন ই সমৃদ্ধ, যা শরীরের এন্টি-অক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে। এটি সরাসরি হৃদরোগ প্রতিরোধ এবং আপনার ইমিউন সিস্টেম বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। যদিও ডাক্তাররা বলেন যেকোনো তেলই শরীরের জন্য ভালো না। হার্টকে ভালো রাখতে হলে খাবারে তেলের পরিমাণ কমিয়ে দিন। এন্টি-অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন ই সমৃদ্ধ সূর্যমুখী তেল গ্রহণ করলে আপনার ত্বক সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে সুরক্ষিত হবে। হাঁপানি (অ্যাজমা), আর্থ্রাইটিস এর তীব্রতা হ্রাস করতেও সূর্যমুখী তেল বিশেষ ভূমিকা রাখে। 

মাছ

হার্ট

কিছু মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩, যেমন স্যালমন, ম্যাকরেল এবং টুনামাছ। সপ্তাহে অন্তত দুইদিন মাছ রাখুন খাদ্য তালিকায়। নির্দ্বিধায় খাওয়া যাবে ছোট মাছ যেমন- মলা, কাচকি, টাকি, বেলে ইত্যাদি। এছাড়াও বেছে নেওয়া যেতে পারে পাবদা, শিং, কৈ ও মাগুরকে। ইলিশ মাছ বেশি করে খাবেন এতে উপকারী চর্বি ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড বেশি পরিমাণে থাকে। হাইব্রিড মাছগুলো খাওয়া থেকে এড়িয়ে চলুন। যে মাছগুলো বাদ দেবেন- পাঙ্গাস, হাইব্রিড তেলাপিয়া, রুই। গবেষকরা মনে করেন, সামুদ্রিক মাছ হৃৎপিন্ডের সুস্থতা রক্ষায় সহায়ক। নদীর মিঠা পানির বড় মাছের চর্বি বাদ দিয়ে শুধু মাছটুকু খাওয়া যাবে।

সয়াফুড

হার্ট

সয়বিন থেকে তৈরি পণ্যকে সয়া ফুড বা সয়া প্রোডাক্ট বলে । সয়া প্রোডাক্ট যেমন- সয়া দুধ, সয়া বিন, টফু ইত্যাদি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন। এই খাবারগুলো শরীরের থেকে কোলেস্টেরল এবং অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট দূর করে থাকে।

সয়া ফুড কেবল কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে তা নয়, ভাস্কুলার ফাংশন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। তাই খাবার মেন্যুতে পর্যাপ্ত পরিমাণে সয়াবিন রাখুন। সয়াবিন ভালো করে সেদ্ধ করে খান। কারণ হজমে সাহায্যকারী এনজাইম ট্রিপসিনের কার্যকলাপ কিছুটা ব্যাহত করে সয়াবিন। আঁশ সমৃদ্ধ সয়াবিন হার্টের জন্য খুব ভালো। প্রতি ১০০ গ্রাম সয়াবিনে পাওয়া যায় ৪৩ গ্রাম প্রোটিন।

কাঠবাদাম

হার্ট

কাঠবাদামের মনো স্যাচুরেটেড ফ্যাট, প্রোটিন ও পটাশিয়াম হার্ট ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কাঠবাদামের ভিটামিন ই হার্টের বিভিন্ন রকম রোগ হবার আশঙ্কা দূরে রাখে। কাঠবাদামে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করে এবং পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। যেমন  অ্যালমন্ড, ছোলা এবং আখরোট ফল।

অলিভ অয়েল

হার্ট

ডায়াবেটিকসের ঝুঁকি কমানো ও ক্যানসার প্রতিরোধের পাশাপাশি দুর্বল হার্টের রোগীদের জন্য অলিভ অয়েল খুবই উপকারী। সম্প্রতি এক গবেষণায় বিষয়টি প্রমাণ করেছেন গবেষকরা। স্বাস্থ্য সাময়িকী সার্কুলেশনে প্রকাশিত নতুন গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দুর্বল হার্টের জন্য জ্বালানি হিসেবে প্রয়োজনীয় চর্বির যোগান দেয় অলিভ অয়েল।

সাধারণত একটি হৃদপিণ্ড তার স্বাভাবিক সংকোচন ও প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি নেয় শরীরে জমা চর্বি থেকে। কিন্তু দুর্বল হার্ট এই চর্বি গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়। ফলে হার্ট শুধু ভালোভাবে কাজ করতে পারে না তা নয়, বরং গ্রহণ করতে না পারা চর্বি জমে হৃদপিন্ডের আর্টারিতে ব্লক বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। অথচ অলিভ অয়েলে আছে ওলিয়েট নামের এক ধরনের উপকারী ফ্যাট যার সহায়তায় দুর্বল হার্ট সহজেই প্রয়োজনীয় চর্বি গ্রহণ করতে পারে।

ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় এর সিনিয়র গবেষক ই ডগলাস লিওয়ানডোস্কি বলেন, ওলিয়েট হৃদপিণ্ডের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এমনকি ওই হার্ট যদি আগে থেকেও দুর্বল থাকে তবুও স্বাচ্ছন্দ্যে হৃদপিণ্ডে প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান দিতে পারে ওলিয়েট।

শিম

হার্ট

করোনারি হার্ট ডিজিস কমাতে সহায়ক হয়ে ওঠে ম্যাগনেশিয়ামপূর্ণ শিম, শস্য এবং সবুজ পাতাবহুল শাক-সবজি। এসব খাবারে স্ট্রোক এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিস এর ঝুঁকিও কমে আসে। এক গবেষণায় এসব তথ্য দেওয়া হয়। গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছিল জার্নাল বিএমসি।

আমলকি

হার্ট

হার্টকে ভালো রাখার জন্য আমলকি সন্দেহাতীতভাবে সবচেয়েভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে।

প্রায় সব ধরনের কার্ডিওভাসকুলার রোগ প্রতিরোধ করার এক অদ্ভূত ক্ষমতা রয়েছে আমলকির।

হলুদ  

হার্ট

হার্টের অসুখে হলুদও কার্যকারী ভূমিকা রাখে। এতে এমন এক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টরয়েছে যা প্রদাহজনিত আক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে।

রসুন

হার্ট

রসুন কার্ডিওভাস্কুলার রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমায় এবং প্রাকৃতিকভাবেই এটা হার্টের ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এটা শুধু রক্ত চলাচলকেই স্বাভাবিক রাখে না; একইসাথে হার্টকেও সুস্থ রাখে।

আদা

হার্ট

আদা এমন একটি ওষুধি উদ্ভিদ যা রক্তনালীকে বিশ্রাম দেয় এবং রক্ত প্রবাহকে চালু রাখতে সাহায্য করে। হার্টের অসুখের বিরুদ্ধে অ্যান্টি ফ্ল্যামেটরি হিসেবেও যুদ্ধ করে আদা।

বিলবেরি  

হার্ট

এটি ব্ল্যাকবেরির মতোই একটি ফল। এটিও হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারি।

নিয়মিত এ ফল খেলে হার্টের যে কোনো সমস্যার ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকা যায়। এমনকি এ ফলটি রক্ত চলাচলকেও সচল থাকে।

 হার্ট ভালো রাখে লাল মরিচ

হার্ট

লাল মরিচ হার্টের সঠিক ওষুধের কাজ করে। এটা হার্টের জন্য পুষ্টিকর খাবারও বটে। কারণ হার্টের জন্যএর প্রভাব কাঁচামরিচ থেকে ভালো।

সবুজ চা

হার্ট

বর্তমান সময়ে হার্টের জন্য সবচেয়ে বেশি ওষুধের কাজ করে সবুজ চা। এটা শুধু রক্তের শিরাকেই সচল রাখে না; শিরাকে রক্ষাও করে। বর্তমান সময়ে হার্টের জন্য সবচেয়ে বেশি ওষুধের কাজ করে সবুজ চা। এটা শুধু রক্তের শিরাকেই সচল রাখে না, শিরাকে রক্ষাও করে। গবেষকদের ধারণা, রক্তনালীর উপর গ্রিন টি’র প্রভাব রয়েছে। নিয়মিত গ্রীন টি গ্রহণ করা হলে রক্তনালী শিথিল হয় এবং রক্তচাপের পরিবর্তন হলেও তা স্বাভাবিক থাকতে পারে। এর ফলে রক্ত জমাট বেঁধে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

হার্ট ভালো রাখে পুদিনা পাতা

হার্ট

এটি হার্টের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। পুদিনা রক্তের শিরায় অক্সিজেন চলাচলে সাহায্য করে। এছাড়া এটি খেলে হার্টেররোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একদমই থাকে না।

উপরোক্ত খাবারগুলোর সাথে সাথে নিয়মিত কিছু কাজ করতে হবে। এখনই খাতায় লিখে রাখতে পারেন।

নিয়মিত দৌড়ান

ধূমপান ছেড়ে দিন

ওজন কমান

দূষিত বায়ু এড়িয়ে চলুন

মুঠোর ব্যায়াম করুন

শ্বাসের ব্যায়াম করুন  

সময়মতো ঘুমান

কম চর্বি যুক্ত খাবার খান

এনার্জি ড্রিংকস থেকে বিরত থাকুন

গান গান

প্রতিদিন নাচুন

সামাজিক যোগাযোগ বাড়ান

হার্টের সমস্যা শুধু বয়স্ক, মোটা মানুষদের হতে পারে এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসুন। এই সমস্যা যেকোনো বয়সের মানুষের হতে পারে।

তাই রোগ প্রতিকারের আগে প্রতিরোধ করুন। সবাই সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন। সবার আগে যত্ন নিন নিজের।

রমজানে কিভাবে ঠিক রাখবেন নিজের শরীর

রমজান

রমজানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হল ইফতার। সারাদিন আল্লাহ্‌র জন্য ইবাদত করার পর ধর্ম প্রাণ মুসলমানরা এই সময় খাবার গ্রহণ করে। সুতরাং এই সময়ের খাবারটা খুবই পুষ্টিকর হওয়া উচিৎ। সারাদিন না খাওয়ার পর আমরা এমন কিছু খাবার খাই যা আমদের স্বাস্থ্যের জন্য হানিকারক। তাহলে জেনে নিন কোন কোন খাবারগুলো ইফতার বা সেহেরীতে খাওয়া উচিৎ না আর কোন খাবার গুলো খেলে আমাদের স্বাস্থ্য ভাল থাকবে। রোজা রাখতে গিয়ে রমজান মাসে অসুস্থ হলে চলবে না।

রমজান শুরু হলে কি খাবেন আর খাবেন না

রমজান

  • এবার রমজান এসেছে গ্রীষ্মের দাবদাহে। সারা দিন পানি ছাড়া থাকাটা অনেক কঠিন। এই গরমে তাই অন্তত ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি না খেলে হজমের সমস্যা হবে। ইফতারের পর থেকে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত একটু পরপর পানি খেতে হবে।
  • বেগুনি, পিঁয়াজু, চপ, মাংসের আইটেম, হালিম, বিরিয়ানি এগুলো না খেয়ে বেশি করে ফল খেতে পারেন। যদি ভাজা পুরি খেতেই ইচ্ছে করে তবে কষ্ট করে বাসায় বানানো খাবার খাবেন।

রমজান

  • যে তেলে ভাজা হয় সেই তেল একবারের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। একই তেল বারবার আগুনে ফোটালে কয়েক প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য (ট্রান্স ফ্যাট) তৈরি হয়, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তেল বারবার ব্যবহারে পলি নিউক্লিয়ার হাইড্রোকার্বন তৈরি হয়, যার মধ্যে বেনজা পাইরিন নামক রাসায়নিক থেকে ক্যান্সারও হতে পারে। তা ছাড়া অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি খাবারে পেটের অসুখ হয়।

রমজান

  • খেজুর বা খোরমা অবশ্যই খাবেন। এতে আছে শর্করা, চিনি, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, কপার, সালফার, ম্যাঙ্গানিজ, সিলিকন, ক্লোরিন ফাইবার যা সারা দিন রোজা রাখার পর খুবই দরকারি।
  • চিনিযুক্ত খাবার বাদ দিলে ভালো হয়। এটা খুব তাড়াতাড়ি রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, ওজন বাড়ায়। তাই যথাসম্ভব চিনি ও চিনিযুক্ত খাবার কম খান।
  • সবজি ও ফল খেতে হবে নিয়ম মাফিক। তা না হলে এই সময়ে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে নিত্যসঙ্গী।

রমজান

  • প্রত্যেক বেলা মাংসের আইটেম রাখবেন না। মাছ বেশি খাওয়ার চেষ্টা করুন।
  • সারা দিন রোজা রাখা নাজুক পাকস্থলী ঠিকমতো হজম করতে পারবে এমন খাবার রাখুন। যেমন দই, চিরা, কলা।
  • কোষ্ঠকাঠিন্য হলে খাদ্য তালিকায় তোকমা বা ইসুবগুলের ভুসি রাখুন।
  • আপনার যদি অনেক বেশি শরীর দুর্বল লাগে তাহলে ইফতারে ডাবের পানি রাখুন। ইফতারের পর স্যালাইন খান।
  • আঁশ সমৃদ্ধ খাবার খান। আপনার হজম শক্তি ভাল থাকবে, কোষ্ঠকাঠিন্য হবে না। আর আপনার রক্তে চিনির মাত্রাও বাড়বে না।
  • কোমল পানীয় ঘুমের সমস্যা, অ্যাসিডিটি, আলসার ইত্যাদির কারণ। তাই এ কোমলপানীয়কে সারা জীবনের জন্য পারলে বাদ দিন।
  • পাকস্থলীতে অধিক উত্তেজনা কিংবা অস্বস্তি সৃষ্টি করে এমন খাবার খাওয়া সঠিক নয়। কারণ গুরুপাক খাবার খেলে শরীরের বিপাকক্রিয়া বেড়ে যায়। অধিক চর্বিজাতীয় খাবার খেলে শরীর অসুস্থ হয়।
  • সেহেরীতে খুব কম বা বেশি খাওয়া উচিৎ না। কম খেলে সারাদিন আপনার দুর্বল লাগবে।

রমজান শুরু হলে শারীরিক ব্যায়াম কি করে করবেন

অনেকেই আমরা নিয়মিত ব্যায়াম করে থাকি। কিন্তু এই রোজার সময়ে আগের মতো ব্যায়াম করা সম্ভব হয় না। বিশেষজ্ঞরা বলেন কোন ভাবেই রোজা করে অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করা ঠিক যাবে না।

তবে শরীর সায় দিলে হালকা ব্যায়াম করা যায় তবে তা অবশ্যই সন্ধ্যার পর, শরীরের উপর চাপ পড়ে এমন কিছু করা যাবে না।

তবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হেলথ ইন্সট্রাক্টর মোহাম্মদ ইউনুস বলছেন যারা রোজা করবেন তাদের জন্য নামাজ বিশেষ করে ইফতারির পর রাতে তারাবির নামাজ নিয়মিত আদায় করাটাই বড় ব্যায়াম হতে পারে। এছাড়া ইফতারি বা রাতের খাবারের পর হাঁটা চলাও ব্যায়াম হিসেবে কাজে দেবে।

ঘুম

রমজান

সেহেরীর জন্য আমরা অনেকটা সময় জেগে থাকি। তাই ঘুম যেন পরিপূর্ণ ভাবে হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর কঠিন শারীরিক পরিশ্রম হয় এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।

ইফতারের পর বা সেহেরীর পর ধূমপান থেকেও বিরত থাকা উচিত।

রমজান মাস হল সিয়াম সাধনের মাস। যতটুকু পারবেন এই মাসে নিজেকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখুন। পান, সিগারেট, জাঙ্কফুড, কোমল পানীয়, তামাকের মত বাজে জিনিস গুলো বাদ দিয়ে দিন। দেখবেন আপনি কতোটা সুস্থ অনুভব করছেন। ইংরেজি নতুন বর্ষে আমরা যেভাবে নিজেকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করি সেভাবে রমজান মাসও হতে পারে আমাদের পরিবর্তন করার একটি পবিত্র সময়।

সবাই ভাল থাকুন এবং সুস্থ থাকুন।

পৃথিবীর বিস্ময়কর বুদ্ধিমান কথা বলা পাখির দল

পাখি

মানুষের পর একমাত্র পাখিই আছে যারা কথা বলতে পারে।  মানুষের মত হুবুহু কণ্ঠ নকল করতে পারে এমন পাখিও আছে। বুদ্ধিমান প্রাণীদের তালিকায় ভাল একটা জায়গা দখল করে আছে এই পাখিরা। চলুন দেখে নেই পৃথিবীর বিস্ময়কর কিছু পাখি সম্পর্কে।

বাজ্রিগার

পাখি

বাজ্রিগার খুব পরিচিত একটি পোষা পাখি। বাজ্রিগার বাজি নামেই বেশ সুপরিচিত। ছোট প্রজাতির এই পাখিটি এর বুদ্ধিমত্তার জন্য জনপ্রিয়। শ্রবণ ক্ষমতা অনেক ভাল। খুব সহজে বড় শব্দ বা বাক্য মনে রাখতে পারে। পাখিগুলো অস্ট্রেলিয়াতে পাওয়া যায়। মালিকের থেকে কোন শব্দ শোনা মাত্র এরা মনে রাখতে পারে এবং বার বার তা বলতে থাকে। পুরুষ বাজ্রিগার মেয়ে বাজ্রিগারের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান হয়। শেখার ক্ষমতাও তাই পুরুষ বাজ্রিগারের বেশি। এদের গড় আয়ু ৪-৫ বছর এবং খাঁচায় ১০-১২ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।

সন্ন্যাসী টিয়া

পাখি

সন্ন্যাসী টিয়া একটি রঙিন পাখির প্রজাতি যা আসলে একটি ছোট টিয়া। এটি কোয়েক টিয়া নামেও পরিচিত। এই পাখিগুলি সুপরিচিত তাদের কয়েকটি বড় শব্দভাণ্ডার তৈরির ব্যাপক গুণের জন্য। এই সন্ন্যাসী টিয়া ইউরোপ এবং দক্ষিণ আমেরিকাতে পাওয়া যায়।

এদের প্রশিক্ষকদের বা মালিকদের থেকে শোনা শব্দ অনুকরণের একটি ক্ষমতা আছে। আশেপাশে যে সকল শব্দ এরা শুনতে পায় সব কিছু অনুকরণ করতে পারে।

ব্লু ফ্রন্টেড অ্যামাজন

পাখি

ব্লু ফ্রন্টেড অ্যামাজন সবচেয়ে জনপ্রিয় পাখিগুলির মধ্যে একটি। এই পাখি দক্ষিণ আমেরিকাতে পাওয়া যায়।

এদের নামকরণ এদের মাথার সুন্দর নীল রঙের উপর ভিত্তি করে রাখা হয়েছে।পাখিগুলো যেমন সুন্দর করে কথা বলতে পারে তেমন দেখতেও অনেক বেশি সুন্দর।

তারা সত্যিকারের মানুষের ভাষা নকল করতে পারে। তাদের মধ্যে এক ধরণের অনন্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে সেটা হল তারা খুব রক্ষণশীল। তাই মানুষের প্রয়োজন তাদের সাথে একটি বন্ধন তৈরি করার।

এরা খেলনা দিয়ে খেলতে খুব ভালবাসে।

ইলেক্টাস

পাখি

এই পাখিটি টিয়া প্রজাতির মধ্যে শ্রেষ্ঠ। তারা নিউ গিনি দ্বীপপুঞ্জে থাকে। এরা এদের স্বচ্ছ বক্তৃতার জন্য সুপরিচিত। তারা বিশাল পরিসরের শব্দভান্ডার বুঝতে পারেন।

এই টিয়া পাখিগুলো বেশিরভাগ শব্দের অনুকরণ করে যা তারা শুনতে পায়। তারা গানও পছন্দ করে।

মালিকদের কখনও বোকা বানানো তাদের একটি অনন্য ক্ষমতা। এখানে উভয় পুরুষ এবং মহিলা কিছু মধুর কণ্ঠস্বর বের করতে পারে।

ককাটিয়েল

পাখি

ককাটিয়েল হল কাকাতুয়া পরিবারের একটি পাখি। ককাটিয়েলকে ক্যারিওন এবং উইরো নামেও ডাকা হয়। বাংলাদেশে এটি ককাটেল বা ককাটেল পাখি নামেই বেশি পরিচিত।

ককাটিয়েল মূলত অস্ট্রেলিয়া অঞ্চলের এন্ডেমিক প্রাণী। বন্য প্রজাতি হিসেবে একে অস্ট্রেলিয়া ছাড়া কোথাও পাওয়া না, গেলেও বিশ্বব্যাপি এটি খাঁচায় পোষা গৃহপালিত পাখি হিসেবে পালিত হয়।

সহজে বাচ্চা উৎপাদন, সৌন্দর্য ও আরও কিছু কারণে এটি বাজ্রিগারের পরে খাঁচায় পোষা দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রজাতি।

খাঁচাবন্দি ককাটিয়েল সাধারণত ১৬ থেকে ২৫ বছর বাঁচে। রেকর্ড অনুযায়ী কিছু কিছু ক্ষেত্রে ককাটিয়েল ১০ থেকে ১৫ বাঁচে; ককাটিয়েলের ৩২ বছর বেঁচে থাকারও রেকর্ড আছে। একটি ককাটিয়েল পাখি অবশ্য ৩৬ বছর বেঁচে ছিল। এগুলো সাধারণত নির্ভর করে খাবার, পরিবেশ আর উড়ার জায়গার উপর।

এরা খুব দ্রুত একসাথে অনেকগুলো শব্দ মনে রাখতে পারে। মানুষের কণ্ঠ নকল করে কথা বলতে পারে।

পাহাড়ি ময়না

পাখি

পাহাড়ি ময়না বিশ্বব্যাপী সর্বশ্রেষ্ঠ কথা বলার পাখি হিসাবে পরিচিত। এদের প্রধানত দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া জুড়ে পাওয়া যায়। এরা কথা বলতে এবং মানুষ যেভাবে কথা বলে ঠিক একই ভাবে কথা বলতে পারে। পাহাড়ি ময়না বিভিন্ন ধরনের শব্দের ডাকতে পারে। এরা কান্নাকাটিও করতে পারে। ময়না দুটি প্রজাতি আছে যা আরও শক্তিশালী উপায়ে কথা বলতে পারে। পাহাড়ি ময়নার অন্যান্য প্রজাতিও রয়েছে।

 ব্লু গোল্ড ম্যাকাও

পাখি

ব্লু গোল্ড ম্যাকাও তোতা পরিবারভূক্ত সর্ববৃহৎ ম্যাকাও গোত্রের অন্যতম সদস্য। অন্যান্য ম্যাকাও পাখির ন্যায় এটিও পোষ মানে। তবে পাখিটি বনাঞ্চল থেকে উল্লেখযোগ্য হারে শিকার হচ্ছে; ফলে এটি সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। কিন্তু এদের বংশবিস্তার কার্যক্রম ব্যাপকভাবে গ্রহণ করায় এটি এখনো প্রকৃতিতে বিদ্যমান।

ব্লু গোল্ড ম্যাকাওরা অন্যতম জনপ্রিয় পোষা পাখির মর্যাদায় অভিষিক্ত। নজরকাড়া রঙের ভিন্নতা, কথা বলায় দক্ষতা অর্জন, বাজারে সহজেই প্রাপ্যতা এবং মানুষের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলায় এ পাখিটি অসম্ভব জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

বুনো অবস্থায় এ ধরনের ম্যাকাও বেশ আক্রমণাত্মক ভঙ্গী প্রদর্শন করে। কিন্তু ছোট বাচ্চা ম্যাকাও বেশ ক্রীড়ামোদী।

সঙ্গীকে নিয়ে সারাজীবন একত্রে থাকে এই পাখিটি। মৃত গাছে এদের বাসা থাকে। স্ত্রী পাখিটি সচরাচর দুই থেকে তিনটি ডিম পেড়ে থাকে। প্রায় আটাশ দিন স্ত্রী পাখিটি ডিমে তা দেয়।

কাকাতুয়া

পাখি

সকল কাকাতুয়ারই আকর্ষণীয় পালক এবং শক্তিশালী বাঁকানো ঠোঁট রয়েছে। অধিকাংশ প্রজাতিই সাদা রংয়ের। কিন্তু কিছু প্রজাতির গায়ের রঙ ধূসর, খয়েরী, উজ্জল কালো বর্ণের। কাকাতুয়া মাঝারি থেকে বড় বড় তোতা পাখির চেয়েও বড় হতে পারে।

উদ্ভিদজাত খাবার গ্রহণ করে এরা জীবনধারন করে। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বনাঞ্চলের উঁচু বৃক্ষের গর্তে থাকতে পছন্দ করে এবং সেখানেই তারা বাসা বাঁধে। মূলত প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট পাখির গর্ত কিংবা পাহাড়ের গুহায় এরা বাসা তৈরী করে। স্ত্রীজাতীয় কাকাতুয়া দুইটি থেকে চারটি সাদা ডিম পারে। শাবকগুলো চোখ বোজা অবস্থায় থাকে এবং প্রায় তিন মাস শাবকদের বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্ত্রী-পুরুষ উভয় কাকাতুয়াই পালাক্রমে দেখাশোনা ও লালন-পালন করে। বাবা মা দুজনে মিলেই তাদের ছানার দেখা শোনা করে।

মানুষের কথা নকল করতে এরা খুব ভালবাসে। কাকাতুয়া খুব সামাজিক একটি পাখি। মালিককে খুব ভালবাসে এরা। ঠিক মত লালন পালন করলে এবং সেখালে এরা সব কিছুই আয়ত্তে আনতে পারে।

আফ্রিকান গ্রে প্যারট

পাখি

পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রাণীর লিস্টে ৩য় স্থানে রয়েছে আফ্রিকান গ্রে প্যারট। এদের পাখি জগতের আইনস্টাইন বলা হয়। এরা অত্যন্ত চালাক একটি পাখি।

গবেষনায় দেখা গেছে এরা বিমুর্ত এবং সিদ্ধান্তলব্ধ যুক্তি ক্ষমতার অধিকারী। এরা মানুষের কন্ঠ নকল করতে পারে এবং মানুষের নির্দেশনা বুঝে বিভিন্ন কাজ করতে পারে।

গবেষণা অনুযায়ী, এদের বুদ্ধিমত্তা ৪ থেকে ৬ বছর বয়সী মানুষের বাচ্চার বুদ্ধির সমমান।

আর এদের বুদ্ধিমত্তা, মানুষের মত কথা বলা ইত্যাদি কারনেই সমগ্র পৃথিবীতে এরা জনপ্রিয় পোষা পাখি হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠছে।

কুকুর যদি খেতে না চায় তাহলে কি করবেন?

কুকুর

আমাদের ঘরের পোষা প্রাণীটি কিন্তু আমাদের কাছে বাচ্চা বা শিশুর মত প্রিয়। বাচ্চারা যখন খেতে না চায় তখন আপনি কিছুটা হলেও আন্দাজ করতে পারেন যে কেন ওর খাবারে অরুচি। কিন্তু আমাদের পোষা প্রাণীটির ক্ষেত্রে কি আমরা বুঝতে পারি তারা কেন খাচ্ছে না? আমরা আজ আমাদের সবচেয়ে প্রিয় পোষা প্রাণী কুকুরকে নিয়ে আলোচনা করব। কুকুর স্বভাবতই খেতে ভালবাসে।

যদি খাওয়া বন্ধ করে দেয় তাহলে বুঝতে হবে কোন শারীরিক কারণে এমনটা হচ্ছে। না খাওয়ার সঠিক কারণ বের করে এর জলদি সমাধান করুন।

কুকুর যদি অসুস্থ হয়

প্রথমেই আপনি আপনার কুকুরটির শরীরের তাপমাত্রা মেপে দেখুন। যদি ১০২ ডিগ্রির এক দাগও বেশি হয় তাহলে তা জ্বর বলে গণ্য হবে। জ্বর, ডায়রিয়া, কিডনির সমস্যা হলে কুকুর খেতে চায় না।

কুকুর

সমাধান- যত দ্রুত সম্ভব ভেটের কাছে নিয়ে যান। কুকুরদের সুস্থ হতে বেশি সময় লাগে না। আর ওকে অনেক সময় দিন ও অনেক ভালবাসুন।

কুকুরের যদি ক্রিমি হয়

এটা খুব বড় একটা সমস্যা। কুকুরের যদি শরীরে ক্রিমি থাকে তাহলে বমি করবে অনেক ক্ষেত্রে পাতলা পায়খানাও করতে পারে। সুতরাং এমতাবস্থায় অরুচি হওয়াটা খুব স্বাভাবিক।

কুকুর

সমাধান- এমন হলে জলদি ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। ডিওয়ারমিং ওষুধ অথবা ভেক্সিন করিয়ে নিন। এতে করে ও অনেক দিন ক্রিমি থেকে সুরক্ষিত থাকবে। বেশি দেরি হয়ে গেলে আপনার কুকুরটি মারাও যেতে পারে। সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন থাকবেন। কারণ এই ক্রিমি আপনাকেও আক্রান্ত করতে পারে।

কুকুরকে যদি স্পে বা নিউটার করানো হয়

স্পে বা নিউটার করালে কুকুরের অরুচি দেখা যায়। অনেক সময় ভ্যাক্সিনেশন করানোর ফলেও এমনটা হতে পারে। শরীরের তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের ছেয়ে কিছুটা বেশি থাকে।

কুকুর

সমাধান- এমন হলে চিন্তার কোন কারণ নেই। কিছু দিন সময়দিন ও নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যাবে। ওকে একটু বেশি সময় দিন।

হিটিং টাইম হলে অরুচি হয়

যদি আপনার কুকুরের হিটিং টাইম হয়ে থাকে তাহলে ও ঠিক মত খাবে না, অযথা ডাকাডাকি করবে, যেখানে সেখানে পি(প্রস্রাব) করতে পারে।

সমাধান- এ ধরণের সমস্যা হলে জলদি ওর সঙ্গী আনার ব্যবস্থা করুন। অনেকে এমন সমস্যায় নিউটার করিয়ে দেন কিন্তু এতে করে ওর স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।

দীর্ঘদিন একই খাবার খেলে

অনেকের অভিযোগ থাকে আমার কুকুর ছোট বেলায় অনেক খেত এখন কিছু খেতে চায় না। একদম খাওয়া কমিয়ে দিয়েছে। সেক্ষেত্রে লক্ষ করুন আপনি ওকে দীর্ঘদিন একই খাবার দিচ্ছেন কিনা। যদি দিয়ে থাকেন তাহলে সমস্যাটা এখানেই।

কুকুর

সমাধান- আপনাকে যদি তিন বেলা ভাত আর ডাল খেতে দেয়া হয় অথবা প্রতিদিন পোলাও-মাংস দেয়া হয় আপনি কতদিন খেতে পারবেন? আপনার কুকুরের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা এমন। সুতরাং খাবারে বৈচিত্র্য আনুন। খাবারের তালিকায় ফল, চিজ, সবজি রাখুন। সব সময় পরিষ্কার, তাজা এবং ভাল খাবার খাওয়াতে হবে।

রোজা রাখলে শারীরিক ভাবে আমরা যেভাবে উপকৃত হই

রোজা

 

আমাদের দেশে প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলমান। তাই রমজান মাসে অধিকাংশ মানুষই রোজা রাখেন। রমজান আত্মশুদ্ধি আর সংযমের মাস। রোজা শরীর মনকে যেমন সতেজ রাখে তেমনি অনেক বদ অভ্যাস ত্যাগ করতেও সহায়তা করে। অনেকে বলেন রোজা রাখলে গ্যাসের সমস্যা হয়, শরীর দুর্বল লাগে এছাড়াও নানান ধরণের সমস্যা দেখা দেয়। কিন্তু আপনি হয়তো জানেন না রোজা অনেক রোগের ঔষধ হিসেবে কাজ করে। যা বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত।

রোজা রাখলে ওজন কমে

রোজা
যদি আপনি দ্রুত ওজন কমাতে চান তবে রোজা রাখুন। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন আপনার ধর্মীয় রীতি পালন করাও হবে আর আপনার শরীরের অতিরিক্ত মেদও ঝরে যাবে।

মিষ্টি ও তৈলাক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এতে দ্রুতই আপনার ওজন কমে যাবে। রোজায় সাধারণত দুই বেলা খাওয়া হয়।

আর এ সময় যদি পরিমাপ মতো পুষ্টিকর খাবার খাওয়া যায় তবে রোজার মাস শেষ হওয়ার আগেই ওজন কমে যাবে।

কিন্তু আপনি যদি ইফতারের পর ইচ্ছে মত খেতে থাকেন ঘটনা কিন্তু উল্টো হতে পারে।

রোজা কলেস্টরল কমায়

রোজা
রোজার মাসে রোজাদাররা বেশিরভাগ সময়ই বাসার খাবার খেয়ে থাকেন। এটা সত্যি কথা বলতে আমাদের বাধ্য হয়েই করতে হয়।

বাইরের তৈলাক্ত এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। ফলে শরীর কলেস্টরলের মাত্রা ঠিক রেখে বাড়তি কলেস্টরল ঝেড়ে ফেলে।

রোজা ভালো কোলেস্টেরলকে (এইচডিএল) বাড়াতে এবং মন্দ কোলেস্টেরল (এলডিএল) ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সাহায্য করে। এর দরুন আমাদের উচ্চ রক্তচাপও নিয়ন্ত্রিত থাকে।

রোজা আমাদের আসক্তি কমায়

রোজা
পবিত্র রোজার মাসে রোজা পালনকারীরা ধূমপান, মদ্যপানের মতো বিভিন্ন আসক্তি থেকে বাধ্য হয়েই দূরে থাকেন। যা আপনার প্রতিদিনের অভ্যসকে ভেঙে দেয়। ফলে সহজেই আপনি এসব আসক্তি দূর করতে পারবেন। এক কথায় আপনার আয়ু কিছুটা বাড়িয়ে দেয়।

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য রোজা

রোজা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে রোগীদের জন্য এক অন্যতম সুযোগ। এটা তাদের জন্য রহমত স্বরূপ। ডায়াবেটিক রোগীরা সঠিক নিয়মে রোজা রাখলে নানা রকম উপকার পেতে পারেন।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মূল উপায় হল খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, আর রোজা রাখা হতে পারে এক অন্যতম উপায়।

এতে সহজেই খাদ্য নিয়ন্ত্রণ সহজ ও সুন্দরভাবে করা যায়। যারা ইনসুলিনের উপর নির্ভরশীল নন, তাদের ক্ষেত্রে রোজা রাখা হতে পারে আদর্শ চিকিৎসা ব্যবস্থা।

যারা ইনসুলিন নেন তাদের ক্ষেত্রেও রোজা অবস্থায় ওষুধের মাত্রা কমাতে সহায়ক। শুধু রক্তের গ্লুকোজই নয়, রক্তের চর্বি নিয়ন্ত্রণেও রোজা মোক্ষম।

তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন এর ফলে হাইপো-গ্লায়সেমিয়া (শর্করা স্বল্পতা) আবার হয়ে না যায়।

পেপটিক আলসার

রোজা
এক সময় ধারণা ছিল পেপটিক আলসারে আক্রান্ত রোগীরা রোজা রাখতে পারবেন না, তাদের ঘনঘন খাওয়া খেতে হবে। অনেকক্ষন পেট খালি রাখা যাবে না। অনেকে মনে করেন রোজা পেপটিক আলসারের ক্ষতি করে এবং এসিডের মাত্রা বাড়ায়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এসব ধারণা ঠিক নয়। রোজায় নিয়ন্ত্রিত খাওয়া দাওয়ার ফলে এসিডের মাত্রা কমে যায়। তাই সঠিকভাবে রোজা রাখলে এবং সঠিক খাবার দিয়ে সেহেরী ও ইফতার করলে রোজা বরং আলসারের উপশম কম করে। অনেক সময় আলসার ভাল হয়ে যায়। এছাড়া রোজা গ্যাস্ট্রিইটিস, আইবিএস ইত্যাদি রোগের জন্যও  উপকারী।

শ্বাসকষ্ট ও এজমা রোগী

রোজা
যারা এই সমস্ত রোগে ভোগেন, তাদেরও রোজা রাখতে কোন অসুবিধা নেই। রোজায় এ ধরণের রোগ সাধারণত বৃদ্ধি পায় না। বরং চিন্তামুক্ত থাকায় এবং আল্লাহর প্রতি সরাসরি আত্মসর্মপনের ফলে এ রাগের প্রকোপ কমই থাকে। প্রয়োজনে রাতে একবার বা দুইবার ওষুধ খেয়ে নিবেন যা দীর্ঘক্ষণ শ্বাস নিয়ন্ত্রণে রাখে। এ ধরণের ওষুধ বাজারে সহজেই পাওয়া যায়। দিনের বেলায় প্রয়োজন পরলে ইনহেলার জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা যায়, যা রোজার কোন ক্ষতি করবে না।

চর্মরোগরোজা

রোজা চর্ম রোগীদের জন্য ও বেশ কার্যকর, আর এটি হয়ে থাকে শরীর থেকে বিষাক্ত বর্জ বেরিয়ে যাওয়া এবং রক্ত পরিশুদ্ধু হবার ফলে।

এই হলো মোটামুটি বৈজ্ঞানিক কিংবা চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টির আলোকে রোজার উপকারিতা।

রোজা মানে কিন্তু শুধু খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে রাখা না সবকিছুকেই নিয়ন্ত্রণ করা।তার মানে এই সময়টাই সবচেয়ে উপযুক্ত সময় যখন আপনি আপনার চরিত্রের অনেক কিছু চাইলে পরিবর্তন করতে পারবেন।

আর ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে রোযার উপকারিতা কি তা বলা খুব সহজ।

তাহলো এটি- ইসলামের ৫ টা স্তম্ভের মধ্যে এর অবস্থান ৩য়, তার মানে এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ আর এটা একটা ইবাদত যার ফলে মহান আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনও খুব ভালো ভাবে করা সম্ভব।

ভালোবাসার সাগরে সাঁতরাচ্ছেন কিনা বুঝবেন কি করে?

ভালোবাসার

পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী আর পবিত্র অনুভূতির নাম ভালোবাসা। বাংলায় ভালোবাসা, হিন্দিতে পিয়ার আর উর্দুতে বলা হয় মুহাব্বত। বাবা, মা, ভাই, বোন আর পরিবারকে জন্মের পর থেকেই আমরা ভালোবাসি। কিন্তু মানব জিবনে একটা নির্দিষ্ট বয়সে ভালোবাসার সুরটা যেন পাল্টে যায়। অনেকে তরুণ হওয়ার পরেও এই অনুভূতির সাথে পরিচিত হন না। তাই বুঝতেও পারেন না যে তিনি প্রেমে পরেছেন বা কাউকে ভালবেসেছেন কিনা। তাদের জন্যই আজকের এই লেখা। আশা করি লেখাটি আপনাকে উপকৃত করবে।

ভালোবাসার লক্ষণ ১- প্রথম দেখা

ভালোবাসার

আপনি প্রথম যেদিন তাকে দেখেছেন সেই দিনের কথা আপনি চাইলেও ভুলতে পারবেন না। সেদিন সে কি পড়ে এসেছিল, কিভাবে কথা বলেছিল, কোন বিষয়ে কথা হয়েছিল সব কিছুই আপনার মনে থাকবে। সেদিনের কথা আজও মনে আসলে আপনার মনে একটা সুন্দর ভালো লাগার অনুভূতি ছড়িয়ে যাবে।

ভালোবাসার লক্ষণ ২- অবসরে তার স্মৃতি বার বার চোখের সামনে আসবে

ভালোবাসার

একা যখন বসে বই পরছেন তখন হয়ত গল্পের কোন চরিত্র পছন্দ হলে তার সাথে মিলিয়ে ফেলবেন। গান শুনলে তার সাথে কাটানো কোন মুহূর্ত মনে পড়ে যাবে। অবসরে তার কথা ভাবতে আপনার ভীষণ ভালো লাগবে। একা একা হয়তবা তখন হেসেই দিবেন।

ভালোবাসার লক্ষণ ৩- সব সময় তাকে সুরক্ষিত দেখতে চাইবেন

ভালোবাসার

আপনার প্রিয় মানুষটি যেন সবসময় সুরক্ষিত থাকে সে ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ থাকতে দেখা যাবে আপনাকে। তার সুবিধা-অসুবিধাটা আপনার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যাবে। আপনি চাইবেন তাকে যেন কোনভাবে বিপদ স্পর্শ না করে।

ভালোবাসার লক্ষণ ৪- গায়ের গন্ধ

ভালোবাসার

শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত আপনার পছন্দের মানুষটির গায়ের গন্ধ আপনার অনেক ভালো লাগবে।

এমন হতে পারে তার ঘামের গন্ধ আপনার কাছে খুব প্রিয়। তার ব্যবহৃত জিনিস ব্যবহার করতে আপনার খুব ভালো লাগবে।

ভালোবাসার লক্ষণ ৫- সে অসুস্থ হলে আপনি অনেক বেশি চিন্তিত হয়ে যাবেন

ভালোবাসার

তার ছোট ছোট অসুস্থতা আপনাকে অনেক বেশি চিন্তিত করে ফেলবে। অনেক বার ফোন দিয়ে খোঁজ নেবেন।

যদি তার সাথে কথা বলতে না পারেন তাহলে অন্য কারো মাধ্যমে তার বিষয়ে খোঁজ নেবেন।

ভালোবাসার লক্ষণ ৬- তার সামনে নিজেকে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করতে চাইবেন

ভালোবাসার

পৃথিবীর অন্য মানুষগুলোর সামনে আপনি কি সেটা আপনার মাথায় আর কাজ করবে না। মাথায় শুধু এটাই থাকবে তিনি আপনাকে কিভাবে দেখছেন।

তার সামনে সব সময় নিজেকে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করবেন।

ভালোবাসার লক্ষণ ৭- মনের সব কথা তাকে বলতে ইচ্ছে করবে

ভালোবাসার

আমাদের মনের ভেতর নানা ধরনের কথা থাকে, সুপ্ত ইচ্ছা থাকে সেগুলো তার সাথে বলতে ভালো লাগবে।

সেটা পূরণ হোক বা না হোক ইচ্ছে করবে তাকে বলতে। তার সাথে আপনার সব পরিকল্পনা ভাগ করতে ভালো লাগবে।

ভালোবাসার লক্ষণ ৮- মানুষটির সাথে সময় পার করলে হিসেব থাকবে না আপনার

ভালোবাসার

অনেক মানুষ আছে যাদের সাথে থাকলে মনে হবে সময় এত বড় কেন? মিনিটকে মনে হয় ঘণ্টার সমান। কিন্তু এই বিশেষ ব্যক্তিটির সাথে সময় কাটালে মনে হবে, সময় অনেক দ্রুত চলে যায়। তার সাথে কথা বলা শেষে ঘড়ি দেখলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন।

ভালোবাসার লক্ষণ ৯- অন্য কারো সাথে থাকলে ঈর্ষা অনুভব করবেন

ভালোবাসার

আপনার বিশেষ মানুষটি অন্য কারো সাথে যদি কাজেও একটু ব্যস্ত থাকে তাহলে আপনার ঈর্ষা অনুভূত হবে।

বিপরীত লিঙ্গ হলেই যে সেখানে খারাপ অনুভূতি হবে তা নয়। আপনার মনে হবে এতো টুকু সময় তো আপনার সাথে থাকতে পারতেন।

ভালোবাসার লক্ষণ ১০- সে যদি আপনাকে নাও ভালোবাসে তবুও তার শুভকামনা করা

ভালোবাসার

সবাই ভালোবাসা চায়, কিন্তু এটা সবার ভাগ্যে থাকেনা। দুর্ভাগ্যবশত আপনার প্রিয় ব্যক্তিটি যদি অন্য কাউকে ভালোবাসে তাহলেও তার প্রতি ভালোবাসা বা শ্রদ্ধা এতোটুকু কমবে না। যদি আপনি তখন প্রতিশোধ নিতে চান অথবা আত্মহত্যার মত ঘৃণ্য কোন পদক্ষেপ নিতে চান তাহলে বলতেই হবে আপনি সত্যিকারের ভালোবাসার দেখা পাননি।

ভালোবাসার লক্ষণ ১১- জীবনকে মনে হবে ছোট আর অনেক দিন বাঁচতে ইচ্ছে করবে

ভালোবাসার

তাকে দেখার পর থেকে মনে হবে জীবন এতো ছোট কেন, এতো দ্রুত সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে কেন। মনে হবে কেন আরও আগে তার সাথে দেখা হল না।

জিবনে তখন বাঁচার কোন কারণ না থাকলেও আপনার খুব বাঁচতে ইচ্ছে করবে। মনে হবে জীবনটা অনেক সুন্দর।

ভালোবাসার লক্ষণ ১২- তার সাথে কোন কথা গোপন রাখতে পারবেন না

ভালোবাসার

কোন কথাই আপনি তার থেকে লুকাতে পারবেন না। তার সাথে কথা ভাগাভাগি করলে আপনি মানসিকভাবে শান্তি পাবেন।

তার বিষয়ে কোন ভুল ধারণা থাকলে অথবা তার বিষয়ে কোন কটু কথা শুনলে তা কখন মনে পুষিয়ে রাখতে পারবেন না।

কারণ আপনি বিশ্বাস করেন সে অনেক ভালো।

আরও অনেক লক্ষণ আছে যেগুলো দিয়ে বোঝা যায় আপনি কাউকে ভালোবাসেন কিনা। আজ কয়েকটি উপায় আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম।

এর ভেতর যদি একটিও মিলে যায় তাহলে কিন্তু আপনি সত্যি সত্যি প্রেমে পরেছেন অথবা অনেক ভালোবাসেন তাকে।

নিজের অনুভূতি সম্পর্কে জানুন। এবং আপনার ভালোবাসার মানুষকে অনেক বেশি ভালোবাসা উপহার দিন।